Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Shamik Bhattacharya: ‘তৃণমূলের দলবদলুদের টিকিট নয়!’ পুরভোটে টিকিট বণ্টন নিয়ে কী বললেন বিজেপি সভাপতি শমীক?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
Shamik Bhattacharya: ‘তৃণমূলের দলবদলুদের টিকিট নয়!’ পুরভোটে টিকিট বণ্টন নিয়ে কী বললেন বিজেপি সভাপতি শমীক?
পুরভোটের প্রার্থী নিয়ে কী বললেন শমীক ভট্টাচার্য ? ফাইল ছবি

কলকাতা: রাজ্যে বিধানসভা ভোটের পট পরিবর্তনের পর এবার কলকাতা-সহ রাজ্য রাজনীতিতে বাজতে চলেছে পুরভোটের দামামা। আর পুজো মিটতেই কলকাতার বেশ কিছু হেভিওয়েট তৃণমূল কাউন্সিলর ও নেত্রীর গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার জল্পনা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। 

অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবলীনা বিশ্বাস ও জুঁই বিশ্বাসের মতো তৃণমূল নেত্রীদের বিজেপিতে আসা নিয়ে যখন রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন, তখনই সেই জল্পনায় জল ঢাললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। পুরভোটে টিকিট বণ্টন নিয়ে দলবদলুদের স্পষ্ট বার্তা দিয়ে তিনি শোনালেন তাঁর আলোচিত ‘জামা ও মানুষের তত্ত্ব’। শমীক সাফ জানিয়ে দিলেন, শাসকদল থেকে বিজেপি-তে যোগ দিলেও তৃণমূলের কোনও কাউন্সিলরকে পুরভোটে টিকিট দেবে না পদ্মশিবির।

বৃহস্পতিবার কাশিপুর-বেলগাছিয়ার বিজেপি বিধায়ক রীতেশ তিওয়ারির সঙ্গে টালা প্রত্যয়ের পুজো মণ্ডপে যান বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সেখানে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল নেত্রীদের দলবদল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করে বিজেপিকে ক্ষমতায় এনেছে। মানুষ কেবল জামা পরিবর্তনের জন্য ভোট দেননি, জামার ভিতরের মানুষটার পরিবর্তনের জন্য ভোট দিয়েছেন।” 

নাম ভাসতে থাকা তৃণমূল নেত্রীদের কটাক্ষের সুরে তিনি বিজয়ার শুভেচ্ছা জানান। রাজনীতিতে শমীকের নীতিগত অবস্থান, ‘দলের তৃণমূলীকরণ রোধ করা’। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশ প্রশ্ন তুলছেন, দলবদলের ক্ষেত্রে বিজেপির কেন্দ্রীয় নীতির সামনে শমীকের এই কঠোর অবস্থান বাস্তবে কতটা টিকে থাকবে? বিশেষ করে সম্প্রতি তৃণমূলের টিকিটে জিতে রাজ্যসভায় যাওয়া চার সাংসদ পদত্যাগ করে বিজেপির টিকিটে পুনরায় রাজ্যসভায় পৌঁছানোর উদাহরণকে টেনে এই দ্বিমুখী নীতির প্রশ্ন উঠছে।

অন্যদিকে, শমীকের এই জামা-মানুষের তত্ত্বকে তীব্র ভাষায় বিন্ধেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, “শমীকবাবু যা বলছেন আর তাঁর দল বিজেপি যা করছে, তা পুরো উল্টো। হয় তিনি জেনেশুনে বিজেপির অনৈতিক কাজ থেকে নিজেকে দূরে রাখছেন, নয়তো দলে তাঁর কথা কেউ শুনছে না।” 

একই সঙ্গে কুণাল খোঁচা দিয়ে যোগ করেন, তৃণমূল থেকে লোক না-নিলে কলকাতার ২০৯টি ওয়ার্ডে বিজেপি প্রার্থীই খুঁজে পাবে না। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পুরসভার ভোট ঘোষণা না হলেও, টিকিট প্রদান ও দলবদলকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মনস্তাত্ত্বিক লড়াই ইতিমধ্যেই এক অন্য মাত্রা পেয়েছে।

বিষয় : #KMCElection #BJPWestBengal #ShamikBhattacharya #TrinamoolCongress #KolkataPolitics #KunalGhosh #WestBengalNews #ViralNews #HiddenStoriesNews

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬


Shamik Bhattacharya: ‘তৃণমূলের দলবদলুদের টিকিট নয়!’ পুরভোটে টিকিট বণ্টন নিয়ে কী বললেন বিজেপি সভাপতি শমীক?

প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
কলকাতা: রাজ্যে বিধানসভা ভোটের পট পরিবর্তনের পর এবার কলকাতা-সহ রাজ্য রাজনীতিতে বাজতে চলেছে পুরভোটের দামামা। আর পুজো মিটতেই কলকাতার বেশ কিছু হেভিওয়েট তৃণমূল কাউন্সিলর ও নেত্রীর গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার জল্পনা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবলীনা বিশ্বাস ও জুঁই বিশ্বাসের মতো তৃণমূল নেত্রীদের বিজেপিতে আসা নিয়ে যখন রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন, তখনই সেই জল্পনায় জল ঢাললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। পুরভোটে টিকিট বণ্টন নিয়ে দলবদলুদের স্পষ্ট বার্তা দিয়ে তিনি শোনালেন তাঁর আলোচিত ‘জামা ও মানুষের তত্ত্ব’। শমীক সাফ জানিয়ে দিলেন, শাসকদল থেকে বিজেপি-তে যোগ দিলেও তৃণমূলের কোনও কাউন্সিলরকে পুরভোটে টিকিট দেবে না পদ্মশিবির।বৃহস্পতিবার কাশিপুর-বেলগাছিয়ার বিজেপি বিধায়ক রীতেশ তিওয়ারির সঙ্গে টালা প্রত্যয়ের পুজো মণ্ডপে যান বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সেখানে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল নেত্রীদের দলবদল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করে বিজেপিকে ক্ষমতায় এনেছে। মানুষ কেবল জামা পরিবর্তনের জন্য ভোট দেননি, জামার ভিতরের মানুষটার পরিবর্তনের জন্য ভোট দিয়েছেন।” নাম ভাসতে থাকা তৃণমূল নেত্রীদের কটাক্ষের সুরে তিনি বিজয়ার শুভেচ্ছা জানান। রাজনীতিতে শমীকের নীতিগত অবস্থান, ‘দলের তৃণমূলীকরণ রোধ করা’। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশ প্রশ্ন তুলছেন, দলবদলের ক্ষেত্রে বিজেপির কেন্দ্রীয় নীতির সামনে শমীকের এই কঠোর অবস্থান বাস্তবে কতটা টিকে থাকবে? বিশেষ করে সম্প্রতি তৃণমূলের টিকিটে জিতে রাজ্যসভায় যাওয়া চার সাংসদ পদত্যাগ করে বিজেপির টিকিটে পুনরায় রাজ্যসভায় পৌঁছানোর উদাহরণকে টেনে এই দ্বিমুখী নীতির প্রশ্ন উঠছে।অন্যদিকে, শমীকের এই জামা-মানুষের তত্ত্বকে তীব্র ভাষায় বিন্ধেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, “শমীকবাবু যা বলছেন আর তাঁর দল বিজেপি যা করছে, তা পুরো উল্টো। হয় তিনি জেনেশুনে বিজেপির অনৈতিক কাজ থেকে নিজেকে দূরে রাখছেন, নয়তো দলে তাঁর কথা কেউ শুনছে না।” একই সঙ্গে কুণাল খোঁচা দিয়ে যোগ করেন, তৃণমূল থেকে লোক না-নিলে কলকাতার ২০৯টি ওয়ার্ডে বিজেপি প্রার্থীই খুঁজে পাবে না। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পুরসভার ভোট ঘোষণা না হলেও, টিকিট প্রদান ও দলবদলকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মনস্তাত্ত্বিক লড়াই ইতিমধ্যেই এক অন্য মাত্রা পেয়েছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত