Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

মেকানিক থেকে টোটোচালক, নেপথ্যে পাক চর! মীরার ডাবল লাইফ ও দেশদ্রোহিতার বিস্ফোরক কাহিনী

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৫ মার্চ ২০২৬
মেকানিক থেকে টোটোচালক, নেপথ্যে পাক চর! মীরার ডাবল লাইফ ও দেশদ্রোহিতার বিস্ফোরক কাহিনী
ছবি: সংগৃহীত

মথুরা: দিনের আলোয় তিনি সাধারণ এক টোটোচালক। অলিগলি দিয়ে যাত্রী পৌঁছে দেওয়াই ছিল তাঁর কাজ। কিন্তু সুযোগ পেলেই সেই টোটোচালকের হাত চলে যেত মোবাইলের কি-প্যাডে। লক্ষ্য থাকত স্টেশনের ভিড়, ধর্মীয়স্থান কিংবা সেনার গতিবিধি। একসময়ের মেকানিক মীরা ঠাকুর কীভাবে হয়ে উঠলেন সীমান্তের ওপারের ‘হ্যান্ডলার’-দের বিশ্বস্ত চর, সেই রহস্য উদঘাটন করতেই এখন ঘুম ছুটেছে তদন্তকারীদের।


তদন্তে উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। সমাজমাধ্যমের মায়াজালে জড়িয়েই মীরার এই অন্ধকার পথে পা রাখা। পরিবারের দাবি, রাতারাতি বড়লোক হওয়ার নেশা আর অল্প পরিশ্রমে বেশি টাকা উপার্জনের লোভই কাল হলো তাঁর। তথ্য পাচারের বিনিময়ে মিলত ৫,০০০ থেকে ২০,০০০ টাকা। সস্তার লোভে মীরা বিক্রি করে দিচ্ছিলেন দেশের নিরাপত্তা।


পুলিশ সূত্রে খবর, মীরার মোবাইল থেকে উদ্ধার হয়েছে একাধিক সংবেদনশীল এলাকার ছবি ও ভিডিও। এমনকি মথুরার মতো ঘিঞ্জি এলাকায় তথ্য সংগ্রহের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছিল অত্যাধুনিক সৌরচালিত সিসিটিভি ক্যামেরা। শুধু উত্তরপ্রদেশ নয়, এই জাল ছড়িয়ে ছিল জম্মু-কাশ্মীরের মতো সংবেদনশীল এলাকাতেও। পুলিশের অনুমান, মীরা একা নন, এর নেপথ্যে কাজ করছে এক বিশাল আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক।


মীরার অপরাধের খতিয়ান অবশ্য নতুন নয়। এর আগেও পাচার সংক্রান্ত মামলায় শ্রীঘরে যেতে হয়েছিল তাঁকে। জামিনে ছাড়া পেয়েই ‘ভোল’ বদলে টোটো চালানো শুরু করেন তিনি। স্থানীয়দের দাবি, গত কয়েক মাস ধরেই মীরার গতিবিধি ছিল সন্দেহজনক। শেষমেশ চরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার হতেই মথুরা জুড়ে ছড়িয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য।


দেশের মাটি কামড়ে থাকা এই ‘স্লিপার সেল’-এর শেকড় কতদূর? আর কতজন মীরা লুকিয়ে আছে আমাদের চারপাশে? উত্তর খুঁজছে পুলিশ।

বিষয় : UPPOLICE SPYNETWORK PAKISTANSPY CYBERPOLICE FEATURESTORY INTELLIGENCEBUREAU MATHURA

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


মেকানিক থেকে টোটোচালক, নেপথ্যে পাক চর! মীরার ডাবল লাইফ ও দেশদ্রোহিতার বিস্ফোরক কাহিনী

প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬

featured Image
মথুরা: দিনের আলোয় তিনি সাধারণ এক টোটোচালক। অলিগলি দিয়ে যাত্রী পৌঁছে দেওয়াই ছিল তাঁর কাজ। কিন্তু সুযোগ পেলেই সেই টোটোচালকের হাত চলে যেত মোবাইলের কি-প্যাডে। লক্ষ্য থাকত স্টেশনের ভিড়, ধর্মীয়স্থান কিংবা সেনার গতিবিধি। একসময়ের মেকানিক মীরা ঠাকুর কীভাবে হয়ে উঠলেন সীমান্তের ওপারের ‘হ্যান্ডলার’-দের বিশ্বস্ত চর, সেই রহস্য উদঘাটন করতেই এখন ঘুম ছুটেছে তদন্তকারীদের।তদন্তে উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। সমাজমাধ্যমের মায়াজালে জড়িয়েই মীরার এই অন্ধকার পথে পা রাখা। পরিবারের দাবি, রাতারাতি বড়লোক হওয়ার নেশা আর অল্প পরিশ্রমে বেশি টাকা উপার্জনের লোভই কাল হলো তাঁর। তথ্য পাচারের বিনিময়ে মিলত ৫,০০০ থেকে ২০,০০০ টাকা। সস্তার লোভে মীরা বিক্রি করে দিচ্ছিলেন দেশের নিরাপত্তা।পুলিশ সূত্রে খবর, মীরার মোবাইল থেকে উদ্ধার হয়েছে একাধিক সংবেদনশীল এলাকার ছবি ও ভিডিও। এমনকি মথুরার মতো ঘিঞ্জি এলাকায় তথ্য সংগ্রহের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছিল অত্যাধুনিক সৌরচালিত সিসিটিভি ক্যামেরা। শুধু উত্তরপ্রদেশ নয়, এই জাল ছড়িয়ে ছিল জম্মু-কাশ্মীরের মতো সংবেদনশীল এলাকাতেও। পুলিশের অনুমান, মীরা একা নন, এর নেপথ্যে কাজ করছে এক বিশাল আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক।মীরার অপরাধের খতিয়ান অবশ্য নতুন নয়। এর আগেও পাচার সংক্রান্ত মামলায় শ্রীঘরে যেতে হয়েছিল তাঁকে। জামিনে ছাড়া পেয়েই ‘ভোল’ বদলে টোটো চালানো শুরু করেন তিনি। স্থানীয়দের দাবি, গত কয়েক মাস ধরেই মীরার গতিবিধি ছিল সন্দেহজনক। শেষমেশ চরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার হতেই মথুরা জুড়ে ছড়িয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য।দেশের মাটি কামড়ে থাকা এই ‘স্লিপার সেল’-এর শেকড় কতদূর? আর কতজন মীরা লুকিয়ে আছে আমাদের চারপাশে? উত্তর খুঁজছে পুলিশ।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার