রাজ্য রাজনীতিতে সাম্প্রতিক একাধিক জ্বলন্ত ইস্যুতে শাসকদলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সাগরদ্বীপে বিজেপি নেতা ত্রিলোকেশ ঢালির ওপর হামলার ঘটনায় সরব হয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন যে, এ রাজ্যে কি নির্বাচনের আগে রক্তের হোলি খেলা কোনোদিন বন্ধ হয়েছে? শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এবার সুন্দরবনের একাধিক আসনে তৃণমূল কংগ্রেস হারতে চলেছে এবং সেই হারের ভয়েই তারা আগে থেকে মজুত করে রাখা গুলি-বারুদ বের করে সন্ত্রাস শুরু করেছে। তৃণমূল কংগ্রেস এখন পুরোপুরি আতঙ্কিত বলে দাবি করেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রীর ঘোড়া কেনাবেচা সংক্রান্ত মন্তব্যের প্রেক্ষিতে শুভেন্দুবাবু পাল্টা তোপ দেগে বলেন, নির্বাচনের আগে যুবকদের চাকরি দেওয়ার বদলে অ্যাকাউন্টে মাত্র ১৫০০ টাকা পাঠিয়ে এবং ৫০০ টাকা বাড়িয়ে মহিলাদের আসল অভাব ভুলিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে। তবে মানুষ এখন বিকল্প হিসেবে ভারতীয় জনতা পার্টিকে বেছে নিয়েছে এবং বিগত তিনটি নির্বাচনেই তা প্রমাণিত হয়েছে। তিনি স্পষ্ট জানান, এবার তৃণমূল সরকারকে বিদায় নিতেই হবে কারণ মানুষ তাদের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। এখন শুধু নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব সাধারণ মানুষকে নির্বিঘ্নে ইভিএম পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া।
অন্যদিকে, বুদবুদ থানার প্রাক্তন ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতে ইডির পুনঃতদন্ত নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এত কিছুর পরেও কেন মনোরঞ্জনকে এখনও গ্রেফতার করা হচ্ছে না? শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, উপরতলার বড় পুলিশ কর্তারা মনোরঞ্জনের থেকে অন্তত ১০০ কোটি টাকা নিয়েছেন। তাঁর দাবি, মনোরঞ্জনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই জানা যাবে তিনি নিজে ২৫ টাকা রেখে বাকি ৭৫ টাকা কালীঘাটের ঠিক কার কাছে পাঠাতেন। দুর্নীতির এই শিকড় যে অনেক গভীরে, তা আরও একবার মনে করিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন