নয়াদিল্লি: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই দেশের জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় অভয়বাণী দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোমবার সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি স্পষ্ট জানান, আন্তর্জাতিক স্তরে যুদ্ধ পরিস্থিতি চললেও ভারতে পেট্রোল, ডিজেল বা রান্নার গ্যাসের (LPG) সঙ্কট দেখা দেওয়ার কোনো কারণ নেই। একই সঙ্গে এই জাতীয় সংকটের মোকাবিলায় দলমত নির্বিশেষে বিরোধীদের একজোট হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় স্বীকার করে নেন যে, পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি উদ্বেগজনক এবং ভারতের জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালীর গুরুত্ব অপরিসীম। তবে তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, গত ১১ বছরে ভারত তেল আমদানির উৎস বাড়িয়েছে। আগে ২৭টি দেশ থেকে জ্বালানি আসত, এখন ৪১টি দেশ থেকে তা আমদানি করা হচ্ছে। আপৎকালীন পরিস্থিতির জন্য ভারতে বর্তমানে ৫৩ লক্ষ মেট্রিক টন জ্বালানি মজুত রাখার ভাণ্ডার রয়েছে। ভারত তার চাহিদার ৬০ শতাংশ গ্যাস আমদানি করলেও, বর্তমানে দেশে এলপিজি উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
যুদ্ধের আবহে পণ্যবাহী জাহাজে হামলা বা জলপথ অবরুদ্ধ করার ঘটনাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে সরব হন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “সঙ্কটের মুখে সংসদ একজোট হোক, এটাই কাম্য।” দীর্ঘমেয়াদী এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তিনি বিরোধীদের গঠনমূলক সহযোগিতা চেয়েছেন যাতে দেশের কোনো পরিবারকে জ্বালানি বা সারের অভাবে ভুগতে না হয়।
ভারতমুখী তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজগুলোর ওপর সরকার কড়া নজর রাখছে বলে জানান মোদী। আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করে জোগান অব্যাহত রাখাই এখন কেন্দ্রের মূল লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান যে, দেশের সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে এই যুদ্ধের প্রভাব পড়তে দেবে না তাঁর সরকার।
বিষয় : Narendra Modi

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন