Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

১৫ বছরের প্রতীক্ষার শেষেও দুর্নীতি! বিক্ষোভে গ্রামবাসীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১৫ বছরের প্রতীক্ষার শেষেও দুর্নীতি! বিক্ষোভে গ্রামবাসীরা

ভরতপুর: দীর্ঘ দেড় দশকের লড়াই আর অপেক্ষার পর অবশেষে শুরু হয়েছিল রাস্তার কাজ। কিন্তু সেখানেও থাবা বসাল দুর্নীতি। মুর্শিদাবাদ জেলার ভরতপুর থানার গড্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতের শুকদানপুর গ্রামে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ঢালাই রাস্তা তৈরির অভিযোগে সরব হলেন গ্রামবাসীরা। চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে যে, অরিজিনাল ঠিকাদারের কাছ থেকে কাজ ‘ছিনিয়ে নিয়ে’ খোদ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের জনৈক প্রতিনিধি নিয়মবহির্ভূতভাবে এই কাজ করাচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুকদানপুর গ্রামের এই রাস্তাটি গত ১৫ বছর ধরে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছিল। গ্রামবাসীদের লাগাতার দাবির পর সম্প্রতি রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয়। কিন্তু কাজ শুরু হতেই দুর্নীতির কঙ্কালসার চেহারাটা বেরিয়ে আসে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ অনুযায়ী, রাস্তা তৈরিতে অত্যন্ত নিম্নমানের ইঁট, বালি এবং পাথর ব্যবহার করা হচ্ছে। সিমেণ্টের পরিমাণ এতটাই কম যে, হাত দিলেই ঢালাই উঠে যাচ্ছে। নিয়ম ভেঙে মূল ঠিকাদারের বদলে কাজ পরিচালনা করছেন প্রধানের প্রতিনিধি।

শনিবার সকালে নিম্নমানের কাজ চলতে দেখে ধৈর্য হারান গ্রামবাসীরা। তাঁরা একজোট হয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। বিক্ষুব্ধদের দাবি, "১৫ বছর পর রাস্তার মুখ দেখলাম, সেখানেও এমন গাফিলতি মানব না। আমাদের ট্যাক্সের টাকায় কেন এই পুকুরচুরি হবে?" অভিযোগ উঠেছে, কাজ দ্রুত শেষ করে টাকা হাতিয়ে নিতেই তড়িঘড়ি এই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে।

এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়ালে খবর দেওয়া হয় ভরতপুর থানায়। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। গ্রামবাসীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, কাজের মান সঠিক না হওয়া পর্যন্ত এবং অরিজিনাল কন্ট্রাক্টর কাজ শুরু না করা পর্যন্ত তাঁরা এই নির্মাণ এগোতে দেবেন না। এই বিষয়ে পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে এখনও কোনো সরকারি প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ১৫ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে কাজ শুরু হলেও দুর্নীতির ছায়ায় আপাতত থমকে গেল শুকদানপুরের রাস্তা। এখন দেখার, প্রশাসন এই অনিয়মের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়।

বিষয় : bharatpur murshidabad bad roads protest

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


১৫ বছরের প্রতীক্ষার শেষেও দুর্নীতি! বিক্ষোভে গ্রামবাসীরা

প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
ভরতপুর: দীর্ঘ দেড় দশকের লড়াই আর অপেক্ষার পর অবশেষে শুরু হয়েছিল রাস্তার কাজ। কিন্তু সেখানেও থাবা বসাল দুর্নীতি। মুর্শিদাবাদ জেলার ভরতপুর থানার গড্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতের শুকদানপুর গ্রামে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ঢালাই রাস্তা তৈরির অভিযোগে সরব হলেন গ্রামবাসীরা। চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে যে, অরিজিনাল ঠিকাদারের কাছ থেকে কাজ ‘ছিনিয়ে নিয়ে’ খোদ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের জনৈক প্রতিনিধি নিয়মবহির্ভূতভাবে এই কাজ করাচ্ছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুকদানপুর গ্রামের এই রাস্তাটি গত ১৫ বছর ধরে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছিল। গ্রামবাসীদের লাগাতার দাবির পর সম্প্রতি রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয়। কিন্তু কাজ শুরু হতেই দুর্নীতির কঙ্কালসার চেহারাটা বেরিয়ে আসে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ অনুযায়ী, রাস্তা তৈরিতে অত্যন্ত নিম্নমানের ইঁট, বালি এবং পাথর ব্যবহার করা হচ্ছে। সিমেণ্টের পরিমাণ এতটাই কম যে, হাত দিলেই ঢালাই উঠে যাচ্ছে। নিয়ম ভেঙে মূল ঠিকাদারের বদলে কাজ পরিচালনা করছেন প্রধানের প্রতিনিধি।শনিবার সকালে নিম্নমানের কাজ চলতে দেখে ধৈর্য হারান গ্রামবাসীরা। তাঁরা একজোট হয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। বিক্ষুব্ধদের দাবি, "১৫ বছর পর রাস্তার মুখ দেখলাম, সেখানেও এমন গাফিলতি মানব না। আমাদের ট্যাক্সের টাকায় কেন এই পুকুরচুরি হবে?" অভিযোগ উঠেছে, কাজ দ্রুত শেষ করে টাকা হাতিয়ে নিতেই তড়িঘড়ি এই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে।এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়ালে খবর দেওয়া হয় ভরতপুর থানায়। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। গ্রামবাসীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, কাজের মান সঠিক না হওয়া পর্যন্ত এবং অরিজিনাল কন্ট্রাক্টর কাজ শুরু না করা পর্যন্ত তাঁরা এই নির্মাণ এগোতে দেবেন না। এই বিষয়ে পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে এখনও কোনো সরকারি প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ১৫ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে কাজ শুরু হলেও দুর্নীতির ছায়ায় আপাতত থমকে গেল শুকদানপুরের রাস্তা। এখন দেখার, প্রশাসন এই অনিয়মের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার