মধ্যপ্রাচ্যের আকাশজুড়ে যুদ্ধের কালো মেঘ আরও ঘনীভূত হলো। মঙ্গলবার ভোরে সৌদি আরবের রিয়াধে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে আছড়ে পড়ল ইরানের ছোড়া দুটি ড্রোন। হামলায় দূতাবাস ভবন দাউদাউ করে জ্বলতে থাকার ভিডিও ইতিমধ্যেই নেট দুনিয়ায় ভাইরাল। এই নজিরবিহীন হামলার পর আর চুপ করে থাকলেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সরাসরি যুদ্ধের হুঙ্কার দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, “এই হামলার পালটা জবাব কীভাবে দেওয়া হবে, সেটা এবার সারাবিশ্ব দেখবে।”
সৌদি প্রশাসন সূত্রে খবর, ভোরবেলায় হামলা হওয়ায় দূতাবাসে কোনো কর্মী উপস্থিত ছিলেন না, ফলে বড়সড় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। তবে ভবনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রিয়াধের এই ঘটনার পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন ট্রাম্প। যদিও তিনি সরাসরি কোনো দেশের নাম মুখে আনেননি, তবে কূটনৈতিক মহলের মতে তাঁর নিশানায় যে ইরান, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আমেরিকার বিদেশ দপ্তর থেকে ইতিমধ্যেই জরুরি নির্দেশিকা জারি করে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত ওই অঞ্চল ছেড়ে বেরিয়ে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, ট্রাম্প প্রশাসন এবার ইরানে বড়সড় কোনো সামরিক অভিযানের ছক কষছে।
আমেরিকা-ইজরায়েল বনাম ইরান যুদ্ধ আজ চতুর্থ দিনে পা রাখল। ‘অপারেশন সিংহ গর্জন’-এ ইতিমধ্যেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেইর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৬ জন মার্কিন সেনার মৃত্যু হলেও ইরানের দিকে নিহতের সংখ্যা আটশোর কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে দাবি করছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন। তবে ট্রাম্পের মতে, যুদ্ধের সবচেয়ে বড় আঘাত হানা এখনও বাকি। রিয়াধের দূতাবাসে এই হামলা যেন সেই বারুদেই আগুনের কাজ করল। এখন দেখার, হোয়াইট হাউসের পরবর্তী পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রকে কোন দিকে নিয়ে যায়।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন