আর্থিক জালিয়াতির অভিযোগে বিদ্ধ শিল্পপতি অনিল অম্বানী এবার সুপ্রিম কোর্টে বড় প্রতিশ্রুতি দিলেন। হলফনামা জমা দিয়ে তিনি সাফ জানিয়েছেন, আদালতের আগাম অনুমতি ছাড়া তিনি দেশের বাইরে পা রাখবেন না। একইসঙ্গে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) এবং সিবিআই-এর তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।
অনিল ধীরুভাই অম্বানী গোষ্ঠীর কর্ণধার তাঁর আইনজীবী মুকুল রোহাতগির মাধ্যমে আদালতকে জানিয়েছেন যে, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে তদন্ত শুরু হওয়ার পর থেকে তিনি ভারতের বাইরে যাননি। আপাতত বিদেশ যাওয়ার কোনও পরিকল্পনা বা ইচ্ছাও তাঁর নেই। তবে ভবিষ্যতে যদি কখনও বিশেষ প্রয়োজনে বিদেশ যেতে হয়, তবে তিনি অবশ্যই সুপ্রিম কোর্টের থেকে আগাম অনুমতি গ্রহণ করবেন। আগামী ২৬শে ফেব্রুয়ারি ইডি তাঁকে তলব করেছে এবং সেদিন তিনি কেন্দ্রীয় সংস্থাকে সবরকম সহযোগিতা করবেন বলেও হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।
অনিল অম্বানীর মালিকানাধীন সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকারও বেশি ঋণ প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সচিব ইএএস শর্মা এই তদন্তের ধীরগতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালতের নজরদারিতে তদন্ত চালানোর আবেদন করেন। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চে বর্তমানে এই হাই-প্রোফাইল মামলার শুনানি চলছে।
আদালত এই তদন্তের অগ্রগতির শ্লথ গতি নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, ২০০৭-০৮ সাল থেকে জালিয়াতি চললেও এফআইআর দায়ের করা হয়েছে অনেক দেরিতে, ২০২৫ সালে। এমতাবস্থায় সিবিআই এবং ইডি-কে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে নতুন 'স্টেটাস রিপোর্ট' জমা দেওয়ার কড়া নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। গত ১৮ই নভেম্বর এই মামলায় কেন্দ্র, দুই তদন্তকারী সংস্থা এবং খোদ অনিল অম্বানীকে নোটিশ পাঠিয়েছিল শীর্ষ আদালত।
এখন দেখার, আগামী ২৬শে ফেব্রুয়ারি ইডির জেরার মুখে অনিল অম্বানী তদন্তে কতটা আলোকপাত করতে পারেন এবং আদালতের নজরদারিতে এই তদন্ত কোন দিকে মোড় নেয়।
হিডেন স্টোরিজ নিউজ

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন