দিল্লি: মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ঘিরে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে বারবার প্রশ্ন উঠছে—ভারত আসলে কার পক্ষে? আমেরিকা, না ইরান? এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করে বিরোধীদের আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। তবে এবার সেই প্রশ্নের কৌশলী জবাব দিলেন তিনি।
সোমবার টিভি ৯ বাংলার এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় জানান, “অনেকে জানতে চান, আমরা কার পক্ষে। আমার উত্তর—আমরা ভারতের পক্ষে। ভারত ভারতের পক্ষে। আমরা শান্তির পক্ষে, আমরা আলোচনার পক্ষে।”
মোদি বলেন, বর্তমান বিশ্ব একাধিক শক্তিশালী শিবিরে বিভক্ত। এমন পরিস্থিতিতে ভারত এক অনন্য ভূমিকা পালন করছে। “বিশ্ব যখন বিভক্ত, তখন ভারত সেতুবন্ধনের কাজ করছে। আমরা সকল দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে এগিয়ে চলেছি,”—বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট, ভারত কোনো নির্দিষ্ট পক্ষ বেছে নিচ্ছে না। বরং নিজের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে একাধিক দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার নীতিতেই এগোচ্ছে দিল্লি। আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এই নীতিকে অনেকেই ‘মাল্টি-অ্যালাইনমেন্ট’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন।
এদিনের বক্তব্যে শুধু বিদেশনীতি নয়, দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও আক্রমণ শানান মোদি। কংগ্রেসকে নিশানা করে তিনি বলেন, “কংগ্রেস সবসময় ব্যক্তিগত স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। তাদের আমলে পেট্রল সংকট ছিল, অয়েল বন্ড জারি করা হয়েছিল। বিদ্যুৎ বাঁচাতে তারা ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।” তিনি দাবি করেন, বর্তমান সরকারকে এখনও সেই সিদ্ধান্তগুলির প্রভাব বহন করতে হচ্ছে।
মোদি আরও বলেন, যুদ্ধের প্রভাব বিশ্বজুড়েই পড়ছে, তবে সেই পরিস্থিতিতেও ভারত উন্নয়নের গতি থামায়নি। “গত ২৩ দিনে সরকার একাধিক বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত এগিয়ে চলেছে,”—জানান প্রধানমন্ত্রী।
বিষয় : India Narendra Modi

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন