নয়াদিল্লি: ইরান ও পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে। গত ৬ দিনে তেলের দাম প্রায় ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারতীয় আমজনতার কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছিল—তবে কি এবার দেশেও বাড়বে পেট্রোল-ডিজেলের দাম? এই আশঙ্কার মাঝেই সূত্র মারফত বড় খবর, দেশীয় বাজারে তেল ও গ্যাসের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে বদ্ধপরিকর মোদী সরকার।
ভারতকে তার মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশের বেশি তেল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। যার মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশই আসে বর্তমানে কার্যত অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী দিয়ে। এই পথ বন্ধ হওয়া মানেই ভারতের জ্বালানি ভাণ্ডারে টান পড়ার সম্ভাবনা। কিন্তু কূটনৈতিক মহলের খবর, ভারত সরকার বিকল্প পথে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে লাগাতার আলোচনা চালিয়েছে এবং সেই প্রক্রিয়ায় বড় সাফল্য এসেছে।
বৃহস্পতিবারই আমেরিকা ভারতকে আগামী ৩০ দিনের জন্য রাশিয়া থেকে তেল কেনার বিশেষ ‘ছাড়পত্র’ দিয়েছে। এর ফলে সমুদ্রে আটকে থাকা রুশ তেল কিনতে আর কোনো বাধা নেই নয়াদিল্লির। জানা গিয়েছে, প্রায় ৯৫ লক্ষ ব্যারেল রুশ তেল খুব দ্রুত ভারতের হাতে আসতে চলেছে। আগামী এক মাসে এই আমদানির পরিমাণ আরও বাড়বে। রাশিয়ার এই তেল ব্যবহারের ফলে দেশীয় বাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হবে বলে মনে করছে কেন্দ্র।
সরকারিভাবে এখনও কোনো ঘোষণা না হলেও, কেন্দ্রের লক্ষ্য হলো যুদ্ধের দোহাই দিয়ে দেশে যেন কালোবাজারি না হয় এবং সাধারণ মানুষের পকেটে টান না পড়ে। কূটনৈতিক দর কষাকষির ফলে আমেরিকার থেকে পাওয়া এই ৩০ দিনের মেয়াদকে কাজে লাগিয়ে ভারত তার জ্বালানি ভাণ্ডার মজুত করে নিতে চাইছে। কেন্দ্র মনে করছে, আপাতত ভারতে তেল আমদানি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন