Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Chorbagan Incident: উৎসবের ভিড় কীভাবে হয়ে উঠল মৃত্যুফাঁদ? চোরবাগানকাণ্ডে সামনে এল প্রত্যক্ষদর্শীদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
Chorbagan Incident: উৎসবের ভিড় কীভাবে হয়ে উঠল মৃত্যুফাঁদ? চোরবাগানকাণ্ডে সামনে এল প্রত্যক্ষদর্শীদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা
চোরবাগানকাণ্ডে বিস্ফোরক অভিযোগ প্রত্যক্ষদর্শীদের। সংগৃহীত ছবি।

কলকাতা:  আলোর রোশনাই, মণ্ডপে মণ্ডপে মানুষের ভিড় আর তার মাঝেই নেমে এল ভয়াবহ বিপর্যয়। শনিবার সন্ধ্যায় চোরবাগান সর্বজনীনের মণ্ডপে প্রতিমা দর্শনের জন্য উপচে পড়া ভিড় হয়। তারপরই শুরু হয়ে যায় হুড়োহুড়ি। পদপিষ্ট হয়ে একাধিক মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় শহর জুড়ে শোকের ছায়া। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর থেকেই মণ্ডপের ব্যবস্থাপনা, ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে একের পর এক অভিযোগ তুলেছেন প্রত্যক্ষদর্শী ও দর্শনার্থীদের একাংশ।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রথম সপ্তমীর রাতে চোরবাগান সর্বজনীনে দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। সেই সময় বৃষ্টি শুরু হয়। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। প্রতিমা দর্শন সেরে অনেকে যখন মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসছিলেন, তখনই ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন আরও অনেকে। ফলে প্রবেশ ও বেরনোর পথে ভিড় ক্রমশ বাড়তে থাকে। একসময় শুরু হয় ঠেলাঠেলি। ভিড়ের চাপে অনেকে মাটিতে পড়ে যান। তাঁদের উপর দিয়েই অন্য দর্শনার্থীরা এগিয়ে যাওয়ায় পদপিষ্ট হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়।


এই দুর্ঘটনার পর মণ্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন দর্শনার্থীদের একাংশ। এক মহিলার অভিযোগ, মণ্ডপে পুলিশ ছিল না। এমনকি, কোনও অ্যাম্বুল্যান্সের দেখা মেলেনি। শেষ পর্যন্ত স্থানীয় বাসিন্দারাই আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর জন্য উদ্যোগী হন। অ্যাপ-ক্যাবের সাহায্যে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলে জানান তিনি। আর এক দর্শনার্থীর অভিজ্ঞতাও ভয়াবহ। তাঁর দাবি, বৃষ্টির কারণে অনেকেই সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। আচমকাই পিছন দিক থেকে ধাক্কা আসতে শুরু করে। মুহূর্তের মধ্যে একের পর এক মানুষ পড়ে যেতে থাকেন। তাঁর সঙ্গে থাকা তিন বান্ধবীও ভিড়ের নীচে চাপা পড়ে যান। প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট শ্বাস নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল বলে দাবি ওই দর্শনার্থীর। 

পুরো ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। দর্শনার্থীদের অভিযোগ, ঘটনাস্থলের কাছাকাছিই পুলিশ ছিল। কিন্তু প্রয়োজনের সময় পুলিশকর্মীদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। বরং তাঁদের অন্যত্র চলে যেতে দেখা গিয়েছিল বলে অভিযোগ তুলেছেন অনেকে। 

বিষয় : Kolkata Stampede Durga Puja 2026

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


Chorbagan Incident: উৎসবের ভিড় কীভাবে হয়ে উঠল মৃত্যুফাঁদ? চোরবাগানকাণ্ডে সামনে এল প্রত্যক্ষদর্শীদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা

প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
কলকাতা:  আলোর রোশনাই, মণ্ডপে মণ্ডপে মানুষের ভিড় আর তার মাঝেই নেমে এল ভয়াবহ বিপর্যয়। শনিবার সন্ধ্যায় চোরবাগান সর্বজনীনের মণ্ডপে প্রতিমা দর্শনের জন্য উপচে পড়া ভিড় হয়। তারপরই শুরু হয়ে যায় হুড়োহুড়ি। পদপিষ্ট হয়ে একাধিক মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় শহর জুড়ে শোকের ছায়া। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর থেকেই মণ্ডপের ব্যবস্থাপনা, ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে একের পর এক অভিযোগ তুলেছেন প্রত্যক্ষদর্শী ও দর্শনার্থীদের একাংশ।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রথম সপ্তমীর রাতে চোরবাগান সর্বজনীনে দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। সেই সময় বৃষ্টি শুরু হয়। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। প্রতিমা দর্শন সেরে অনেকে যখন মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসছিলেন, তখনই ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন আরও অনেকে। ফলে প্রবেশ ও বেরনোর পথে ভিড় ক্রমশ বাড়তে থাকে। একসময় শুরু হয় ঠেলাঠেলি। ভিড়ের চাপে অনেকে মাটিতে পড়ে যান। তাঁদের উপর দিয়েই অন্য দর্শনার্থীরা এগিয়ে যাওয়ায় পদপিষ্ট হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়।এই দুর্ঘটনার পর মণ্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন দর্শনার্থীদের একাংশ। এক মহিলার অভিযোগ, মণ্ডপে পুলিশ ছিল না। এমনকি, কোনও অ্যাম্বুল্যান্সের দেখা মেলেনি। শেষ পর্যন্ত স্থানীয় বাসিন্দারাই আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর জন্য উদ্যোগী হন। অ্যাপ-ক্যাবের সাহায্যে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলে জানান তিনি। আর এক দর্শনার্থীর অভিজ্ঞতাও ভয়াবহ। তাঁর দাবি, বৃষ্টির কারণে অনেকেই সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। আচমকাই পিছন দিক থেকে ধাক্কা আসতে শুরু করে। মুহূর্তের মধ্যে একের পর এক মানুষ পড়ে যেতে থাকেন। তাঁর সঙ্গে থাকা তিন বান্ধবীও ভিড়ের নীচে চাপা পড়ে যান। প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট শ্বাস নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল বলে দাবি ওই দর্শনার্থীর। পুরো ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। দর্শনার্থীদের অভিযোগ, ঘটনাস্থলের কাছাকাছিই পুলিশ ছিল। কিন্তু প্রয়োজনের সময় পুলিশকর্মীদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। বরং তাঁদের অন্যত্র চলে যেতে দেখা গিয়েছিল বলে অভিযোগ তুলেছেন অনেকে। 

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত