Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

খামেনেইকে খতম করতে ইজরায়েলি হ্যাকিং, তেহরানের ট্রাফিক ক্যামেরা ও মোবাইল নেটওয়ার্কেও চলত নজরদারি!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ মার্চ ২০২৬
খামেনেইকে খতম করতে ইজরায়েলি হ্যাকিং, তেহরানের ট্রাফিক ক্যামেরা ও মোবাইল নেটওয়ার্কেও চলত নজরদারি!

তেহরান: ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের ওপর নিখুঁত হামলা চালাতে ইজরায়েল তেহরানের প্রায় সমস্ত ট্রাফিক ক্যামেরা এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক হ্যাক করেছিল! ব্রিটিশ সংবাদপত্র ‘ফিনানসিয়াল টাইমস’-এর একটি চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে ইজরায়েলি গোয়েন্দা সূত্রে এই দাবি করা হয়েছে।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েক বছর ধরে তেহরানের ট্রাফিক ক্যামেরার ফুটেজ গোপনে ইজরায়েলের তেল আভিভে অবস্থিত সার্ভারে চলে যেত! এর মাধ্যমে ইজরায়েলি গোয়েন্দারা খামেনেইয়ের গতিবিধি এবং তাঁর নিরাপত্তারক্ষীদের দৈনন্দিন রুটিন সম্পর্কে নিশ্চিত হতেন। বিশেষ করে তেহরানের পাস্তুর স্ট্রিটে খামেনেইয়ের দফতরের কাছের একটি ক্যামেরা ইজরায়েলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।


ইজরায়েলের বর্তমান ও প্রাক্তন গোয়েন্দা আধিকারিকদের দাবি অনুযায়ী, ট্রাফিক ক্যামেরার মাধ্যমে খামেনেইয়ের কনভয়, গাড়ি রাখার জায়গা এবং দেহরক্ষীদের গতিবিধির উপর দিনরাত নজর রাখা হত। সেইসঙ্গে, তেহরানের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের ফোনে কথোপকথন শোনার জন্য ইরানের মোবাইল নেটওয়ার্কও হ্যাক করা হয়েছিল! এর ফলে খামেনেই কখন কোথায় থাকবেন, সেই তথ্য আগাম পেয়ে যেত ইজরায়েল।


গত শনিবার ভোরবেলা ইজরায়েল এবং আমেরিকার যৌথ অভিযানে খামেনেই নিহত হন। তেহরান থেকে জানানো হয়েছে, হামলার সময় খামেনেই নিজের কর্মস্থলে ছিলেন। এই হামলায় খামেনেইয়ের কন্যা, জামাই এবং নাতনিরও মৃত্যু হয়েছে বলেও দাবি করেছে ইরান। ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সফল অভিযানের কথা ঘোষণা করেছিলেন।


বর্তমানে পশ্চিম এশিয়াজুড়ে চরম উত্তেজনা রয়েছে। ইরান এই ‘কাপুরুষোচিত’ হামলার তীব্র প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় ইরানকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, ইরান যেন প্রত্যাঘাতের সাহস না দেখায়। বর্তমানে তিন সদস্যের একটি কাউন্সিলের হাতে ইরানের শাসনভার অর্পণ করা হয়েছে।

বিষয় : IRAN ATTACK

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


খামেনেইকে খতম করতে ইজরায়েলি হ্যাকিং, তেহরানের ট্রাফিক ক্যামেরা ও মোবাইল নেটওয়ার্কেও চলত নজরদারি!

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬

featured Image
তেহরান: ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের ওপর নিখুঁত হামলা চালাতে ইজরায়েল তেহরানের প্রায় সমস্ত ট্রাফিক ক্যামেরা এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক হ্যাক করেছিল! ব্রিটিশ সংবাদপত্র ‘ফিনানসিয়াল টাইমস’-এর একটি চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে ইজরায়েলি গোয়েন্দা সূত্রে এই দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েক বছর ধরে তেহরানের ট্রাফিক ক্যামেরার ফুটেজ গোপনে ইজরায়েলের তেল আভিভে অবস্থিত সার্ভারে চলে যেত! এর মাধ্যমে ইজরায়েলি গোয়েন্দারা খামেনেইয়ের গতিবিধি এবং তাঁর নিরাপত্তারক্ষীদের দৈনন্দিন রুটিন সম্পর্কে নিশ্চিত হতেন। বিশেষ করে তেহরানের পাস্তুর স্ট্রিটে খামেনেইয়ের দফতরের কাছের একটি ক্যামেরা ইজরায়েলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।ইজরায়েলের বর্তমান ও প্রাক্তন গোয়েন্দা আধিকারিকদের দাবি অনুযায়ী, ট্রাফিক ক্যামেরার মাধ্যমে খামেনেইয়ের কনভয়, গাড়ি রাখার জায়গা এবং দেহরক্ষীদের গতিবিধির উপর দিনরাত নজর রাখা হত। সেইসঙ্গে, তেহরানের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের ফোনে কথোপকথন শোনার জন্য ইরানের মোবাইল নেটওয়ার্কও হ্যাক করা হয়েছিল! এর ফলে খামেনেই কখন কোথায় থাকবেন, সেই তথ্য আগাম পেয়ে যেত ইজরায়েল।গত শনিবার ভোরবেলা ইজরায়েল এবং আমেরিকার যৌথ অভিযানে খামেনেই নিহত হন। তেহরান থেকে জানানো হয়েছে, হামলার সময় খামেনেই নিজের কর্মস্থলে ছিলেন। এই হামলায় খামেনেইয়ের কন্যা, জামাই এবং নাতনিরও মৃত্যু হয়েছে বলেও দাবি করেছে ইরান। ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সফল অভিযানের কথা ঘোষণা করেছিলেন।বর্তমানে পশ্চিম এশিয়াজুড়ে চরম উত্তেজনা রয়েছে। ইরান এই ‘কাপুরুষোচিত’ হামলার তীব্র প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় ইরানকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, ইরান যেন প্রত্যাঘাতের সাহস না দেখায়। বর্তমানে তিন সদস্যের একটি কাউন্সিলের হাতে ইরানের শাসনভার অর্পণ করা হয়েছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার