Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Chorbagan Tragedy: গ্রেফতারির পর ফেসবুক থেকে পোস্ট! চোরবাগান কাণ্ডে ঘোষক কুশলের রহস্যময় স্বীকারোক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬
Chorbagan Tragedy: গ্রেফতারির পর ফেসবুক থেকে পোস্ট! চোরবাগান কাণ্ডে ঘোষক কুশলের রহস্যময় স্বীকারোক্তি
চোরবাগান কাণ্ডে ঘোষক কুশলের রহস্যময় স্বীকারোক্তি। ছবি-এআই

কলকাতা: চোরবাগান দুর্গোৎসবের মর্মান্তিক বিপর্যয়ের তদন্তে এবার নজিরবিহীন ও রহস্যময় মোড়। যে ভুয়ো ঘোষণার জেরে মণ্ডপের ভেতরে চরম আতঙ্ক ও ভয়াবহ পদপিষ্টের ঘটনা ঘটেছিল, সেই অভিযোগে শুক্রবার সকালে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন দ্বিতীয় ঘোষক কুশল মজুমদার। তবে তাজ্জব করার মতো বিষয় হলো, তিনি গ্রেফতার হওয়ার পরও তাঁর নিজস্ব ফেসবুক পেজ থেকে পরপর বেশ কয়েকটি পোস্ট সামনে এসেছে। সেই পোস্টে এক হাতে লেখা চিঠির মাধ্যমে কুশল দাবি করেছেন, ঠিক কী পরিস্থিতিতে এবং কার নির্দেশে তিনি ‘মণ্ডপ ভেঙে পড়ছে’ বলে ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছিলেন।

ফেসবুকে পোস্ট করা সেই নোটে কুশল নিজেকে বিগত ২০ বছর ধরে চোরবাগানের পুজোর সাথে যুক্ত বলে দাবি করেন এবং সপ্তমীর ভয়াবহ ঘটনার জন্য ক্লাবের প্রতিনিধি হিসেবে সকলের কাছে ক্ষমা চান। তাঁর দাবি অনুযায়ী, ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই ক্লাবে গিরিশ পার্ক থানার পুলিশ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। ঠিক সেই সময় ক্লাবের সম্পাদকের ছেলে কবির এসে জানায় যে, মণ্ডপের পেছনের অংশ ভেঙে পড়েছে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পুলিশের এক আধিকারিক তাঁকে মাইকিং করার নির্দেশ দেন। কুশল জানান, মূল ঘোষককে দেখতে না পেয়ে পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও বাধ্য হয়েই তিনি মাইক হাতে নেন। কবিরের কথা বিশ্বাস করেই তিনি মণ্ডপের প্রবেশপথ বন্ধ করতে এবং ভিত আলগা হয়ে যাওয়ার সতর্কবার্তা দিতে মাইকে ওই ঘোষণা করেছিলেন। তবে এতে তাঁর কোনো খারাপ উদ্দেশ্য ছিল না বলেই তিনি দাবি করেছেন।


এদিকে, পুলিশি হেফাজতে থাকার পর কীভাবে একজন আসামির সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে এমন পোস্ট বের হচ্ছে, তা নিয়ে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে। যদিও পুলিশের একটি সূত্র স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, হেয়ার স্ট্রিট থানায় আত্মসমর্পণের পর কুশলের মোবাইল ফোন ব্যবহার বা পোস্ট করার কোনো সুযোগই ছিল না। প্রাথমিক ধারণা, তাঁর কোনো পরিচিত ব্যক্তি বা পরিবারের সদস্য অ্যাকাউন্টটি ব্যবহার করে এই চিঠিটি পোস্ট করেছেন।

ইতিমধ্যেই সোশ্যালে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ফুটেজে দেখা গেছে, গ্রিলে ঘেরা জায়গায় দর্শনার্থীরা লুটিয়ে পড়েছেন এবং সেই চরম বিশৃঙ্খলার মাঝেই ভেসে আসছে 'মণ্ডপ ভেঙে যাচ্ছে' বলে আতঙ্কের চিৎকার। সিসিটিভি ফুটেজেও এই ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে। প্রথম অভিযুক্ত সঞ্জীব রাহা ওরফে সেন্টুর পর এবার কুশলের এই চাঞ্চল্যকর ফেসবুক বার্তা তদন্তের মুখ নতুন দিকে ঘুরিয়ে দেয় কি না, সেদিকেই এখন নজর গোয়েন্দাদের।

বিষয় : chorbagan tragedy kolkata stampede kushal majumder

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬


Chorbagan Tragedy: গ্রেফতারির পর ফেসবুক থেকে পোস্ট! চোরবাগান কাণ্ডে ঘোষক কুশলের রহস্যময় স্বীকারোক্তি

প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
কলকাতা: চোরবাগান দুর্গোৎসবের মর্মান্তিক বিপর্যয়ের তদন্তে এবার নজিরবিহীন ও রহস্যময় মোড়। যে ভুয়ো ঘোষণার জেরে মণ্ডপের ভেতরে চরম আতঙ্ক ও ভয়াবহ পদপিষ্টের ঘটনা ঘটেছিল, সেই অভিযোগে শুক্রবার সকালে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন দ্বিতীয় ঘোষক কুশল মজুমদার। তবে তাজ্জব করার মতো বিষয় হলো, তিনি গ্রেফতার হওয়ার পরও তাঁর নিজস্ব ফেসবুক পেজ থেকে পরপর বেশ কয়েকটি পোস্ট সামনে এসেছে। সেই পোস্টে এক হাতে লেখা চিঠির মাধ্যমে কুশল দাবি করেছেন, ঠিক কী পরিস্থিতিতে এবং কার নির্দেশে তিনি ‘মণ্ডপ ভেঙে পড়ছে’ বলে ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছিলেন।ফেসবুকে পোস্ট করা সেই নোটে কুশল নিজেকে বিগত ২০ বছর ধরে চোরবাগানের পুজোর সাথে যুক্ত বলে দাবি করেন এবং সপ্তমীর ভয়াবহ ঘটনার জন্য ক্লাবের প্রতিনিধি হিসেবে সকলের কাছে ক্ষমা চান। তাঁর দাবি অনুযায়ী, ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই ক্লাবে গিরিশ পার্ক থানার পুলিশ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। ঠিক সেই সময় ক্লাবের সম্পাদকের ছেলে কবির এসে জানায় যে, মণ্ডপের পেছনের অংশ ভেঙে পড়েছে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পুলিশের এক আধিকারিক তাঁকে মাইকিং করার নির্দেশ দেন। কুশল জানান, মূল ঘোষককে দেখতে না পেয়ে পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও বাধ্য হয়েই তিনি মাইক হাতে নেন। কবিরের কথা বিশ্বাস করেই তিনি মণ্ডপের প্রবেশপথ বন্ধ করতে এবং ভিত আলগা হয়ে যাওয়ার সতর্কবার্তা দিতে মাইকে ওই ঘোষণা করেছিলেন। তবে এতে তাঁর কোনো খারাপ উদ্দেশ্য ছিল না বলেই তিনি দাবি করেছেন।এদিকে, পুলিশি হেফাজতে থাকার পর কীভাবে একজন আসামির সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে এমন পোস্ট বের হচ্ছে, তা নিয়ে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে। যদিও পুলিশের একটি সূত্র স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, হেয়ার স্ট্রিট থানায় আত্মসমর্পণের পর কুশলের মোবাইল ফোন ব্যবহার বা পোস্ট করার কোনো সুযোগই ছিল না। প্রাথমিক ধারণা, তাঁর কোনো পরিচিত ব্যক্তি বা পরিবারের সদস্য অ্যাকাউন্টটি ব্যবহার করে এই চিঠিটি পোস্ট করেছেন।ইতিমধ্যেই সোশ্যালে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ফুটেজে দেখা গেছে, গ্রিলে ঘেরা জায়গায় দর্শনার্থীরা লুটিয়ে পড়েছেন এবং সেই চরম বিশৃঙ্খলার মাঝেই ভেসে আসছে 'মণ্ডপ ভেঙে যাচ্ছে' বলে আতঙ্কের চিৎকার। সিসিটিভি ফুটেজেও এই ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে। প্রথম অভিযুক্ত সঞ্জীব রাহা ওরফে সেন্টুর পর এবার কুশলের এই চাঞ্চল্যকর ফেসবুক বার্তা তদন্তের মুখ নতুন দিকে ঘুরিয়ে দেয় কি না, সেদিকেই এখন নজর গোয়েন্দাদের।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত