তৃণমূলের অন্দরে যখন ভাঙন ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন চরমে, তখনই চাটার্ড বিমানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। শুক্রবার এই ইস্যুতে প্রকাশ্যে মন্তব্য করে দলের অন্দরের অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে দিলেন তৃণমূল বিধায়ক তথা কলকাতা উত্তর জেলা সভাপতি কুণাল ঘোষ।
সূত্রের খবর, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে বৈঠকের জন্য দিল্লি গিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদ্রোহী সাংসদদের ভবিষ্যৎ ও সংসদীয় সমীকরণ নিয়ে এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে অভিষেকের এই সফরে চাটার্ড বিমান ব্যবহারের খবর সামনে আসতেই শুরু হয়েছে জল্পনা। বিধানসভায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চাটার্ড বিমানে গিয়েছেন কি না, তা আমি নিশ্চিত নই। তবে যদি তিনি চাটার্ড বিমানে গিয়ে থাকেন এবং সেই খরচ দলের তহবিল থেকে হয়ে থাকে, তাহলে দলীয় কর্মী হিসেবে আমি তা সমর্থন করি না।” এখানেই থেমে থাকেননি কুণাল। তিনি আরও বলেন, “যদি তিনি অন্য কারও চাটার্ড বিমানে সহযাত্রী হিসেবে গিয়ে থাকেন, তাহলে সে বিষয়ে আমাদের কিছু বলার নেই।”
রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ভোটে তৃণমূলের খারাপ ফলের জন্য ইতিমধ্যেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করছেন দলের একাংশ। সেই আবহে কুণাল ঘোষের এই মন্তব্য নতুন করে জল্পনা উসকে দিল। একসময় অভিষেককে ‘সেনাপতি’ বলে উল্লেখ করা কুণালের এই অবস্থান তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন