Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

শিলিগুড়িতে অনুষ্ঠান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষুব্ধ রাষ্ট্রপতি, প্রোটোকল লঙ্ঘনের অভিযোগে রিপোর্ট তলব কেন্দ্রের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ মার্চ ২০২৬
শিলিগুড়িতে অনুষ্ঠান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষুব্ধ রাষ্ট্রপতি, প্রোটোকল লঙ্ঘনের অভিযোগে রিপোর্ট তলব কেন্দ্রের

কলকাতা: উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে অনুষ্ঠানের স্থান পরিবর্তন এবং প্রোটোকল ভঙ্গের অভিযোগ ঘিরে তীব্র বিতর্কে জড়াল কেন্দ্র ও রাজ্য। শিলিগুড়িতে রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানের স্থান বদল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ঘটনার জেরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রাজ্যের মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে। বিকেল ৫টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।


শনিবার শিলিগুড়ির বাগডোগরা বিমানবন্দরের কাছে গোঁসাইপুরে আয়োজিত হয়েছিল নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলন। ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তবে অনুষ্ঠানের স্থান শেষ মুহূর্তে বদল হওয়া নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক।

ভারতীয় সাঁওতাল সমাজের দাবি, মূলত ফাঁসিদেওয়া ব্লকের বিধাননগর সন্তোষিণী বিদ্যাচক্র উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠেই সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল। অভিযোগ, পুলিশ-প্রশাসন অনুমতি না দেওয়ায় শেষ মুহূর্তে অনুষ্ঠান সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় বাগডোগরায়। দুই স্থানের দূরত্ব প্রায় ৩২ কিলোমিটার হওয়ায় অনেক অংশগ্রহণকারী বিধাননগরে পৌঁছে অনুষ্ঠান মিস করেন।

এই খবর পেয়ে বাগডোগরার অনুষ্ঠান সেরে রাষ্ট্রপতি নিজেই বিধাননগরের মাঠে যান। সেখানে গিয়ে তিনি প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, “এখানে সম্মেলন হলে ভালো হত। এত বড় মাঠ, এখানে পাঁচ লক্ষ মানুষ জড়ো হতে পারে। জানি না প্রশাসনের কী হয়েছে। কেন আমাকে ছোট জায়গায় নিয়ে যাওয়া হল বুঝতে পারছি না।”


একই সঙ্গে অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, “সাধারণত রাষ্ট্রপতি এলে মুখ্যমন্ত্রীরও আসা উচিত। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী ম্যাডাম এলেন না। মমতাজি আমার ছোট বোনের মতো। জানি না, হয়তো কোনও কারণে রাগ করেছেন।”

রাষ্ট্রপতির এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, “মাননীয় রাষ্ট্রপতিকে আমরা সম্মান করি। কিন্তু তাঁকে দিয়েও রাজনীতি করানো হচ্ছে। ক্ষমা করবেন ম্যাডাম, আপনি বিজেপির পলিসির ফাঁদে পড়ে গেছেন। বছরে একবার এলে অবশ্যই রিসিভ করব। কিন্তু বছরে যদি ৫০ বার আসেন, তাহলে তো আমার সময়ও থাকতে হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেন্দ্র-রাজ্যের সম্পর্কেও নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্রপতির সফরে প্রোটোকল লঙ্ঘনের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব রাজ্যের মুখ্যসচিবের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছেন।


বিষয় : India President of India

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


শিলিগুড়িতে অনুষ্ঠান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষুব্ধ রাষ্ট্রপতি, প্রোটোকল লঙ্ঘনের অভিযোগে রিপোর্ট তলব কেন্দ্রের

প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬

featured Image
কলকাতা: উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে অনুষ্ঠানের স্থান পরিবর্তন এবং প্রোটোকল ভঙ্গের অভিযোগ ঘিরে তীব্র বিতর্কে জড়াল কেন্দ্র ও রাজ্য। শিলিগুড়িতে রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানের স্থান বদল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ঘটনার জেরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রাজ্যের মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে। বিকেল ৫টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।শনিবার শিলিগুড়ির বাগডোগরা বিমানবন্দরের কাছে গোঁসাইপুরে আয়োজিত হয়েছিল নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলন। ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তবে অনুষ্ঠানের স্থান শেষ মুহূর্তে বদল হওয়া নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক।ভারতীয় সাঁওতাল সমাজের দাবি, মূলত ফাঁসিদেওয়া ব্লকের বিধাননগর সন্তোষিণী বিদ্যাচক্র উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠেই সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল। অভিযোগ, পুলিশ-প্রশাসন অনুমতি না দেওয়ায় শেষ মুহূর্তে অনুষ্ঠান সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় বাগডোগরায়। দুই স্থানের দূরত্ব প্রায় ৩২ কিলোমিটার হওয়ায় অনেক অংশগ্রহণকারী বিধাননগরে পৌঁছে অনুষ্ঠান মিস করেন।এই খবর পেয়ে বাগডোগরার অনুষ্ঠান সেরে রাষ্ট্রপতি নিজেই বিধাননগরের মাঠে যান। সেখানে গিয়ে তিনি প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, “এখানে সম্মেলন হলে ভালো হত। এত বড় মাঠ, এখানে পাঁচ লক্ষ মানুষ জড়ো হতে পারে। জানি না প্রশাসনের কী হয়েছে। কেন আমাকে ছোট জায়গায় নিয়ে যাওয়া হল বুঝতে পারছি না।”একই সঙ্গে অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, “সাধারণত রাষ্ট্রপতি এলে মুখ্যমন্ত্রীরও আসা উচিত। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী ম্যাডাম এলেন না। মমতাজি আমার ছোট বোনের মতো। জানি না, হয়তো কোনও কারণে রাগ করেছেন।”রাষ্ট্রপতির এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, “মাননীয় রাষ্ট্রপতিকে আমরা সম্মান করি। কিন্তু তাঁকে দিয়েও রাজনীতি করানো হচ্ছে। ক্ষমা করবেন ম্যাডাম, আপনি বিজেপির পলিসির ফাঁদে পড়ে গেছেন। বছরে একবার এলে অবশ্যই রিসিভ করব। কিন্তু বছরে যদি ৫০ বার আসেন, তাহলে তো আমার সময়ও থাকতে হবে।”ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেন্দ্র-রাজ্যের সম্পর্কেও নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্রপতির সফরে প্রোটোকল লঙ্ঘনের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব রাজ্যের মুখ্যসচিবের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছেন।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার