বকেয়া মহার্ঘ ভাতার দাবিতে আজ রাজ্যজুড়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ-সহ একাধিক কর্মচারী সংগঠনের ডাকা এই ধর্মঘটের জেরে সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি অফিস, স্কুল ও কলেজের সামনে জোরদার পিকেটিং শুরু হয়েছে। আন্দোলনকারীদের সাফ কথা, সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ মেটানোর বিষয়ে কোনও সদর্থক পদক্ষেপ করেনি। তারই প্রতিবাদে আজ ১৩ মার্চ পূর্ণ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে আদালত থেকে শুরু করে প্রশাসনিক দফতরগুলোতেও।
আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন যে, সকাল থেকেই এই ধর্মঘটে ইতিবাচক সাড়া মিলছে এবং সারা দিন ধরেই তাঁদের এই অবস্থান চলবে। মূলত বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়া, শূন্যপদে স্বচ্ছ নিয়োগ এবং পেনশনভোগীদের মহার্ঘ ভাতার দাবিতেই এই লড়াই। এই ধর্মঘটকে নৈতিক সমর্থন জানিয়েছে বামফ্রন্ট, বিজেপি এবং একাধিক কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নও। এমনকি কলকাতা হাইকোর্টের কর্মী সংগঠনগুলোকেও এই আন্দোলনের পাশে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে।
অন্যদিকে, ধর্মঘট রুখতে নবান্নও নিজের অবস্থানে অনড়। রাজ্য সরকারের অর্থ দফতর থেকে জারি করা কড়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, আজ কোনও সরকারি দফতরেই পূর্ণ বা অর্ধদিবস ছুটি মঞ্জুর করা হবে না। বিনা কারণে অনুপস্থিত থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মীর বেতন কাটার পাশাপাশি তাঁকে শোকজ করা হবে। জবাব সন্তোষজনক না হলে দিনটিকে ‘নন ডাইস’ হিসেবে গণ্য করা হতে পারে, যার ফলে কর্মজীবনে একদিনের ছেদ বা সার্ভিস ব্রেক পড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চাইল্ড কেয়ার লিভ বা মাতৃত্বকালীন ছুটির মতো বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে ছাড় রাখা হয়েছে। প্রশাসনের এই কড়া হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করেই সরকারি কর্মীদের একাংশ আজ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন, যার ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন