Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

কমিশনের উপর ‘পূর্ণ আস্থা’ মোদীর! কোচবিহার থেকে তৃণমূলের ‘পাপের হিসাব’ নেওয়ার হুঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
কমিশনের উপর ‘পূর্ণ আস্থা’ মোদীর! কোচবিহার থেকে তৃণমূলের ‘পাপের হিসাব’ নেওয়ার হুঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর
FILE IMAGE

কোচবিহার: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণার পর আজই প্রথমবারের জন্য রাজ্যে পা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানের জনসভা থেকে তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ শানানোর পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের ভূয়সী প্রশংসা শোনা গেল তাঁর গলায়। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, এবার বাংলায় ভোট হবে নিরপেক্ষ এবং নির্ভয়ে, যা কার্যত রাজ্যে ‘পরিবর্তনের’ পথ প্রশস্ত করবে।


যখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটারতালিকায় অসঙ্গতি এবং ‘এসআইআর’ প্রক্রিয়া নিয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন, ঠিক তখনই মোদীর এই ‘আস্থা’র বার্তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মোদী বলেন, “নির্বাচন কমিশনের উপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। এবার বাংলায় নিরপেক্ষ নির্বাচন হবেই। মানুষ নির্ভয়ে নিজের ভোট দিতে পারবেন।” রাজনৈতিক মহলের মতে, কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই সার্টিফিকেট তৃণমূলের ‘ভোটচুরি’র অভিযোগকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়ার কৌশল।


গত ১৪ মার্চ ব্রিগেডের সভার রেশ টেনেই মোদী এদিন হুঁশিয়ারি দেন, ভোটের পর তৃণমূলের দুর্নীতির ‘বেছে বেছে হিসাব’ নেওয়া হবে। তাঁর দাবি, ব্রিগেডের জমায়েত দেখেই তৃণমূলের ‘সিন্ডিকেট’ ঘাবড়ে গিয়েছে। রাজ্যে নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে কাটমানি সংস্কৃতি - সবকিছুর জন্যই তৃণমূলের মন্ত্রী ও বিধায়কদের কাঠগড়ায় তোলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “বাংলার যুবসমাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে এই দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার।”


মালদহের মোথাবাড়িতে বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনাকে ‘মহাজঙ্গলরাজ’ বলে ব্যাখ্যা করেন মোদী। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যে সরকার বিচারকদের সুরক্ষা দিতে পারে না, তারা সাধারণ মানুষকে কীভাবে বাঁচাবে? পাশাপাশি, সীমান্তবর্তী এলাকায় জনবিন্যাস বদলে যাওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি দাবি করেন, অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্ক হিসাবে ব্যবহার করতেই তৃণমূল এসআইআর-এর বিরোধিতা করছে।


বক্তৃতার শুরুতেই ভাঙা ভাঙা বাংলায় “সবাইকে নমস্কার” জানিয়ে বাঙালির মন জয়ের চেষ্টা করেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যদিকে, রাজ্যের মহিলা ভোটারদের নিজের দিকে টানতে ‘লাখপতি দিদি’ প্রকল্প এবং লোকসভা-বিধানসভায় ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের কথা মনে করিয়ে দেন মোদী। তাঁর দাবি, “বিজেপিই মা-বোনেদের ফার্স্ট চয়েস।”

বিষয় : Mamata Banerjee Narendra Modi ElectionCommission PoliticalAnalysis COOCHBIHAR ELECTION TMCCORRUPTION

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


কমিশনের উপর ‘পূর্ণ আস্থা’ মোদীর! কোচবিহার থেকে তৃণমূলের ‘পাপের হিসাব’ নেওয়ার হুঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
কোচবিহার: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণার পর আজই প্রথমবারের জন্য রাজ্যে পা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানের জনসভা থেকে তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ শানানোর পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের ভূয়সী প্রশংসা শোনা গেল তাঁর গলায়। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, এবার বাংলায় ভোট হবে নিরপেক্ষ এবং নির্ভয়ে, যা কার্যত রাজ্যে ‘পরিবর্তনের’ পথ প্রশস্ত করবে।যখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটারতালিকায় অসঙ্গতি এবং ‘এসআইআর’ প্রক্রিয়া নিয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন, ঠিক তখনই মোদীর এই ‘আস্থা’র বার্তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মোদী বলেন, “নির্বাচন কমিশনের উপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। এবার বাংলায় নিরপেক্ষ নির্বাচন হবেই। মানুষ নির্ভয়ে নিজের ভোট দিতে পারবেন।” রাজনৈতিক মহলের মতে, কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই সার্টিফিকেট তৃণমূলের ‘ভোটচুরি’র অভিযোগকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়ার কৌশল।গত ১৪ মার্চ ব্রিগেডের সভার রেশ টেনেই মোদী এদিন হুঁশিয়ারি দেন, ভোটের পর তৃণমূলের দুর্নীতির ‘বেছে বেছে হিসাব’ নেওয়া হবে। তাঁর দাবি, ব্রিগেডের জমায়েত দেখেই তৃণমূলের ‘সিন্ডিকেট’ ঘাবড়ে গিয়েছে। রাজ্যে নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে কাটমানি সংস্কৃতি - সবকিছুর জন্যই তৃণমূলের মন্ত্রী ও বিধায়কদের কাঠগড়ায় তোলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “বাংলার যুবসমাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে এই দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার।”মালদহের মোথাবাড়িতে বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনাকে ‘মহাজঙ্গলরাজ’ বলে ব্যাখ্যা করেন মোদী। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যে সরকার বিচারকদের সুরক্ষা দিতে পারে না, তারা সাধারণ মানুষকে কীভাবে বাঁচাবে? পাশাপাশি, সীমান্তবর্তী এলাকায় জনবিন্যাস বদলে যাওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি দাবি করেন, অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্ক হিসাবে ব্যবহার করতেই তৃণমূল এসআইআর-এর বিরোধিতা করছে।বক্তৃতার শুরুতেই ভাঙা ভাঙা বাংলায় “সবাইকে নমস্কার” জানিয়ে বাঙালির মন জয়ের চেষ্টা করেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যদিকে, রাজ্যের মহিলা ভোটারদের নিজের দিকে টানতে ‘লাখপতি দিদি’ প্রকল্প এবং লোকসভা-বিধানসভায় ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের কথা মনে করিয়ে দেন মোদী। তাঁর দাবি, “বিজেপিই মা-বোনেদের ফার্স্ট চয়েস।”

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার