Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ভোটের মুখে বকেয়া ডিএ মেটাতে যুদ্ধকালীন তৎপরতা নবান্নে, শনি-রবিবারও খোলা সরকারি অফিস!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ মার্চ ২০২৬
ভোটের মুখে বকেয়া ডিএ মেটাতে যুদ্ধকালীন তৎপরতা নবান্নে, শনি-রবিবারও খোলা সরকারি অফিস!

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। আর, তার ঠিক মাঝেই রাজ্যের সরকারি কর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবি মেটাতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) বা মহার্ঘ্য ভাতা মেটানোর প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে এবার শনি ও রবিবারও সরকারি অফিস খোলা রাখার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। নবান্নের এই তৎপরতাকে রাজনৈতিক মহলের অনেকেই 'নির্বাচনী মাস্টারস্ট্রোক' হিসাবে দেখছেন।


রাজ্য অর্থ দফতরের অ্যাকাউন্টস ব্রাঞ্চ এবং স্বরাষ্ট্র দফতর (হোম অ্যান্ড হিল অ্যাফেয়ার্স) থেকে জারি করা বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত কাজ দ্রুত শেষ করতে আগামী ২৮ ও ২৯ মার্চ (শনিবার ও রবিবার) সংশ্লিষ্ট সমস্ত অফিস খোলা থাকবে। ওই দুই দিনে সমস্ত আধিকারিক ও কর্মীদের আবশ্যিকভাবে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাধারণত ছুটির দিনে এই ধরনের তৎপরতা কেবল জরুরি পরিস্থিতির ক্ষেত্রেই দেখা যায়।


সূত্রের খবর, সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক রায়ের পর রাজ্য সরকারের ওপর ডিএ মেটানোর আইনি চাপ তৈরি হয়েছিল। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের ঠিক মুখে লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মী ও পেনশনারদের ক্ষোভ প্রশমন করাটাই নবান্নের মূল লক্ষ্য। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে যখন প্রচার তুঙ্গে, ঠিক সেই সময়ে ডিএ-র টাকা কর্মীদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে দিয়ে শাসকদল নিজেদের অনুকূলে হাওয়া টানতে চাইছে বলে মনে করা হচ্ছে।


কেবল অর্থ দফতরই নয়, স্বরাষ্ট্র দফতরও ডিএ বকেয়া সংক্রান্ত ফাইল দ্রুত ছাড়পত্র দেওয়ার জন্য বিশেষ নির্দেশিকা জারি করেছে। এর আগে ১৫ মার্চ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডিএ মেটানোর ঘোষণা করেছিলেন। এবার সেই ঘোষণাকে বাস্তব রূপ দিতে ছুটির দিনের ছুটি বাতিল করে কাজ সারতে চাইছে প্রশাসন।


এখন দেখার, ভোটের মুখে এই ‘ডিএ কার্ড’ ইভিএমে কতটা প্রভাব ফেলে। কারণ, বিরোধী শিবির ইতিমধ্যেই একে ‘নির্বাচনী চমক’ বলে কটাক্ষ করতে শুরু করেছে।

বিষয় : NABANNA DA Movement West Bengal

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


ভোটের মুখে বকেয়া ডিএ মেটাতে যুদ্ধকালীন তৎপরতা নবান্নে, শনি-রবিবারও খোলা সরকারি অফিস!

প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬

featured Image
কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। আর, তার ঠিক মাঝেই রাজ্যের সরকারি কর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবি মেটাতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) বা মহার্ঘ্য ভাতা মেটানোর প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে এবার শনি ও রবিবারও সরকারি অফিস খোলা রাখার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। নবান্নের এই তৎপরতাকে রাজনৈতিক মহলের অনেকেই 'নির্বাচনী মাস্টারস্ট্রোক' হিসাবে দেখছেন।রাজ্য অর্থ দফতরের অ্যাকাউন্টস ব্রাঞ্চ এবং স্বরাষ্ট্র দফতর (হোম অ্যান্ড হিল অ্যাফেয়ার্স) থেকে জারি করা বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত কাজ দ্রুত শেষ করতে আগামী ২৮ ও ২৯ মার্চ (শনিবার ও রবিবার) সংশ্লিষ্ট সমস্ত অফিস খোলা থাকবে। ওই দুই দিনে সমস্ত আধিকারিক ও কর্মীদের আবশ্যিকভাবে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাধারণত ছুটির দিনে এই ধরনের তৎপরতা কেবল জরুরি পরিস্থিতির ক্ষেত্রেই দেখা যায়।সূত্রের খবর, সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক রায়ের পর রাজ্য সরকারের ওপর ডিএ মেটানোর আইনি চাপ তৈরি হয়েছিল। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের ঠিক মুখে লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মী ও পেনশনারদের ক্ষোভ প্রশমন করাটাই নবান্নের মূল লক্ষ্য। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে যখন প্রচার তুঙ্গে, ঠিক সেই সময়ে ডিএ-র টাকা কর্মীদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে দিয়ে শাসকদল নিজেদের অনুকূলে হাওয়া টানতে চাইছে বলে মনে করা হচ্ছে।কেবল অর্থ দফতরই নয়, স্বরাষ্ট্র দফতরও ডিএ বকেয়া সংক্রান্ত ফাইল দ্রুত ছাড়পত্র দেওয়ার জন্য বিশেষ নির্দেশিকা জারি করেছে। এর আগে ১৫ মার্চ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডিএ মেটানোর ঘোষণা করেছিলেন। এবার সেই ঘোষণাকে বাস্তব রূপ দিতে ছুটির দিনের ছুটি বাতিল করে কাজ সারতে চাইছে প্রশাসন।এখন দেখার, ভোটের মুখে এই ‘ডিএ কার্ড’ ইভিএমে কতটা প্রভাব ফেলে। কারণ, বিরোধী শিবির ইতিমধ্যেই একে ‘নির্বাচনী চমক’ বলে কটাক্ষ করতে শুরু করেছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার