Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

অমর্ত্য সেনের নথি জমা দিল ‘প্রতীচী’ ট্রাস্ট, নির্বাচন কমিশনের ‘ভুল’ নোটিশ ঘিরে ক্ষোভ শান্তিনিকেতনে!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
অমর্ত্য সেনের নথি জমা দিল ‘প্রতীচী’ ট্রাস্ট, নির্বাচন কমিশনের ‘ভুল’ নোটিশ ঘিরে ক্ষোভ শান্তিনিকেতনে!

শান্তিনিকেতন: নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের ভোটারতালিকায় নাম সংশোধন ও নথিপত্র যাচাইয়ের প্রক্রিয়া কেন্দ্র করে ফের শিরোনামে শান্তিনিকেতন। বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার অঙ্গ হিসাবে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা অমর্ত্যের স্থানীয় বাসভবন ‘প্রতীচী’তে যান। সেখানে প্রতীচী ট্রাস্টের সদস্যরা অমর্ত্য সেনের যাবতীয় প্রয়োজনীয় নথিপত্র কমিশনের হাতে তুলে দিলেও, গোটা প্রক্রিয়ায় কমিশনের ‘ভুল নোটিশ’ এবং ধোঁয়াশা নিয়ে স্থানীয়দের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্ট সূত্রের। 


প্রতীচী ট্রাস্টের সদস্য গীতিকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন, অধ্যাপক সেনের অনুমতি নিয়েই তাঁর পাসপোর্ট, আধার কার্ড, ভোটারতালিকার কপি এবং তাঁর মায়ের মৃত্যুর শংসাপত্র কমিশনের প্রতিনিধিদের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। তবে নথিপত্র জমা দেওয়ার সময় একটি বিশেষ প্রশ্ন ঘিরে তৈরি হয় অস্বস্তি। ট্রাস্টের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়, অমর্ত্যবাবু যে 'ভারতরত্ন' উপাধি পেয়েছেন, তার কোনও প্রমাণপত্র জমা দেওয়ার প্রয়োজন আছে কিনা। কিন্তু, উপস্থিত নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা এই বিষয়ে কোনও স্পষ্ট উত্তর দিতে পারেননি।


এসবের মধ্যেই কমিশনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে প্রতীচী ট্রাস্টের পক্ষ থেকে একটি লিখিত প্রতিবাদপত্র জমা দেওয়া হয়। ট্রাস্টের সদস্যদের বক্তব্য, কমিশনের পক্ষ থেকে অধ্যাপক সেনকে যে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল, তা ছিল বিভ্রান্তিকর এবং তাতে তথ্যগত ভুল ছিল। একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তিত্বের ক্ষেত্রে এই ধরনের ‘ভুল’ নোটিশ পাঠানো অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে মনে করছেন ট্রাস্টের সদস্যরা।


নির্বাচন কমিশন অধ্যাপক সেনের তরফে জমা দেওয়া নথিপত্রগুলি গ্রহণ করলেও ভারতরত্ন সংক্রান্ত বিভ্রান্তি বা নোটিশের ভুল নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। শান্তিনিকেতনের বিশিষ্ট মহলে এই ঘটনা নিয়ে যথেষ্ট চর্চা শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


অমর্ত্য সেনের নথি জমা দিল ‘প্রতীচী’ ট্রাস্ট, নির্বাচন কমিশনের ‘ভুল’ নোটিশ ঘিরে ক্ষোভ শান্তিনিকেতনে!

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
শান্তিনিকেতন: নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের ভোটারতালিকায় নাম সংশোধন ও নথিপত্র যাচাইয়ের প্রক্রিয়া কেন্দ্র করে ফের শিরোনামে শান্তিনিকেতন। বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার অঙ্গ হিসাবে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা অমর্ত্যের স্থানীয় বাসভবন ‘প্রতীচী’তে যান। সেখানে প্রতীচী ট্রাস্টের সদস্যরা অমর্ত্য সেনের যাবতীয় প্রয়োজনীয় নথিপত্র কমিশনের হাতে তুলে দিলেও, গোটা প্রক্রিয়ায় কমিশনের ‘ভুল নোটিশ’ এবং ধোঁয়াশা নিয়ে স্থানীয়দের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্ট সূত্রের। প্রতীচী ট্রাস্টের সদস্য গীতিকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন, অধ্যাপক সেনের অনুমতি নিয়েই তাঁর পাসপোর্ট, আধার কার্ড, ভোটারতালিকার কপি এবং তাঁর মায়ের মৃত্যুর শংসাপত্র কমিশনের প্রতিনিধিদের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। তবে নথিপত্র জমা দেওয়ার সময় একটি বিশেষ প্রশ্ন ঘিরে তৈরি হয় অস্বস্তি। ট্রাস্টের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়, অমর্ত্যবাবু যে 'ভারতরত্ন' উপাধি পেয়েছেন, তার কোনও প্রমাণপত্র জমা দেওয়ার প্রয়োজন আছে কিনা। কিন্তু, উপস্থিত নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা এই বিষয়ে কোনও স্পষ্ট উত্তর দিতে পারেননি।এসবের মধ্যেই কমিশনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে প্রতীচী ট্রাস্টের পক্ষ থেকে একটি লিখিত প্রতিবাদপত্র জমা দেওয়া হয়। ট্রাস্টের সদস্যদের বক্তব্য, কমিশনের পক্ষ থেকে অধ্যাপক সেনকে যে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল, তা ছিল বিভ্রান্তিকর এবং তাতে তথ্যগত ভুল ছিল। একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তিত্বের ক্ষেত্রে এই ধরনের ‘ভুল’ নোটিশ পাঠানো অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে মনে করছেন ট্রাস্টের সদস্যরা।নির্বাচন কমিশন অধ্যাপক সেনের তরফে জমা দেওয়া নথিপত্রগুলি গ্রহণ করলেও ভারতরত্ন সংক্রান্ত বিভ্রান্তি বা নোটিশের ভুল নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। শান্তিনিকেতনের বিশিষ্ট মহলে এই ঘটনা নিয়ে যথেষ্ট চর্চা শুরু হয়েছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার