Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

সিবিএসই বোর্ডে এবার ৩টি ভাষায় পাশ বাধ্যতামূলক! হস্তক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০২৬
সিবিএসই বোর্ডে এবার ৩টি ভাষায় পাশ বাধ্যতামূলক! হস্তক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট
সিবিএসই বোর্ডে এবার ৩টি ভাষায় পাশ বাধ্যতামূলক। ছবি-সংগৃহীত

নয়াদিল্লি : নবম ও দশম শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় বোর্ড সিবিএসই (CBSE)। এবার থেকে দশম শ্রেণির বোর্ডের পরীক্ষায় বসার ছাড়পত্র পেতে হলে দুটি দেশীয় ভাষার পাশাপাশি একটি তৃতীয় ভাষার পরীক্ষাতেও পড়ুয়াদের পাশ করা বাধ্যতামূলক হতে চলেছে। তবে সিবিএসই-র এই নতুন নির্দেশিকাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত গড়িয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালতেও। সিবিএসই-র জারি করা এই নতুন নিয়মকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে একটি পিটিশন দায়ের করা হয়েছিল। সেই মামলার প্রেক্ষিতে আজ, মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের বেঞ্চ একটি বিশেষ নোটিস জারি করেছে। সেখানে স্কুল বোর্ডের এই নির্দেশিকায় ‘দেশীয় ভাষা’ বলতে ঠিক কী বোঝানো হয়েছে, সেই বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছে সর্বোচ্চ আদালত। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সিবিএসই-কে এই নোটিসের জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং আগামী ২২ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

জাতীয় শিক্ষানীতির (NEET) নির্দেশিকা মেনেই নিজেদের পাঠক্রমে এই বড়সড় রদবদল এনেছে সিবিএসই কর্তৃপক্ষ। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, চলতি জুলাই মাসের শুরু থেকেই ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে বাধ্যতামূলক ভাবে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালু করা হচ্ছে। তবে সবচেয়ে বড় বদলটি আসছে নবম ও দশম শ্রেণির ক্ষেত্রে। বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষে যারা দশম শ্রেণির ফাইনাল বোর্ডের পরীক্ষা দেবে, তাদের প্রশ্নপত্রে আলাদা করে তৃতীয় ভাষার কোনও পরীক্ষা থাকবে না। কিন্তু সেই বোর্ডের পরীক্ষায় বসার যোগ্যতা অর্জন করতে হলে নবম ও দশম শ্রেণির অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে বা স্কুলে হওয়া তৃতীয় ভাষার পরীক্ষায় ন্যূনতম পাশ নম্বর পেতেই হবে। এই নিয়মটি মূলত কার্যকর হতে চলেছে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে যারা নবম শ্রেণিতে পড়বে এবং ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষে যারা দশমে উঠবে তাদের জন্য। তবে বর্তমান শিক্ষাবর্ষে যারা দশম শ্রেণির পরীক্ষা দিচ্ছে, তাদের এই নিয়মের আওতার বাইরে রেখে ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পড়ুয়াদের ক্ষেত্রেও কিছু ছাড়ের কথা ভাবছে বোর্ড।

ইংরেজি মাধ্যম স্কুলবোর্ডের এই নতুন ফতোয়া সামনে আসার পর থেকেই অভিভাবক মহলে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। অভিভাবকদের একাংশের দাবি, নবম ও দশম শ্রেণিতে এমনিতেই বোর্ডের পরীক্ষার সিলেবাস ও প্রস্তুতির পাহাড়প্রমাণ চাপ থাকে পড়ুয়াদের ওপর। তার ওপর আরও একটি অতিরিক্ত ভাষা শেখা ও তাতে পাশ করার এই আইনি বাধ্যবাধকতা পড়ুয়াদের মানসিক চাপ বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। এই টানাপোড়েনের মাঝেই এবার খোদ সুপ্রিম কোর্ট সিবিএসই-র কাছ থেকে ভাষার এই নতুন নিয়মের আইনি ও লজিক্যাল ব্যাখ্যা চাওয়ায় গোটা বিষয়টি এখন আদালতের বিচারাধীন। আগামী ২২ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে এই নিয়মের ভবিষ্যৎ কোন দিকে ঘোরে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে দেশের শিক্ষা মহল ও কোটি কোটি পড়ুয়া।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : HiddenStoriesNews CBSEBoardExams SupremeCourtNotice ThreeLanguageFormula EducationNewsIndia SchoolCurriculum

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬


সিবিএসই বোর্ডে এবার ৩টি ভাষায় পাশ বাধ্যতামূলক! হস্তক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি : নবম ও দশম শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় বোর্ড সিবিএসই (CBSE)। এবার থেকে দশম শ্রেণির বোর্ডের পরীক্ষায় বসার ছাড়পত্র পেতে হলে দুটি দেশীয় ভাষার পাশাপাশি একটি তৃতীয় ভাষার পরীক্ষাতেও পড়ুয়াদের পাশ করা বাধ্যতামূলক হতে চলেছে। তবে সিবিএসই-র এই নতুন নির্দেশিকাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত গড়িয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালতেও। সিবিএসই-র জারি করা এই নতুন নিয়মকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে একটি পিটিশন দায়ের করা হয়েছিল। সেই মামলার প্রেক্ষিতে আজ, মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের বেঞ্চ একটি বিশেষ নোটিস জারি করেছে। সেখানে স্কুল বোর্ডের এই নির্দেশিকায় ‘দেশীয় ভাষা’ বলতে ঠিক কী বোঝানো হয়েছে, সেই বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছে সর্বোচ্চ আদালত। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সিবিএসই-কে এই নোটিসের জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং আগামী ২২ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।জাতীয় শিক্ষানীতির (NEET) নির্দেশিকা মেনেই নিজেদের পাঠক্রমে এই বড়সড় রদবদল এনেছে সিবিএসই কর্তৃপক্ষ। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, চলতি জুলাই মাসের শুরু থেকেই ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে বাধ্যতামূলক ভাবে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালু করা হচ্ছে। তবে সবচেয়ে বড় বদলটি আসছে নবম ও দশম শ্রেণির ক্ষেত্রে। বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষে যারা দশম শ্রেণির ফাইনাল বোর্ডের পরীক্ষা দেবে, তাদের প্রশ্নপত্রে আলাদা করে তৃতীয় ভাষার কোনও পরীক্ষা থাকবে না। কিন্তু সেই বোর্ডের পরীক্ষায় বসার যোগ্যতা অর্জন করতে হলে নবম ও দশম শ্রেণির অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে বা স্কুলে হওয়া তৃতীয় ভাষার পরীক্ষায় ন্যূনতম পাশ নম্বর পেতেই হবে। এই নিয়মটি মূলত কার্যকর হতে চলেছে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে যারা নবম শ্রেণিতে পড়বে এবং ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষে যারা দশমে উঠবে তাদের জন্য। তবে বর্তমান শিক্ষাবর্ষে যারা দশম শ্রেণির পরীক্ষা দিচ্ছে, তাদের এই নিয়মের আওতার বাইরে রেখে ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পড়ুয়াদের ক্ষেত্রেও কিছু ছাড়ের কথা ভাবছে বোর্ড।ইংরেজি মাধ্যম স্কুলবোর্ডের এই নতুন ফতোয়া সামনে আসার পর থেকেই অভিভাবক মহলে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। অভিভাবকদের একাংশের দাবি, নবম ও দশম শ্রেণিতে এমনিতেই বোর্ডের পরীক্ষার সিলেবাস ও প্রস্তুতির পাহাড়প্রমাণ চাপ থাকে পড়ুয়াদের ওপর। তার ওপর আরও একটি অতিরিক্ত ভাষা শেখা ও তাতে পাশ করার এই আইনি বাধ্যবাধকতা পড়ুয়াদের মানসিক চাপ বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। এই টানাপোড়েনের মাঝেই এবার খোদ সুপ্রিম কোর্ট সিবিএসই-র কাছ থেকে ভাষার এই নতুন নিয়মের আইনি ও লজিক্যাল ব্যাখ্যা চাওয়ায় গোটা বিষয়টি এখন আদালতের বিচারাধীন। আগামী ২২ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে এই নিয়মের ভবিষ্যৎ কোন দিকে ঘোরে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে দেশের শিক্ষা মহল ও কোটি কোটি পড়ুয়া।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার