কলকাতা: নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে আই-প্যাক (I-PAC) অফিসে হানা—বাংলায় যখন কেন্দ্রীয় এজেন্সির তৎপরতা তুঙ্গে, তখনই বিস্ফোরক অভিযোগ তুলল প্রদেশ কংগ্রেস। কংগ্রেসের দাবি, আদতে ইডি এবং সিবিআই সক্রিয় হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজনৈতিক সুবিধা পাইয়ে দিতেই। এই অভিযোগ তুলে শনিবার কলকাতার ভবানীপুরে যদুবাবু বাজার এলাকায় কেন্দ্রীয় এজেন্সির কুশপুতুল পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখালেন কংগ্রেস কর্মীরা।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে শামিল হয়ে কংগ্রেস নেতা প্রদীপ প্রসাদ সরাসরি কেন্দ্র সরকারকে নিশানা করেন। তাঁর অভিযোগ, যখনই দেশে কোনো নির্বাচন এগিয়ে আসে, তখনই ইডি ও সিবিআই-কে ময়দানে নামিয়ে দেয় মোদী সরকার। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় এজেন্সি যত তদন্তই করুক না কেন, দিনের শেষে তার ফলাফল বা ‘নেট রেজাল্ট’ কিন্তু শূন্য।”
এদিন প্রদীপ প্রসাদ আরও এক চাঞ্চল্যকর দাবি করেন। তাঁর মতে, সিবিআই পরোক্ষভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই সাহায্য করছে। তিনি অভিযোগ করেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইডি-র হাত থেকে ফাইল এবং নথিপত্র সরিয়ে নিয়ে চলে যাচ্ছেন, অথচ ইডি বা সিবিআই কিছুই করতে পারছে না।” কংগ্রেসের ইঙ্গিত, এই তদন্তগুলি আসলে একটি ‘গট-আপ গেম’, যেখানে বিরোধীদের চাপে ফেলার নাটক চললেও আসল অপরাধীরা অধরাই থেকে যাচ্ছে।
শনিবার দুপুরে ভবানীপুরের যদুবাবু বাজার এলাকায় কংগ্রেস কর্মীরা জড়ো হয়ে ইডি-র কুশপুতুল দাহ করেন। স্লোগান ওঠে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে। আই-প্যাক অফিসে সাম্প্রতিক ইডি হানার প্রসঙ্গ টেনে তাঁরা দাবি করেন, এসবই আসলে নির্বাচনী চমক।
উল্লেখ্য, একদিকে যখন অধীর রঞ্জন চৌধুরী ‘চোর’ ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করছেন, ঠিক তখনই ভবানীপুরে এই বিক্ষোভ স্পষ্ট করে দিল যে, বাংলায় তৃণমূল ও কংগ্রেসের সম্পর্কের তিক্ততা চরমে পৌঁছেছে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন