Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

‘বিজেপির ফাঁদে পা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি, রাজনীতি বেচতে পাঠানো হয়েছে তাঁকে!’ ধরনামঞ্চ থেকে পাল্টা তোপ মমতার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ মার্চ ২০২৬
‘বিজেপির ফাঁদে পা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি, রাজনীতি বেচতে পাঠানো হয়েছে তাঁকে!’ ধরনামঞ্চ থেকে পাল্টা তোপ মমতার

কলকাতা: শিলিগুড়িতে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর ‘অভিমান’ বা ‘অনুযোগের’ কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ধর্মতলার ধরনামঞ্চ থেকে নজিরবিহীন আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরাসরি রাষ্ট্রপতির নাম করে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে রাজনীতি করানোর চেষ্টা করছে বিজেপি এবং তিনি সেই ফাঁদেই পা দিয়েছেন। মমতার সাফ কথা, “ম্যাডাম, আপনার প্রতি সম্মান আছে। কিন্তু, আপনি বিজেপির ট্র্যাপে পড়ে গিয়েছেন।”


এদিন শিলিগুড়িতে রাষ্ট্রপতি অভিযোগ করেছিলেন, প্রোটোকল ভেঙে তাঁকে স্বাগত জানাতে মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রিসভার কেউ উপস্থিত ছিলেন না। এমনকী, পছন্দের মাঠে সভা করতেও দেওয়া হয়নি। এর উত্তরে মমতা বলেন, “এটা রাজ্য সরকারের কর্মসূচি ছিল না। কোন সংগঠন এটা করেছে আমি জানি না। আপনি কবে আসবেন সেই তথ্য আমরা পাই। কিন্তু, বছরে যদি ৫০ বার কেউ আসেন, তবে কি সবসময় আমাদের যেতে হবে? আমাদের কি আর কোনও কাজকর্ম নেই? সারাক্ষণ আপনাদের লেজুড় হয়ে ঘুরতে হবে?”


কেন্দ্রীয় বঞ্চনা এবং এসআইআর-এর প্রতিবাদে ধরনায় বসা মুখ্যমন্ত্রী তাঁর অগ্রাধিকার স্পষ্ট করে দিয়েছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “আমি মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ধরনায় আছি। ট্রাইবালদের জন্য আমরা কী উন্নয়ন করেছি আপনি জানেন না? আমি ধরনা করব না কি আপনাকে রিসিভ করতে যাব? আপনার কাছে প্রায়োরিটি বিজেপি হতে পারে, আমাদের কাছে প্রায়োরিটি সাধারণ মানুষ।”


এদিন রাষ্ট্রপতি এ রাজ্যে আদিবাসীদের সুযোগ-সুবিধা প্রদান নিয়ে সংশয় প্রকাশ করায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন মমতা। তিনি পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, “মণিপুরে যখন আদিবাসীদের ওপর অত্যাচার হচ্ছিল, তখন আপনি চুপ ছিলেন কেন? দেশের অন্য রাজ্যে আদিবাসীদের ওপর আক্রমণে প্রতিবাদ করেন না কেন? শুধু বাংলাকে কেন নিশানা করছেন?”


এর আগে বিধাননগরে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রপতি মুর্মু বলেছিলেন, “মমতাদি আমার ছোট বোনের মতো। জানি না আমার ওপর ওঁর কী রাগ! প্রশাসন ছোট জায়গায় সভার অনুমতি দিলেও এখানে ৫ লক্ষ মানুষ অনায়াসে ধরত।” রাষ্ট্রপতির এই ‘আবেগী’ আক্রমণের জবাবে রাজনৈতিক লড়াইয়ের সুর বেঁধে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বিজেপির কথায় রাজনীতি করলে তিনি ছেড়ে কথা বলবেন না।


সব মিলিয়ে, সাংবিধানিক প্রধান বনাম রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের এই সংঘাত বাংলার রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করল।

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


‘বিজেপির ফাঁদে পা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি, রাজনীতি বেচতে পাঠানো হয়েছে তাঁকে!’ ধরনামঞ্চ থেকে পাল্টা তোপ মমতার

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬

featured Image
কলকাতা: শিলিগুড়িতে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর ‘অভিমান’ বা ‘অনুযোগের’ কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ধর্মতলার ধরনামঞ্চ থেকে নজিরবিহীন আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরাসরি রাষ্ট্রপতির নাম করে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে রাজনীতি করানোর চেষ্টা করছে বিজেপি এবং তিনি সেই ফাঁদেই পা দিয়েছেন। মমতার সাফ কথা, “ম্যাডাম, আপনার প্রতি সম্মান আছে। কিন্তু, আপনি বিজেপির ট্র্যাপে পড়ে গিয়েছেন।”এদিন শিলিগুড়িতে রাষ্ট্রপতি অভিযোগ করেছিলেন, প্রোটোকল ভেঙে তাঁকে স্বাগত জানাতে মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রিসভার কেউ উপস্থিত ছিলেন না। এমনকী, পছন্দের মাঠে সভা করতেও দেওয়া হয়নি। এর উত্তরে মমতা বলেন, “এটা রাজ্য সরকারের কর্মসূচি ছিল না। কোন সংগঠন এটা করেছে আমি জানি না। আপনি কবে আসবেন সেই তথ্য আমরা পাই। কিন্তু, বছরে যদি ৫০ বার কেউ আসেন, তবে কি সবসময় আমাদের যেতে হবে? আমাদের কি আর কোনও কাজকর্ম নেই? সারাক্ষণ আপনাদের লেজুড় হয়ে ঘুরতে হবে?”কেন্দ্রীয় বঞ্চনা এবং এসআইআর-এর প্রতিবাদে ধরনায় বসা মুখ্যমন্ত্রী তাঁর অগ্রাধিকার স্পষ্ট করে দিয়েছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “আমি মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ধরনায় আছি। ট্রাইবালদের জন্য আমরা কী উন্নয়ন করেছি আপনি জানেন না? আমি ধরনা করব না কি আপনাকে রিসিভ করতে যাব? আপনার কাছে প্রায়োরিটি বিজেপি হতে পারে, আমাদের কাছে প্রায়োরিটি সাধারণ মানুষ।”এদিন রাষ্ট্রপতি এ রাজ্যে আদিবাসীদের সুযোগ-সুবিধা প্রদান নিয়ে সংশয় প্রকাশ করায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন মমতা। তিনি পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, “মণিপুরে যখন আদিবাসীদের ওপর অত্যাচার হচ্ছিল, তখন আপনি চুপ ছিলেন কেন? দেশের অন্য রাজ্যে আদিবাসীদের ওপর আক্রমণে প্রতিবাদ করেন না কেন? শুধু বাংলাকে কেন নিশানা করছেন?”এর আগে বিধাননগরে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রপতি মুর্মু বলেছিলেন, “মমতাদি আমার ছোট বোনের মতো। জানি না আমার ওপর ওঁর কী রাগ! প্রশাসন ছোট জায়গায় সভার অনুমতি দিলেও এখানে ৫ লক্ষ মানুষ অনায়াসে ধরত।” রাষ্ট্রপতির এই ‘আবেগী’ আক্রমণের জবাবে রাজনৈতিক লড়াইয়ের সুর বেঁধে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বিজেপির কথায় রাজনীতি করলে তিনি ছেড়ে কথা বলবেন না।সব মিলিয়ে, সাংবিধানিক প্রধান বনাম রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের এই সংঘাত বাংলার রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করল।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার