ঢাকা: ইরান বনাম আমেরিকা-ইজরায়েল যুদ্ধের এক মাস পেরিয়ে গেলেও থামার লক্ষণ নেই, বরং এর আঁচ এসে লেগেছে সাধারণ ভারতীয়দের হেঁশেলে। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের যে মেঘ ঘনিয়ে এসেছে, তা থেকে দেশবাসীকে সুরক্ষিত রাখতে এবার কোমর বেঁধে ময়দানে নামলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বুধবার ক্যাবিনেট বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যুদ্ধের কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও আমজনতার সুরক্ষা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় সরবরাহ নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। হরমুজ প্রণালীতে ভারতীয় জাহাজ আটকে থাকায় তেল ও গ্যাস আমদানিতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটলেও, প্রধানমন্ত্রী এলপিজি এবং এলএনজি-র নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে জরুরি পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
দেশের মানুষের মধ্যে সিলিন্ডার নিয়ে যে 'প্যানিক বুকিং' বা আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে কেন্দ্র স্পষ্ট জানিয়েছে যে দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে। অহেতুক সংকটের খবরে কান না দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তেল ও গ্যাস আমদানির পরিধি আরও বাড়াতে কয়েকটি নতুন দেশের সাথেও যোগাযোগ শুরু করেছেন। শুধু তাই নয়, এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে যাতে জ্বালানির কালোবাজারি না হয়, তার জন্য রাজ্য সরকারগুলিকে কড়া নজরদারি চালানোর আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
আন্তর্জাতিক স্তরে কূটনীতির মাধ্যমে হরমুজ প্রণালীতে আটকে থাকা ২০টি ভারতীয় জাহাজ দ্রুত দেশে ফেরানোর চেষ্টা চালাচ্ছে নয়াদিল্লি। ইরানের সহায়তায় এই এলপিজি বোঝাই জাহাজগুলি দেশে পৌঁছলে বর্তমান গ্যাস সংকটের সম্পূর্ণ সুরাহা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে এবং আমজনতার মনে স্বস্তি ফেরাতে ভারত সরকার এখন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছে।
বিষয় : India Narendra Modi

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন