কলকাতা: ভোটারতালিকায় নাম তোলা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্ধ রাজ্যের চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত আইনি পদক্ষেপ করল নবান্ন। মঙ্গলবার, কমিশনের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যেই তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এই মর্মে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী।
অভিযুক্ত চারজনই ডব্লিউবিসিএস অফিসার। তাঁরা হলেন - তথাগত মণ্ডল: জয়নগর-১ ব্লকের ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার। দেবোত্তম দত্তচৌধুরী: দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা গ্রামীণ উন্নয়ন পর্ষদের ডেপুটি প্রজেক্ট ডিরেক্টর। বিপ্লব সরকার: পূর্ব মেদিনীপুরের সংখ্যালঘু বিষয়ক জেলা অফিসার। সুদীপ্ত দাস: তমলুক ব্লকের পঞ্চায়েত অ্যাকাউন্ট এবং অডিট অফিসার।
উল্লেখ্য, এই আধিকারিকরা বারুইপুর পূর্ব এবং ময়না বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটারতালিকা সংশোধনের (ERO ও AERO) দায়িত্বে থাকাকালীন ‘ভুতুড়ে’ ভোটারদের নাম তোলার অভিযোগে অভিযুক্ত হন। এছাড়া, সুরজিৎ হালদার নামে এক ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের বিরুদ্ধেও এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
এই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে নবান্ন ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে টানাপড়েন চলছিল। অ্যাডভোকেট জেনারেলের পরামর্শ মেনে নবান্ন জানিয়েছিল, এই অপরাধ এফআইআর করার মতো গুরুতর নয়। সেই প্রেক্ষাপটে গত শুক্রবার রাজ্যের মুখ্যসচিবকে দিল্লিতে তলব করে নির্বাচন সদন। তাঁকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) বিকেলের মধ্যে এফআইআর না করলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বর্তমানে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন ফুল বেঞ্চ অসমে রয়েছে। সেখান থেকে ফেরার পর রাজ্যের পাঠানো রিপোর্ট খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে কমিশন সূত্রে খবর। এসআইআর প্রক্রিয়া শুরুর আগেই এই চার আধিকারিককে সাসপেন্ড করার নির্দেশও বলবৎ রয়েছে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন