Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

দু'দিন পরেও চলছে উদ্ধার অভিযান, ধ্বংসস্তূপে এখনও চলছে প্রাণের খোঁজ

 দু'দিন পরেও চলছে উদ্ধার অভিযান, ধ্বংসস্তূপে এখনও চলছে প্রাণের খোঁজ
ছবি সংগৃহীত

তারাতলার বি-২ ট্রান্সপোর্ট ডিপো রোডের গুদাম বিপর্যয়ের প্রায় দু'দিন পরেও অব্যাহত উদ্ধার অভিযান। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে এখনও আটকে পড়াদের খোঁজে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে NDRF, দমকল ও অন্যান্য উদ্ধারকারী দল। শুক্রবার সকালে আরও দু'জনের মৃত্যু হওয়ায় এই দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫। এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে বেশ কয়েকজন শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

'ভুল করেছি, প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে'

সরকারি সূত্রের খবর, বুধবার থেকে শুরু হওয়া উদ্ধার অভিযানে এখনও পর্যন্ত ৩৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে নিখোঁজ শ্রমিকদের পরিবারের দাবি, আরও অনেকে এখনও ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে রয়েছেন। শুক্রবার ভোরে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় মন্নু কুমার (১৯) এবং সাহিল সর্দার (১৯)-এর। বিহারের মুঙ্গের থেকে কাজের সূত্রে কলকাতায় এসেছিলেন মন্নু। বুধবার ধ্বংসস্তূপ থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হলেও, অস্ত্রোপচারের পরও শেষরক্ষা হয়নি। এর আগেই একই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন তাঁর ভাই ঘি কুমার। তাঁদের বাবা এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ দিনই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে গণেশ কালিন্দী (৪৫)-রও। এখনও পর্যন্ত মৃতদের মধ্যে রয়েছেন কৃষ্ণ চৌধুরী, রোহিত চৌধুরী, রাহুল চৌধুরী, চন্দ্রমা চৌধুরী, পাপ্পু রজক, আসগর হোসেন, সাহিল সর্দার, ঘি কুমার, হাসান ইমাম, গণেশ কালিন্দী, নবীন সিং, মন্নু কুমার ও স্বপন মণ্ডল। এছাড়াও আরও দু'টি দেহের পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি।


এদিকে উদ্ধারকাজে গতি আনতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিচ্ছে NDRF। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে জীবিত কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা খুঁজতে ব্যবহার করা হচ্ছে থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা এবং ইনফ্রারেড লাইফ ডিটেক্টর। এই যন্ত্রের মাধ্যমে শরীরের তাপমাত্রা শনাক্ত করে আটকে থাকা ব্যক্তির সঠিক অবস্থান নির্ণয় করা হচ্ছে। এরপর লোহার বিম কেটে দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে। এছাড়াও রেলের অক্সি-গ্যাস কাটারের সাহায্যে বিশাল লোহার বিম কেটে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছে। উদ্ধারকারী দলের আশা, এই প্রযুক্তির সাহায্যে যদি কেউ এখনও জীবিত অবস্থায় আটকে থাকেন, তবে তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

বিষয় : sskm rescueoperation TARATALA disasterupdate

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬


দু'দিন পরেও চলছে উদ্ধার অভিযান, ধ্বংসস্তূপে এখনও চলছে প্রাণের খোঁজ

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬

featured Image
তারাতলার বি-২ ট্রান্সপোর্ট ডিপো রোডের গুদাম বিপর্যয়ের প্রায় দু'দিন পরেও অব্যাহত উদ্ধার অভিযান। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে এখনও আটকে পড়াদের খোঁজে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে NDRF, দমকল ও অন্যান্য উদ্ধারকারী দল। শুক্রবার সকালে আরও দু'জনের মৃত্যু হওয়ায় এই দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫। এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে বেশ কয়েকজন শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।'ভুল করেছি, প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে'সরকারি সূত্রের খবর, বুধবার থেকে শুরু হওয়া উদ্ধার অভিযানে এখনও পর্যন্ত ৩৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে নিখোঁজ শ্রমিকদের পরিবারের দাবি, আরও অনেকে এখনও ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে রয়েছেন। শুক্রবার ভোরে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় মন্নু কুমার (১৯) এবং সাহিল সর্দার (১৯)-এর। বিহারের মুঙ্গের থেকে কাজের সূত্রে কলকাতায় এসেছিলেন মন্নু। বুধবার ধ্বংসস্তূপ থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হলেও, অস্ত্রোপচারের পরও শেষরক্ষা হয়নি। এর আগেই একই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন তাঁর ভাই ঘি কুমার। তাঁদের বাবা এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ দিনই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে গণেশ কালিন্দী (৪৫)-রও। এখনও পর্যন্ত মৃতদের মধ্যে রয়েছেন কৃষ্ণ চৌধুরী, রোহিত চৌধুরী, রাহুল চৌধুরী, চন্দ্রমা চৌধুরী, পাপ্পু রজক, আসগর হোসেন, সাহিল সর্দার, ঘি কুমার, হাসান ইমাম, গণেশ কালিন্দী, নবীন সিং, মন্নু কুমার ও স্বপন মণ্ডল। এছাড়াও আরও দু'টি দেহের পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি।এদিকে উদ্ধারকাজে গতি আনতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিচ্ছে NDRF। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে জীবিত কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা খুঁজতে ব্যবহার করা হচ্ছে থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা এবং ইনফ্রারেড লাইফ ডিটেক্টর। এই যন্ত্রের মাধ্যমে শরীরের তাপমাত্রা শনাক্ত করে আটকে থাকা ব্যক্তির সঠিক অবস্থান নির্ণয় করা হচ্ছে। এরপর লোহার বিম কেটে দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে। এছাড়াও রেলের অক্সি-গ্যাস কাটারের সাহায্যে বিশাল লোহার বিম কেটে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছে। উদ্ধারকারী দলের আশা, এই প্রযুক্তির সাহায্যে যদি কেউ এখনও জীবিত অবস্থায় আটকে থাকেন, তবে তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার