গল্পের বই দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগে গ্রেফতার হলেন স্কুলের এক বাংলার শিক্ষক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলা এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে পক্সো (POCSO) আইনে মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার স্কুলে গিয়েছিল ওই নাবালিকা ছাত্রী। অভিযোগ উঠেছে, স্কুলের বাংলার শিক্ষক তাকে গল্পের বই দেওয়ার নাম করে ক্লাসরুম থেকে বাইরে ডেকে নিয়ে যান। এরপর দোতলায় একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে শিশুটির শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ।
স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে ওই ছাত্রী তার মাকে সমস্ত ঘটনা জানায়। বিষয়টি জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন অভিভাবকরা। তাঁরা দলবদ্ধভাবে স্কুলে গিয়ে ঘেরাও করেন এবং গেটের বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁরা স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহি চান এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তোলেন।
মহেশতলা থানায় পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পর পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তে উঠে এসেছে যে, এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আগেও একই ধরনের শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছিল এবং সেই মামলাটি এখনও আদালতে বিচারাধীন। প্রশ্ন উঠছে, আগের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন স্কুল কর্তৃপক্ষ বা পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা নেয়নি।
বর্তমানে ওই স্কুলে পঠনপাঠন ব্যাহত হয়েছে এবং অভিভাবকরা প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে আলোচনার দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন