Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ছড়াচ্ছে বার্ড ফ্লু, এই সময়ে মাংস বা ডিম খাওয়া কি সুরক্ষিত? জানুন কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ছড়াচ্ছে বার্ড ফ্লু, এই সময়ে মাংস বা ডিম খাওয়া কি সুরক্ষিত? জানুন কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

নিজস্ব প্রতিবেদন: নতুন করে ডানা মেলছে ভাইরাস আতঙ্ক। দেশে ফের থাবা বসিয়েছে ‘বার্ড ফ্লু’ (Bird Flu)। ইতিমধ্যেই তামিলনাড়ুতে শয়ে শয়ে কাকের মৃত্যুর খবর মেলায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় পশুপালন, ডেয়ারি ও মৎস্য পালন মন্ত্রকের তরফে সাধারণ মানুষকে মৃত পাখি স্পর্শ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের মনে এখন বড় প্রশ্ন— এই পরিস্থিতিতে মুরগির মাংস বা ডিম খাওয়া কি আদেও নিরাপদ?


চিকিৎসকদের মতে, বার্ড ফ্লু মূলত এইচ৫এন১ (H5N1) ভাইরাস স্ট্রেইন থেকে ছড়ায়। সাধারণত এটি পাখি থেকে পাখির দেহে ছড়ালেও, আক্রান্ত পাখির লালা, থুতু বা মলের সংস্পর্শে এলে মানুষের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই জ্বর, সর্দি, কাশি বা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বলা হচ্ছে।


স্বাস্থ্য মন্ত্রক এবং ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অব ইন্ডিয়া (FSSAI) জানিয়েছে, আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। নিয়ম মেনে চললে মাংস বা ডিম খাওয়া সম্পূর্ণ নিরাপদ, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি অন্তত ১৬৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৭৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় চিকেন রান্না করা হয়, তবে কোনো ভাইরাসই বেঁচে থাকতে পারে না। মাংস রান্নার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে ভিতরে যেন কোনো কাঁচা অংশ বা গোলাপি রস (Pink Juice) না থাকে। উচ্চতাপে সুসিদ্ধ মাংস থেকে সংক্রমণের কোনো সম্ভাবনা নেই।

ডিমের খোসায় ভাইরাস থাকার সম্ভাবনা থাকলেও ভিতরে ঝুঁকি কম। তবুও সতর্কতাস্বরূপ কুসুম যাতে ঠিকমতো রান্না হয় সেদিকে নজর দিতে হবে। এই সময়ে কাঁচা বা অর্ধেক রান্না করা ডিম, ডিমের পোচ বা হাফ-বয়েল্ড না খাওয়াই ভালো। এর বদলে সেদ্ধ ডিম বা ওমলেট খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।


নিরাপদ থাকতে মেনে চলুন এই ৫ নিয়ম:

১. কোনো মৃত পাখি দেখলে তা খালি হাতে স্পর্শ করবেন না। 


২. কাঁচা মাংস বা ডিম ধরার পর অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে নিন। 


৩. বাজার থেকে আনা মাংস ধোয়ার সময় সতর্ক থাকুন যাতে তার জল অন্য খাবারের সংস্পর্শে না আসে। 


৪. বাড়ির তৈরি মেয়োনিজ বা কাঁচা ডিমের সস এই সময়ে এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। 


৫. মাংস বিক্রির আগে পাখিগুলি সুস্থ কি না, তা যাচাই করে নেওয়া জরুরি।


সংক্রমিত বা মৃত পাখিগুলিকে মাটিতে পুঁতে ফেলা বা পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। সঠিক সতর্কতা ও সচেতনতাই পারে এই ভাইরাসের মোকাবিলা করতে।

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


ছড়াচ্ছে বার্ড ফ্লু, এই সময়ে মাংস বা ডিম খাওয়া কি সুরক্ষিত? জানুন কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
নিজস্ব প্রতিবেদন: নতুন করে ডানা মেলছে ভাইরাস আতঙ্ক। দেশে ফের থাবা বসিয়েছে ‘বার্ড ফ্লু’ (Bird Flu)। ইতিমধ্যেই তামিলনাড়ুতে শয়ে শয়ে কাকের মৃত্যুর খবর মেলায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় পশুপালন, ডেয়ারি ও মৎস্য পালন মন্ত্রকের তরফে সাধারণ মানুষকে মৃত পাখি স্পর্শ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের মনে এখন বড় প্রশ্ন— এই পরিস্থিতিতে মুরগির মাংস বা ডিম খাওয়া কি আদেও নিরাপদ?চিকিৎসকদের মতে, বার্ড ফ্লু মূলত এইচ৫এন১ (H5N1) ভাইরাস স্ট্রেইন থেকে ছড়ায়। সাধারণত এটি পাখি থেকে পাখির দেহে ছড়ালেও, আক্রান্ত পাখির লালা, থুতু বা মলের সংস্পর্শে এলে মানুষের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই জ্বর, সর্দি, কাশি বা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বলা হচ্ছে।স্বাস্থ্য মন্ত্রক এবং ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অব ইন্ডিয়া (FSSAI) জানিয়েছে, আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। নিয়ম মেনে চললে মাংস বা ডিম খাওয়া সম্পূর্ণ নিরাপদ, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি অন্তত ১৬৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৭৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় চিকেন রান্না করা হয়, তবে কোনো ভাইরাসই বেঁচে থাকতে পারে না। মাংস রান্নার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে ভিতরে যেন কোনো কাঁচা অংশ বা গোলাপি রস (Pink Juice) না থাকে। উচ্চতাপে সুসিদ্ধ মাংস থেকে সংক্রমণের কোনো সম্ভাবনা নেই।ডিমের খোসায় ভাইরাস থাকার সম্ভাবনা থাকলেও ভিতরে ঝুঁকি কম। তবুও সতর্কতাস্বরূপ কুসুম যাতে ঠিকমতো রান্না হয় সেদিকে নজর দিতে হবে। এই সময়ে কাঁচা বা অর্ধেক রান্না করা ডিম, ডিমের পোচ বা হাফ-বয়েল্ড না খাওয়াই ভালো। এর বদলে সেদ্ধ ডিম বা ওমলেট খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।নিরাপদ থাকতে মেনে চলুন এই ৫ নিয়ম:১. কোনো মৃত পাখি দেখলে তা খালি হাতে স্পর্শ করবেন না। ২. কাঁচা মাংস বা ডিম ধরার পর অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে নিন। ৩. বাজার থেকে আনা মাংস ধোয়ার সময় সতর্ক থাকুন যাতে তার জল অন্য খাবারের সংস্পর্শে না আসে। ৪. বাড়ির তৈরি মেয়োনিজ বা কাঁচা ডিমের সস এই সময়ে এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। ৫. মাংস বিক্রির আগে পাখিগুলি সুস্থ কি না, তা যাচাই করে নেওয়া জরুরি।সংক্রমিত বা মৃত পাখিগুলিকে মাটিতে পুঁতে ফেলা বা পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। সঠিক সতর্কতা ও সচেতনতাই পারে এই ভাইরাসের মোকাবিলা করতে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার