কলকাতা: রান্নার গ্যাসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে এমনিতেই আমজনতার পকেটে টান পড়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘা’য়ের মতো দেখা দিয়েছে গ্যাসের কৃত্রিম সঙ্কট ও কালোবাজারির অভিযোগ। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কড়া অবস্থান নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর নির্দেশের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শুক্রবার সকাল থেকে কলকাতা ও জেলাগুলিতে অ্যাকশনে নামল পুলিশের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ (EB)।
গ্যাসের কালোবাজারি রুখতে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ১০ দফা নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। নবান্নে খোলা হয়েছে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম। জেলাশাসকদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ডোমেস্টিক বা গার্হস্থ্য গ্যাস পরিষেবা যাতে কোনওভাবেই বিঘ্নিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।
এদিন সকাল থেকেই কলকাতা পুলিশের ইবি আধিকারিকরা শহরের বিভিন্ন গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর ও ডিলার্স পয়েন্টে হানা দেন। তাঁদের মূল লক্ষ্য ছিল, কোনও ডিলার অবৈধভাবে বাণিজ্যিক বা গার্হস্থ্য সিলিন্ডার মজুত করছেন কিনা তা খতিয়ে দেখা। সেইসঙ্গে, সিলিন্ডার প্রতি অতিরিক্ত দাম নেওয়া হচ্ছে কিনা, সে বিষয়েও কর্মীদের সতর্ক করা। এর পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের বুকিং অনুযায়ী সঠিক সময়ে ডেলিভারি দেওয়া হচ্ছে কিনা, তা রেজিস্টার অনুসারে মিলিয়েও দেখেন আধিকারিকরা।
কলকাতার পাশাপাশি জেলাগুলিতেও এদিন কড়া নজরদারি দেখা গিয়েছে। হুগলির চুঁচুড়া, ব্যান্ডেল ও ডানলপ এলাকায় মহকুমাশাসক অয়ন নাথের নেতৃত্বে গ্যাসের গোডাউনগুলিতে ঝটিকা অভিযান চলে। মহকুমাশাসক জানান, বর্তমানে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং বুকিংয়ের এক সপ্তাহের মধ্যেই ডেলিভারি হচ্ছে। তবে, কালোবাজারির সামান্যতম অভিযোগ পেলেই কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন