Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

বহরমপুরে ফের ‘গো ব্যাক’ স্লোগান, কড়া নিরাপত্তাতেও বিক্ষোভ এড়াতে পারলেন না অধীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
বহরমপুরে ফের ‘গো ব্যাক’ স্লোগান, কড়া নিরাপত্তাতেও বিক্ষোভ এড়াতে পারলেন না অধীর

কলকাতা: বহরমপুরে ফের উত্তেজনা। ভোটের মুখে রবিবার সকালে প্রচারে বেরিয়ে আবারও বিক্ষোভের মুখে পড়লেন কংগ্রেস প্রার্থী Adhir Ranjan Chowdhury। দয়াময়ী কালীবাড়ি এলাকায় তাঁর মিছিল পৌঁছতেই ‘গো ব্যাক’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে এলাকা। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই তা ধস্তাধস্তির রূপ নেয়।


স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আগে থেকেই ওই এলাকায় জড়ো হয়েছিলেন All India Trinamool Congress-এর কর্মী-সমর্থকেরা। পতাকা ও ফেস্টুন হাতে নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন তাঁরা। অধীর চৌধুরীর মিছিল এলাকায় ঢুকতেই শুরু হয় স্লোগানবাজি। অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবেই এই বিক্ষোভ সংগঠিত করা হয়, যাতে কংগ্রেস প্রার্থীর প্রচারে বাধা সৃষ্টি করা যায়।

যদিও প্রশাসনের তরফে নিরাপত্তার কড়াকড়িতে কোনও খামতি রাখা হয়নি। অধীর চৌধুরীর জন্য ছিল কেন্দ্রের দেওয়া Y-ক্যাটেগরির নিরাপত্তা, পাশাপাশি এক DSP ও এক IC-র নেতৃত্বে মোতায়েন ছিল বিশাল পুলিশবাহিনী। নিরাপত্তা বলয় এতটাই শক্ত ছিল যে সংবাদমাধ্যমকেও তাঁর কাছাকাছি যেতে দেওয়া হয়নি। তবুও শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়নি। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির ঘটনাও সামনে আসে।

একই দিনে শুধু দয়াময়ী কালীবাড়ি নয়, হোতা সাঁকো ও কান্তনগর এলাকাতেও অধীর চৌধুরীর প্রচার ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। ফলে স্পষ্ট, এই বিক্ষোভ কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং ধারাবাহিক রাজনৈতিক সংঘাতেরই অংশ।

গতকালও অধীর চৌধুরীর প্রচার ঘিরে ব্যাপক অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনার জেরে বহরমপুর থানার IC-এর বিরুদ্ধে বিভাগীয় পদক্ষেপের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। তার আগে মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিনেও বিশৃঙ্খলার অভিযোগ উঠেছিল এবং সেই ঘটনায় চার তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে দুই রাজনৈতিক শিবিরের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র বাকযুদ্ধ। কংগ্রেসের অভিযোগ, তৃণমূল পরিকল্পিতভাবে তাদের প্রচারে বাধা দিচ্ছে এবং প্রশাসনকে ব্যবহার করে রাজনৈতিকভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, অধীর চৌধুরী বহিরাগত দুষ্কৃতীদের নিয়ে প্রচার করছিলেন এবং স্থানীয় মানুষের ক্ষোভ থেকেই এই বিক্ষোভ।


ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বহরমপুরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। দীর্ঘদিনের কংগ্রেস ঘাঁটি এই কেন্দ্রে এবার সরাসরি সংঘর্ষে নেমেছে দুই প্রধান রাজনৈতিক শক্তি। প্রশ্ন উঠছে, এই সংঘাত কি ভোটের ফলাফলে প্রভাব ফেলবে, না কি উল্টে সহানুভূতির হাওয়া বইবে কংগ্রেস প্রার্থীর পক্ষে—তার উত্তর মিলবে ভোটবাক্সেই।

বিষয় : WestBengalElection AdhirChowdhury

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


বহরমপুরে ফের ‘গো ব্যাক’ স্লোগান, কড়া নিরাপত্তাতেও বিক্ষোভ এড়াতে পারলেন না অধীর

প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
কলকাতা: বহরমপুরে ফের উত্তেজনা। ভোটের মুখে রবিবার সকালে প্রচারে বেরিয়ে আবারও বিক্ষোভের মুখে পড়লেন কংগ্রেস প্রার্থী Adhir Ranjan Chowdhury। দয়াময়ী কালীবাড়ি এলাকায় তাঁর মিছিল পৌঁছতেই ‘গো ব্যাক’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে এলাকা। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই তা ধস্তাধস্তির রূপ নেয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আগে থেকেই ওই এলাকায় জড়ো হয়েছিলেন All India Trinamool Congress-এর কর্মী-সমর্থকেরা। পতাকা ও ফেস্টুন হাতে নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন তাঁরা। অধীর চৌধুরীর মিছিল এলাকায় ঢুকতেই শুরু হয় স্লোগানবাজি। অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবেই এই বিক্ষোভ সংগঠিত করা হয়, যাতে কংগ্রেস প্রার্থীর প্রচারে বাধা সৃষ্টি করা যায়।যদিও প্রশাসনের তরফে নিরাপত্তার কড়াকড়িতে কোনও খামতি রাখা হয়নি। অধীর চৌধুরীর জন্য ছিল কেন্দ্রের দেওয়া Y-ক্যাটেগরির নিরাপত্তা, পাশাপাশি এক DSP ও এক IC-র নেতৃত্বে মোতায়েন ছিল বিশাল পুলিশবাহিনী। নিরাপত্তা বলয় এতটাই শক্ত ছিল যে সংবাদমাধ্যমকেও তাঁর কাছাকাছি যেতে দেওয়া হয়নি। তবুও শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়নি। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির ঘটনাও সামনে আসে।একই দিনে শুধু দয়াময়ী কালীবাড়ি নয়, হোতা সাঁকো ও কান্তনগর এলাকাতেও অধীর চৌধুরীর প্রচার ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। ফলে স্পষ্ট, এই বিক্ষোভ কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং ধারাবাহিক রাজনৈতিক সংঘাতেরই অংশ।গতকালও অধীর চৌধুরীর প্রচার ঘিরে ব্যাপক অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনার জেরে বহরমপুর থানার IC-এর বিরুদ্ধে বিভাগীয় পদক্ষেপের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। তার আগে মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিনেও বিশৃঙ্খলার অভিযোগ উঠেছিল এবং সেই ঘটনায় চার তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে দুই রাজনৈতিক শিবিরের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র বাকযুদ্ধ। কংগ্রেসের অভিযোগ, তৃণমূল পরিকল্পিতভাবে তাদের প্রচারে বাধা দিচ্ছে এবং প্রশাসনকে ব্যবহার করে রাজনৈতিকভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, অধীর চৌধুরী বহিরাগত দুষ্কৃতীদের নিয়ে প্রচার করছিলেন এবং স্থানীয় মানুষের ক্ষোভ থেকেই এই বিক্ষোভ।ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বহরমপুরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। দীর্ঘদিনের কংগ্রেস ঘাঁটি এই কেন্দ্রে এবার সরাসরি সংঘর্ষে নেমেছে দুই প্রধান রাজনৈতিক শক্তি। প্রশ্ন উঠছে, এই সংঘাত কি ভোটের ফলাফলে প্রভাব ফেলবে, না কি উল্টে সহানুভূতির হাওয়া বইবে কংগ্রেস প্রার্থীর পক্ষে—তার উত্তর মিলবে ভোটবাক্সেই।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার