বৃষ্টিভেজা সকালেই পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে আচমকা পরিদর্শনে গিয়ে এফসিআই গোডাউনের চালের গুণমান নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া। ওড়গ্রামের এফসিআই গোডাউনে বিভিন্ন বস্তা খুলে চাল পরীক্ষা করে বেশ কিছু চালকে খাবারের অনুপযুক্ত বলে মনে হয় তাঁর। কয়েকটি বস্তার চাল থেকে দুর্গন্ধও পাওয়া যায় বলে অভিযোগ।
অনুপ্রবেশ রুখতে কেন্দ্রের কড়া পদক্ষেপ, শুভেন্দুর মুর্শিদাবাদ সফর নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অধীর
ঘটনাস্থলেই খাদ্য দপ্তরের আধিকারিকদের ওই চাল না পাঠানোর নির্দেশ দেন মন্ত্রী। পাশাপাশি, একাধিক বস্তা থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য রাজ্যের ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। গোডাউন পরিদর্শনের পর কুরমুন এলাকার একটি রেশন ডিলারের দোকানেও যান খাদ্যমন্ত্রী। সেখানে স্টক খতিয়ে দেখতে গিয়ে চাল ও গমের বস্তার হিসাবের সঙ্গে নথির গরমিল ধরা পড়ে বলে অভিযোগ। যদিও রেশন ডিলার অসুস্থ থাকায় তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী।
এদিন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ মন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করেন, অতীতে রাজনৈতিক কারণে তাঁদের রেশন কার্ড আটকে রাখা হয়েছিল এবং কয়েক মাস রেশন পাননি তাঁরা। অভিযোগ শুনে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন খাদ্যমন্ত্রী। এছাড়াও, নিম্নমানের রেশন সামগ্রী বিতরণের অভিযোগও ওঠে। সব অভিযোগ শুনে অশোক কীর্তনীয়া স্পষ্ট জানিয়ে দেন, মানুষের খাবারের সঙ্গে কোনওরকম আপস করা হবে না। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “কিছু বস্তার চাল নষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে মনে হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট এলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের সরকারের নীতি জিরো টলারেন্স।” একইসঙ্গে তিনি জানান, কৃষকদের কাছ থেকে সহায়ক মূল্যে ধান কেনা, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমানো এবং রাইস মিলগুলিতে সঠিক প্রক্রিয়ায় চাল বণ্টন নিশ্চিত করার দিকেও সরকার নজর দিচ্ছে।

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন