Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

একবার ভোট দিতে না পারার অর্থ ভোটাধিকার হারানো নয়, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
একবার ভোট দিতে না পারার অর্থ ভোটাধিকার হারানো নয়, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের
প্রতীকী ছবি

একবার নির্বাচনে ভোট দিতে না পারা মানেই ভোটাধিকার চিরতরে হারিয়ে যাওয়া নয়—ভোটার তালিকায় নাম থাকা নিয়ে চলা বিতর্কের মাঝে এমনই তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করল সুপ্রিম কোর্ট। বুধবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি বা নথির সমস্যার কারণে এই নির্বাচনে কারও নাম বাদ পড়লেও পরবর্তীকালে অ্যাপেলেট ট্রাইবুনালের মাধ্যমে তা ফিরে পাওয়ার পূর্ণ সুযোগ রয়েছে। অর্থাৎ, সাময়িক বিচ্যুতি মানেই সাংবিধানিক অধিকারের পরিসমাপ্তি নয়।


কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির থেকে পাওয়া চিঠির সূত্র ধরে সুপ্রিম কোর্ট আশ্বস্ত করেছে যে, অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বকেয়া মামলাগুলোর সমাধান করা হচ্ছে। প্রতিদিন প্রায় ২ লক্ষ কেসের নিষ্পত্তি ঘটিয়ে আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে সমস্ত ভোটারের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যাবে বলে আদালত মনে করছে।


 নির্বাচন কমিশনের নবগঠিত ‘অ্যাপেলেট ট্রাইবুনাল’ আগামীকাল থেকেই কাজ শুরু করতে চলেছে। এই ট্রাইবুনালের দায়িত্বে থাকা প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিদের নিরপেক্ষতা নিয়ে আদালত কোনো সন্দেহ প্রকাশ না করলেও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী নির্দেশ দিয়েছেন যে, সফটওয়্যারে প্রতিটি আবেদনকারীর ক্ষেত্রে নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়া বা বাদ যাওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করতে হবে।


আদালতের মতে, এটি কেবল একটি আইনি প্রক্রিয়া নয়, বরং নথির সত্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করার একটি স্বচ্ছ পদ্ধতি। ট্রাইবুনালের সদস্যরা তাঁদের বিশাল অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন এবং যেখানেই নথির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে, সেখানেই তা গভীরভাবে যাচাই করা হবে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে যে সমস্ত রেকর্ড ট্রাইবুনালের সামনে রাখা হবে। সব মিলিয়ে, ভোটার তালিকায় নাম বাদ পড়া নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, সুপ্রিম কোর্টের এই পর্যবেক্ষণে তাতে কিছুটা হলেও স্বস্তির ছোঁয়া মিলেছে।

বিষয় : Supreme Court of India INDIANPOLITICS election26 votingrights judiciarynews

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


একবার ভোট দিতে না পারার অর্থ ভোটাধিকার হারানো নয়, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
একবার নির্বাচনে ভোট দিতে না পারা মানেই ভোটাধিকার চিরতরে হারিয়ে যাওয়া নয়—ভোটার তালিকায় নাম থাকা নিয়ে চলা বিতর্কের মাঝে এমনই তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করল সুপ্রিম কোর্ট। বুধবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি বা নথির সমস্যার কারণে এই নির্বাচনে কারও নাম বাদ পড়লেও পরবর্তীকালে অ্যাপেলেট ট্রাইবুনালের মাধ্যমে তা ফিরে পাওয়ার পূর্ণ সুযোগ রয়েছে। অর্থাৎ, সাময়িক বিচ্যুতি মানেই সাংবিধানিক অধিকারের পরিসমাপ্তি নয়।কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির থেকে পাওয়া চিঠির সূত্র ধরে সুপ্রিম কোর্ট আশ্বস্ত করেছে যে, অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বকেয়া মামলাগুলোর সমাধান করা হচ্ছে। প্রতিদিন প্রায় ২ লক্ষ কেসের নিষ্পত্তি ঘটিয়ে আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে সমস্ত ভোটারের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যাবে বলে আদালত মনে করছে। নির্বাচন কমিশনের নবগঠিত ‘অ্যাপেলেট ট্রাইবুনাল’ আগামীকাল থেকেই কাজ শুরু করতে চলেছে। এই ট্রাইবুনালের দায়িত্বে থাকা প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিদের নিরপেক্ষতা নিয়ে আদালত কোনো সন্দেহ প্রকাশ না করলেও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী নির্দেশ দিয়েছেন যে, সফটওয়্যারে প্রতিটি আবেদনকারীর ক্ষেত্রে নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়া বা বাদ যাওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করতে হবে।আদালতের মতে, এটি কেবল একটি আইনি প্রক্রিয়া নয়, বরং নথির সত্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করার একটি স্বচ্ছ পদ্ধতি। ট্রাইবুনালের সদস্যরা তাঁদের বিশাল অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন এবং যেখানেই নথির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে, সেখানেই তা গভীরভাবে যাচাই করা হবে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে যে সমস্ত রেকর্ড ট্রাইবুনালের সামনে রাখা হবে। সব মিলিয়ে, ভোটার তালিকায় নাম বাদ পড়া নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, সুপ্রিম কোর্টের এই পর্যবেক্ষণে তাতে কিছুটা হলেও স্বস্তির ছোঁয়া মিলেছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার