দিঘা: প্যাক-আপের আনন্দ নিমেষেই বদলে গেল বিষাদে। ওড়িশার তালসারি বিচে শুটিংয়ের শেষে সমুদ্রের নোনা জলে তলিয়ে গেলেন টলিউডের পরিচিত মুখ রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এই মৃত্যুর পিছনে কি শুধুই দুর্ঘটনা, নাকি লুকিয়ে আছে অন্য কোনো কারণ? ধারাবাহিকের ম্যানেজারের একটি বিস্ফোরক দাবি ঘিরে এখন তোলপাড় স্টুডিও পাড়া। ম্যানেজারের সাফ কথা— "রাহুলকে জলে নামতে বারবার বারণ করা হয়েছিল!" সেই নিষেধ উপেক্ষা করেই কি অভিনেতা সমুদ্রে নেমেছিলেন? এই প্রশ্নই এখন দিঘার সমুদ্রতীরে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।
রবিবার শুটিং শেষ হওয়ার পর যখন হালকা মেজাজে ছিলেন কলাকুশলীরা, তখনই ঘটে যায় এই মর্মান্তিক বিপর্যয়। ম্যানেজারের বয়ান অনুযায়ী, নিষেধ না শুনেই অভিনেতা ঢেউয়ের টানে গভীরে চলে যান। যদিও সেফটি বোটের সাহায্যে তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কিন্তু চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অথচ মৃত্যুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগের ভিডিওতে দেখা গিয়েছে সহ-অভিনেতাদের সঙ্গে খোশমেজাজে গল্প করছেন রাহুল। সেই প্রাণবন্ত হাসি যে এভাবে চিরতরে স্তব্ধ হয়ে যাবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই তরুণ অভিনেতার মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, রাহুল তাঁর ব্যক্তিগতভাবে অত্যন্ত পছন্দের মানুষ ও অভিনেতা ছিলেন। বর্তমানে অভিনেতার দেহ দিঘা হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। টলিউড আজ এক প্রতিভাবান শিল্পীকে হারাল, যার শূন্যস্থান পূরণ হওয়া সহজ নয়।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন