কলকাতা: ধর্মতলায় ধর্না প্রত্যাহারের পর পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল সি. ভি. আনন্দ বোস-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার আলিপুরের সরকারি অতিথি ভবনে তাঁদের এই সাক্ষাৎ হয়। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতা দাবি করেন, ভোটের আগে আনন্দ বোসকে সরিয়ে দেওয়া “অন্যায় ও অবিচার”।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ওঁর প্রতি যা হয়েছে তা অবিচার। ভোটের আগে ওঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটা পুরোপুরি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”
মমতা জানান, দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করার সুবাদে আনন্দ বোসের সঙ্গে তাঁর ভালো সম্পর্ক ছিল। তিনি বলেন, “উনি কাল চলে যাচ্ছেন। অনেকদিন কাজ করেছি। ওঁর পরিবারকেও আমি চিনি। বাংলার শিষ্টাচার অনুযায়ী আমি তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছি।”
মমতা আরও জানান, তিনি আনন্দ বোসকে আবার বাংলায় আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “আমি ওঁকে বলেছি, আপনি বাংলায় এতদিন ছিলেন, বাংলাকে ভালো বোঝেন। আবার বাংলায় আসবেন।”
গত ৫ মার্চ আচমকা পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের পদ থেকে ইস্তফা দেন সি. ভি. আনন্দ বোস। সেই সময় থেকেই তাঁর পদত্যাগের কারণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়।
পরে সামাজিক মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এই ঘটনায় তিনি বিস্মিত হয়েছেন এবং এর পেছনে চাপ থাকতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন।
তবে আনন্দ বোস নিজে জানিয়েছেন, পদত্যাগের সিদ্ধান্ত স্বেচ্ছায় নেওয়া। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছিলেন, বাংলায় তাঁর অধ্যায় শেষ হতে চলেছে এবং এখন তিনি নিজের রাজ্য কেরল-এ দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করতে চান।
কলকাতায় ফিরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি সংক্ষেপে বলেন, “ইস্তফার কারণ সঠিক সময় বলব।”
ফলে তাঁর পদত্যাগ ঘিরে রহস্য এখনও পুরোপুরি কাটেনি বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন