Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ইরানে মৃত্যুমিছিল বেড়ে ৭৮৭, হাসপাতাল-স্কুলে হামলা, ধ্বংসের মুখে তেহরান!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ মার্চ ২০২৬
ইরানে মৃত্যুমিছিল বেড়ে ৭৮৭, হাসপাতাল-স্কুলে হামলা, ধ্বংসের মুখে তেহরান!

তেহরান: আমেরিকা ও ইজরায়েলের বিধ্বংসী হামলায় ইরানে নিহতের সংখ্যা এক লাফে অনেকখানি বেড়ে গিয়েছে। মঙ্গলবার শেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক দিনের সংঘর্ষে ইরানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৮৭। সোমবার এই সংখ্যা ছিল ৫৫৫। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির দেওয়া এই পরিসংখ্যানের পর গোটা দেশে হাহাকার শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও অনেকে আটকে থাকায় প্রাণহানি আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।


মানবিকতার তোয়াক্কা না করেই ইজরায়েল ও মার্কিন বাহিনী ইরানের বিভিন্ন অসামরিক প্রতিষ্ঠানে হামলা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ। তেহরানের বিখ্যাত গান্ধী হাসপাতালে মিসাইল আছড়ে পড়ায় হাসপাতালের ভবনটি পুরোপুরি গুঁড়িয়ে গিয়েছে। মিনাবে একটি মেয়েদের স্কুলে হামলার ঘটনায় বহু ছাত্রী এবং স্কুলকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাড়ি এবং হাসপাতালগুলিতে জোরকদমে উদ্ধারকাজ চলছে। তবে, আহতদের সঠিক সংখ্যা এখনও জানা যায়নি।


বসে নেই ইরানও। আইআরজিসি (IRGC)-র কমান্ডারের মৃত্যুর বদলা নিতে ইজরায়েল এবং পশ্চিম এশিয়ায় থাকা আমেরিকার বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন ও মিসাইল হামলা শুরু করেছে তেহরান। মঙ্গলবার রিয়াধে আমেরিকান দূতাবাসেও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এছাড়া, লেবাননে হিজবুল্লাহর উপর ইজরায়েলি গ্রাউন্ড অ্যাটাক শুরু হওয়ায় সংঘাত আরও জটিল রূপ নিয়েছে।


যুদ্ধের প্রভাবে ইরান ইতিমধ্যেই হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে। এই পথ দিয়েই বিশ্বের প্রয়োজনীয় তেলের একটি বড় অংশ জলপথে রপ্তানি হয়। ফলে, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের তীব্র সঙ্কট এবং অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। আপাতত শান্তির কোনো ইঙ্গিত নেই, বরং পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারিতে পরিস্থিতি আরও অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠছে।

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


ইরানে মৃত্যুমিছিল বেড়ে ৭৮৭, হাসপাতাল-স্কুলে হামলা, ধ্বংসের মুখে তেহরান!

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬

featured Image
তেহরান: আমেরিকা ও ইজরায়েলের বিধ্বংসী হামলায় ইরানে নিহতের সংখ্যা এক লাফে অনেকখানি বেড়ে গিয়েছে। মঙ্গলবার শেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক দিনের সংঘর্ষে ইরানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৮৭। সোমবার এই সংখ্যা ছিল ৫৫৫। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির দেওয়া এই পরিসংখ্যানের পর গোটা দেশে হাহাকার শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও অনেকে আটকে থাকায় প্রাণহানি আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।মানবিকতার তোয়াক্কা না করেই ইজরায়েল ও মার্কিন বাহিনী ইরানের বিভিন্ন অসামরিক প্রতিষ্ঠানে হামলা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ। তেহরানের বিখ্যাত গান্ধী হাসপাতালে মিসাইল আছড়ে পড়ায় হাসপাতালের ভবনটি পুরোপুরি গুঁড়িয়ে গিয়েছে। মিনাবে একটি মেয়েদের স্কুলে হামলার ঘটনায় বহু ছাত্রী এবং স্কুলকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাড়ি এবং হাসপাতালগুলিতে জোরকদমে উদ্ধারকাজ চলছে। তবে, আহতদের সঠিক সংখ্যা এখনও জানা যায়নি।বসে নেই ইরানও। আইআরজিসি (IRGC)-র কমান্ডারের মৃত্যুর বদলা নিতে ইজরায়েল এবং পশ্চিম এশিয়ায় থাকা আমেরিকার বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন ও মিসাইল হামলা শুরু করেছে তেহরান। মঙ্গলবার রিয়াধে আমেরিকান দূতাবাসেও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এছাড়া, লেবাননে হিজবুল্লাহর উপর ইজরায়েলি গ্রাউন্ড অ্যাটাক শুরু হওয়ায় সংঘাত আরও জটিল রূপ নিয়েছে।যুদ্ধের প্রভাবে ইরান ইতিমধ্যেই হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে। এই পথ দিয়েই বিশ্বের প্রয়োজনীয় তেলের একটি বড় অংশ জলপথে রপ্তানি হয়। ফলে, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের তীব্র সঙ্কট এবং অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। আপাতত শান্তির কোনো ইঙ্গিত নেই, বরং পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারিতে পরিস্থিতি আরও অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার