কলকাতা: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আরও কঠোর অবস্থান নিল ভারত নির্বাচন কমিশন। যে সমস্ত ব্যক্তি ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত বা যাঁদের অপরাধমূলক ইতিহাস রয়েছে, অথচ সরকারি নিরাপত্তা ভোগ করছেন, তাঁদের সেই সুরক্ষা কবচ অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। এবার সেই নির্দেশ ঠিক কতটা কার্যকর হয়েছে, তা জানতে রাজ্য পুলিশের নোডাল অফিসারের কাছে 'স্টেটাস রিপোর্ট' তলব করা হলো।
গত বৃহস্পতিবার জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছিল, অপ্রয়োজনীয় বা নিয়মবহির্ভূত সমস্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ওই দিন রাত ১২টার মধ্যেই তুলে নিতে হবে। মূলত জামিন বা প্যারোলে জেলের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের পাশাপাশি যাঁরা বর্তমান পদমর্যাদা অনুযায়ী আর সরকারি সুরক্ষা পাওয়ার যোগ্য নন, তাঁদের তালিকা তৈরি করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। শুক্রবার দুপুর ১২টার মধ্যেই সেই কাজের অগ্রগতি নিয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা প্রত্যাহারের পাশাপাশি কমিশন আরও একধাপ এগিয়ে নির্দেশ দিয়েছে যে, জামিনঅযোগ্য ধারায় অভিযুক্ত অথচ এখনও অধরা— এমন ব্যক্তিদের আগামী ১০ দিনের মধ্যে গ্রেফতার করতে হবে। কোনোভাবেই অপরাধীদের প্রশ্রয় দেওয়া চলবে না বলে সাফ জানানো হয়েছে। এর আগে চলতি সপ্তাহেই প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের অশান্তিপ্রবণ এলাকা এবং পুরনো অপরাধীদের চিহ্নিত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল থানার ওসি-দের।
নির্বাচন কমিশনের এই সাঁড়াশি অভিযানের ফলে স্বাভাবিকভাবেই চাপ বাড়ছে রাজ্য প্রশাসনের ওপর। ভোটের আগে এই পদক্ষেপ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লাগাম টানতে কতটা সফল হয়, এখন সেটাই দেখার।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন