Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

চিংড়ি কারখানায় সাক্ষাৎ গ্যাস চেম্বার! হু হু করে ছড়াল বিষাক্ত অ্যামোনিয়া, মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন ৭ জন

চিংড়ি কারখানায় সাক্ষাৎ গ্যাস চেম্বার! হু হু করে ছড়াল বিষাক্ত অ্যামোনিয়া, মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন ৭ জন
ছবি সংগৃহীত

তিরুভাল্লুর: রবিবার দুপুরে এক হাড়হিম করা গ্যাস দুর্ঘটনার সাক্ষী থাকল তামিলনাড়ু। জেলার পেরিয়াপালায়মের কাছে কানিগাইপেয়ার গ্রামের একটি নামী চিংড়ি প্রক্রিয়াকরণ ও রফতানি কারখানায় আচমকাই ফেটে যায় অ্যামোনিয়া গ্যাসের পাইপলাইন। মুহূর্তের মধ্যে গোটা কারখানা যেন এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়। বাতাসে বিষাক্ত গ্যাসের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে নিশ্বাস নেওয়ার জায়গা ছিল না। একের পর এক শ্রমিক জ্ঞান হারিয়ে মেঝেতে লুটিয়ে পড়তে থাকেন। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় বিষাক্ত গ্যাসের ছোবলে প্রাণ হারিয়েছেন ৭ জন মহিলা শ্রমিক। এছাড়াও আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালের আইসিইউ-তে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন ৬০ জনেরও বেশি মানুষ, ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।


‘সেন্ট পিটার্স পল সি-ফুডস এক্সপোর্টস’ নামের ওই কারখানায় গ্যাস লিকের ঘটনার তীব্রতা আঁচ করেই গোটা তিরুভাল্লুর জেলা জুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করে প্রশাসন। কারখানার ভেতরে আটকদের উদ্ধার করতে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষ পর্যন্ত চেন্নাই ও আরাকোনাম থেকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ময়দানে নামানো হয় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী বা এনডিআরএফ (NDRF)-এর চতুর্থ ব্যাটালিয়নের বিশেষ ৩০ সদস্যের একটি দলকে। সাধারণ মানুষের পক্ষে ওই বিষাক্ত বাতাসে ঢোকা অসম্ভব হওয়ায়, এনডিআরএফ জওয়ানরা বিশেষ পার্সোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট (PPE) কিট, গ্যাস ডিটেকশন ডিভাইস এবং অত্যাধুনিক সিবিআরএন (CBRN) রেসকিউ গিয়ার পরে কারখানার ভেতরে প্রবেশ করেন।


সরকারি বাসের মারণ ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন ৪ প্রাণ


বর্তমানে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর বিশেষ রাসায়নিক দল বাতাস থেকে বিষাক্ত গ্যাসের প্রভাব মুক্ত করতে এবং কারখানার ভেতরে রাসায়নিকের উৎস বন্ধ করতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে। কারখানার প্রতিটি কোণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে যাতে আর কোনও শ্রমিক ভেতরে আটকে না থাকেন। জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পুরো পরিস্থিতির তদারকি করছেন। এদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাকি ৬০ জনেরও বেশি শ্রমিকের অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক হওয়ায় চিকিৎসকদের একটি বিশেষ দল তাঁদের ওপর কড়া নজর রাখছে। উইকএন্ডের দুপুরে এই আকস্মিক ও মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় গোটা এলাকায় নেমে এসেছে তীব্র শোকের ছায়া, কারখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও উঠছে বড়সড় প্রশ্ন।

বিষয় : tamilnadugasleak ammonialleeak ndrf industrialaccident

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ২১ জুন ২০২৬


চিংড়ি কারখানায় সাক্ষাৎ গ্যাস চেম্বার! হু হু করে ছড়াল বিষাক্ত অ্যামোনিয়া, মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন ৭ জন

প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬

featured Image
তিরুভাল্লুর: রবিবার দুপুরে এক হাড়হিম করা গ্যাস দুর্ঘটনার সাক্ষী থাকল তামিলনাড়ু। জেলার পেরিয়াপালায়মের কাছে কানিগাইপেয়ার গ্রামের একটি নামী চিংড়ি প্রক্রিয়াকরণ ও রফতানি কারখানায় আচমকাই ফেটে যায় অ্যামোনিয়া গ্যাসের পাইপলাইন। মুহূর্তের মধ্যে গোটা কারখানা যেন এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়। বাতাসে বিষাক্ত গ্যাসের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে নিশ্বাস নেওয়ার জায়গা ছিল না। একের পর এক শ্রমিক জ্ঞান হারিয়ে মেঝেতে লুটিয়ে পড়তে থাকেন। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় বিষাক্ত গ্যাসের ছোবলে প্রাণ হারিয়েছেন ৭ জন মহিলা শ্রমিক। এছাড়াও আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালের আইসিইউ-তে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন ৬০ জনেরও বেশি মানুষ, ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।‘সেন্ট পিটার্স পল সি-ফুডস এক্সপোর্টস’ নামের ওই কারখানায় গ্যাস লিকের ঘটনার তীব্রতা আঁচ করেই গোটা তিরুভাল্লুর জেলা জুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করে প্রশাসন। কারখানার ভেতরে আটকদের উদ্ধার করতে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষ পর্যন্ত চেন্নাই ও আরাকোনাম থেকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ময়দানে নামানো হয় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী বা এনডিআরএফ (NDRF)-এর চতুর্থ ব্যাটালিয়নের বিশেষ ৩০ সদস্যের একটি দলকে। সাধারণ মানুষের পক্ষে ওই বিষাক্ত বাতাসে ঢোকা অসম্ভব হওয়ায়, এনডিআরএফ জওয়ানরা বিশেষ পার্সোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট (PPE) কিট, গ্যাস ডিটেকশন ডিভাইস এবং অত্যাধুনিক সিবিআরএন (CBRN) রেসকিউ গিয়ার পরে কারখানার ভেতরে প্রবেশ করেন।সরকারি বাসের মারণ ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন ৪ প্রাণবর্তমানে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর বিশেষ রাসায়নিক দল বাতাস থেকে বিষাক্ত গ্যাসের প্রভাব মুক্ত করতে এবং কারখানার ভেতরে রাসায়নিকের উৎস বন্ধ করতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে। কারখানার প্রতিটি কোণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে যাতে আর কোনও শ্রমিক ভেতরে আটকে না থাকেন। জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পুরো পরিস্থিতির তদারকি করছেন। এদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাকি ৬০ জনেরও বেশি শ্রমিকের অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক হওয়ায় চিকিৎসকদের একটি বিশেষ দল তাঁদের ওপর কড়া নজর রাখছে। উইকএন্ডের দুপুরে এই আকস্মিক ও মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় গোটা এলাকায় নেমে এসেছে তীব্র শোকের ছায়া, কারখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও উঠছে বড়সড় প্রশ্ন।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার