কলকাতা: পিএফ-এর ন্যূনতম পেনশন বৃদ্ধি নিয়ে দীর্ঘদিনের টালবাহানায় এবার ধৈর্য হারাচ্ছেন দেশের লক্ষ লক্ষ প্রবীণ নাগরিক। একাধিক সংসদীয় কমিটি এবং খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বারবার প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্ত্বেও অর্থমন্ত্রকের অনড় মনোভাবে ক্ষুব্ধ পেনশনভোগীরা। এই বঞ্চনার প্রতিবাদে ফের দিল্লিতে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিল ইপিএস-৯৫ পেনশনভোগীদের সর্বভারতীয় সংগঠন 'ন্যাশনাল অ্যাজিটেশন কমিটি'।
আগামী ৯ থেকে ১১ মার্চ দিল্লির যন্তরমন্তরে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। সংগঠনের দাবি, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অন্তত ৫০ হাজার প্রবীণ নাগরিক এই প্রতিবাদে শামিল হতে রাজধানী পাড়ি দিচ্ছেন। সম্প্রতি বাজেট অধিবেশনে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রকের পক্ষ থেকে ন্যূনতম পেনশন বৃদ্ধির বিষয়ে কোনো সদর্থক ইঙ্গিত না মেলায় আন্দোলনের ঝাঁজ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংগঠনের রাজ্য শাখার সভাপতি তপন দত্ত জানিয়েছেন, দিল্লির এই কেন্দ্রীয় সমাবেশ সফল করতে ইতিমধ্যেই আঞ্চলিক স্তরে প্রস্তুতি সভা শুরু হয়েছে। রাজ্যের পিএফ কেন্দ্রীয় অছি পরিষদের সদস্য শিওপ্রসাদ তেওয়ারির কাছেও স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। বয়সের ভারে প্রবীণদের পক্ষে টানা কয়েকদিন দিল্লিতে থেকে আন্দোলন করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হলেও, নিজেদের অধিকার আদায়ে তাঁরা অনড়।
পেনশনভোগীদের মূল দাবি হলো— মাসে ন্যূনতম পেনশনের অঙ্ক বাড়িয়ে ৭,৫০০ টাকা করতে হবে এবং তার সঙ্গে মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ যোগ করতে হবে। পাশাপাশি প্রবীণ নাগরিকদের জন্য উন্নত চিকিৎসা পরিষেবার দাবিও জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, বিজেপির শ্রমিক সংগঠন বিএমএস-ও সাড়ে সাত হাজার টাকা মাসিক পেনশনের দাবিতে সহমত পোষণ করে আন্দোলনে নেমেছে। এখন দেখার, প্রবীণদের এই মেগা বিক্ষোভের পর কেন্দ্র সরকার তাঁদের দাবি মানতে পিছু হটে কি না।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন