কলকাতা: সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহেই শুরু হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বাজেট অধিবেশন। বিধানসভার সচিবালয় সূত্রে খবর, আসন্ন ভোটের আগে এটিই হতে চলেছে বর্তমান সরকারের শেষ অধিবেশন। আর এই অধিবেশনে পেশ করা হবে রাজ্যের ‘অন্তর্বর্তী বাজেট’ বা ‘ভোট অন অ্যাকাউন্ট’।
রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের আগে এই অন্তর্বর্তী বাজেট অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, নির্বাচনের বছরে পূর্ণাঙ্গ বাজেটের বদলে কয়েক মাসের খরচ চালানোর জন্য অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করা হয়। তবে, এই সুযোগকেই জনমোহিনী ঘোষণার মঞ্চ হিসাবে ব্যবহার করতে পারে শাসকদল। বিশেষ করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, বার্ধক্য ভাতা বা কৃষকদের জন্য নতুন কোনও বড় ঘোষণা আসে কিনা, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
এখনও পর্যন্ত যা খবর, প্রচলিত নিয়ম মেনে রাজ্য সরকারের পক্ষে বাজেট পেশ করবেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তবে, তৃণমূলের অন্দরে অন্য একটি জল্পনাও ঘোরাফেরা করছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করেছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৬-এর লড়াইয়ের আগে এবারও কি মুখ্যমন্ত্রী নিজেই সেই গুরুভার কাঁধে নেবেন? বিধানসভা সচিবালয় এখনই এই সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না।
এর পাশাপাশি, এবারের বাজেট অধিবেশন যে যথেষ্ট উত্তপ্ত হতে চলেছে, তার ইঙ্গিত ইতিমধ্যেই মিলছে। একদিকে শাসকদল যখন উন্নয়নের খতিয়ান ও নতুন প্রকল্পের ফিরিস্তি দিয়ে মানুষের মন জিততে চাইবে, অন্যদিকে নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা ইস্যু নিয়ে সরকারকে চেপে ধরতে মরিয়া হবে বিজেপি তথা বিরোধী শিবির।
কেন এই বাজেট গুরুত্বপূর্ণ?
সব মিলিয়ে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বিধানসভার অলিন্দে যে রাজনীতির পারদ চড়তে চলেছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন