Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

দেশজুড়ে লস্কর মডিউলের পর্দাফাঁস! ধৃত ৮ জঙ্গির মধ্যে ৭ জনই বাংলাদেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দেশজুড়ে লস্কর মডিউলের পর্দাফাঁস! ধৃত ৮ জঙ্গির মধ্যে ৭ জনই বাংলাদেশি

কলকাতা ও দিল্লি: রাজধানীর মেট্রো স্টেশনে সাঁটানো কিছু সন্দেহজনক পোস্টারের সূত্র ধরে দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা লস্কর-ই-তৈবার (LeT) এক ভয়ংকর নাশকতার ছক বানচাল করল দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। কলকাতা ও তামিলনাড়ুতে অভিযান চালিয়ে মোট আটজন লস্কর জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে কলকাতার নিউটাউন এলাকা থেকেই ধরা পড়েছে দুই জঙ্গি।


চলতি মাসের শুরুতে দিল্লির কাশ্মীরি গেটসহ বেশ কিছু মেট্রো স্টেশনের স্তম্ভে দেশবিরোধী পোস্টার নজরে আসে সিআইএসএফ-এর। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, সোশ্যাল মিডিয়াতেও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে নাশকতার বার্তা। এই সূত্র ধরেই গোয়েন্দারা পৌঁছান নিউটাউনের হাতিয়াড়া এলাকায়। সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় রবিউল ইসলাম (বাংলাদেশি) এবং উমর ফারুককে (মালদহ)। তাদের জেরা করেই তামিলনাড়ুর তিরুপ্পুর জেলা থেকে আরও ৬ জন বাংলাদেশি জঙ্গিকে পাকড়াও করা হয়।


তদন্তে উঠে এসেছে এক বিস্ফোরক তথ্য। পুরো মডিউলটি পাকিস্তান থেকে নির্দেশ পেলেও পরিচালিত হচ্ছিল বাংলাদেশ থেকে। এই চক্রের মাস্টারমাইন্ড হলো সাব্বির আহমেদ লোন। কাশ্মীরের গান্ধেরবালের বাসিন্দা সাব্বির ২০০৭ সালে আত্মঘাতী হামলার চেষ্টায় ধরা পড়েছিল। ২০১৯ সালে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে সে বাংলাদেশে পালিয়ে যায় এবং সেখান থেকেই লস্করের নেটওয়ার্ক তৈরি করে রবিউলদের ভারতে পাঠায়। ধৃতরা ভুয়ো ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে কেউ শ্রমিকের কাজ করছিল, কেউ আবার গা ঢাকা দিয়ে ছিল জনবহুল এলাকায়। গোয়েন্দাদের ধারণা, দিল্লির লালকেল্লা এবং দেশের বড় শহরগুলোর ধর্মীয় স্থানগুলিতে বড়সড় হামলার ছক ছিল এদের। ধৃতদের কাছ থেকে ৮টি মোবাইল এবং ১৬টি সিম কার্ড উদ্ধার হয়েছে, যা বর্তমানে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।


ধৃত আটজনকেই জেরার জন্য দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই মডিউলের পেছনে আর কারা রয়েছে এবং নাশকতার জন্য অর্থ কোথা থেকে আসছিল, তা জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা। মনে করা হচ্ছে, দেশের অন্যান্য রাজ্যেও এই মডিউলের সদস্যরা ছড়িয়ে থাকতে পারে।

বিষয় : বাংলাদেশ Kolkata delhi DELHIPOLICE laksharEtaiba 'kolkatanews antiterroroperation

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


দেশজুড়ে লস্কর মডিউলের পর্দাফাঁস! ধৃত ৮ জঙ্গির মধ্যে ৭ জনই বাংলাদেশি

প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
কলকাতা ও দিল্লি: রাজধানীর মেট্রো স্টেশনে সাঁটানো কিছু সন্দেহজনক পোস্টারের সূত্র ধরে দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা লস্কর-ই-তৈবার (LeT) এক ভয়ংকর নাশকতার ছক বানচাল করল দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। কলকাতা ও তামিলনাড়ুতে অভিযান চালিয়ে মোট আটজন লস্কর জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে কলকাতার নিউটাউন এলাকা থেকেই ধরা পড়েছে দুই জঙ্গি।চলতি মাসের শুরুতে দিল্লির কাশ্মীরি গেটসহ বেশ কিছু মেট্রো স্টেশনের স্তম্ভে দেশবিরোধী পোস্টার নজরে আসে সিআইএসএফ-এর। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, সোশ্যাল মিডিয়াতেও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে নাশকতার বার্তা। এই সূত্র ধরেই গোয়েন্দারা পৌঁছান নিউটাউনের হাতিয়াড়া এলাকায়। সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় রবিউল ইসলাম (বাংলাদেশি) এবং উমর ফারুককে (মালদহ)। তাদের জেরা করেই তামিলনাড়ুর তিরুপ্পুর জেলা থেকে আরও ৬ জন বাংলাদেশি জঙ্গিকে পাকড়াও করা হয়।তদন্তে উঠে এসেছে এক বিস্ফোরক তথ্য। পুরো মডিউলটি পাকিস্তান থেকে নির্দেশ পেলেও পরিচালিত হচ্ছিল বাংলাদেশ থেকে। এই চক্রের মাস্টারমাইন্ড হলো সাব্বির আহমেদ লোন। কাশ্মীরের গান্ধেরবালের বাসিন্দা সাব্বির ২০০৭ সালে আত্মঘাতী হামলার চেষ্টায় ধরা পড়েছিল। ২০১৯ সালে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে সে বাংলাদেশে পালিয়ে যায় এবং সেখান থেকেই লস্করের নেটওয়ার্ক তৈরি করে রবিউলদের ভারতে পাঠায়। ধৃতরা ভুয়ো ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে কেউ শ্রমিকের কাজ করছিল, কেউ আবার গা ঢাকা দিয়ে ছিল জনবহুল এলাকায়। গোয়েন্দাদের ধারণা, দিল্লির লালকেল্লা এবং দেশের বড় শহরগুলোর ধর্মীয় স্থানগুলিতে বড়সড় হামলার ছক ছিল এদের। ধৃতদের কাছ থেকে ৮টি মোবাইল এবং ১৬টি সিম কার্ড উদ্ধার হয়েছে, যা বর্তমানে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।ধৃত আটজনকেই জেরার জন্য দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই মডিউলের পেছনে আর কারা রয়েছে এবং নাশকতার জন্য অর্থ কোথা থেকে আসছিল, তা জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা। মনে করা হচ্ছে, দেশের অন্যান্য রাজ্যেও এই মডিউলের সদস্যরা ছড়িয়ে থাকতে পারে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার