Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ক্ষমতা বদলাতেই পুলিশের ভয়! সপুত্র আদালতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করলেন তৃণমূল সাংসদ মালা রায়!

ক্ষমতা বদলাতেই পুলিশের ভয়! সপুত্র আদালতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করলেন তৃণমূল সাংসদ মালা রায়!
FILE IMAGE

কলকাতা: ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই যেন উলটপুরাণ শুরু হয়েছে! সেই আবহেই এবার ভোট-পরবর্তী হিংসার মামলায় গ্রেফতারির আশঙ্কায় সপুত্র আদালতে গিয়ে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের হেভিওয়েট সাংসদ মালা রায়। বুধবার আলিপুর আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেন সাংসদ এবং তাঁর ছেলে নির্বাণ রায়। আদালত ১ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁদের আগাম জামিন মঞ্জুর করেছে। ক্ষমতা হাতছাড়া হতেই তৃণমূল শিবিরের এই বেহাল দশা রাজনৈতিক মহলে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।


সূত্রের খবর, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের রাতেই কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে গেরুয়া ঝড় আছড়ে পড়ে, যার জেরে মুখ থুবড়ে পড়ে তৃণমূল। অভিযোগ, নির্বাচনের ফল প্রকাশের ওই রাতে কলকাতার টালিগঞ্জ থানা এলাকায় অশান্তির পরিবেশ তৈরি করেন খোদ সাংসদ মালা রায় এবং তাঁর ছেলে নির্বাণ। বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে চড়াও হওয়া এবং হাতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সরাসরি হুমকি দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ ওঠে তাঁদের বিরুদ্ধে। এরপরই অস্ত্র আইনে (Arms Act) সাংসদ মালা রায়ের বিরুদ্ধে কড়া নোটিস জারি করে পুলিশ। সেই মামলাতেই গ্রেফতারি এড়াতে আজ সপুত্র আলিপুর আদালতের দ্বারস্থ হন বর্ষীয়ান এই নেত্রী।


উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয়ের পর রাজ্যজুড়ে ব্যাপক ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ উঠেছিল তৎকালীন শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপির দাবি ছিল, তাদের কর্মী ও সমর্থকদের ঘরবাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি প্রায় ৩২১ জন কর্মীকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছিল! কিন্তু, ২০২৬ সালের নির্বাচনে পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে। এবারের নির্বাচনকে হিংসামুক্ত করতে নির্বাচন কমিশন ছিল অত্যন্ত তৎপর। আর, রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তন হতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বিগত দিনে ভোট-পরবর্তী হিংসায় নিহত বিজেপি কর্মীদের পরিবারের সব দায়িত্ব এখন তাঁর সরকারের।


এমনকী, গত মঙ্গলবার ফলতায় এক নির্বাচনী সভায় গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বড় ঘোষণা করেন, রাজনৈতিক হিংসায় নিহত কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের পাশে দাঁড়াতে তাঁদের সরকারি চাকরি দেওয়া হবে। একদিকে নতুন সরকারের কড়া মনোভাব, অন্যদিকে অস্ত্র আইনের খাঁড়া — সব মিলিয়ে বেগতিক বুঝেই তৃণমূলের হেভিওয়েট সাংসদ তড়িঘড়ি আদালতের শরণাপন্ন হলেন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

বিষয় : WestBengalPolitics suvendu adhikari PostPollViolence MALAROYSURRENDERS AIPORECOURT

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


ক্ষমতা বদলাতেই পুলিশের ভয়! সপুত্র আদালতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করলেন তৃণমূল সাংসদ মালা রায়!

প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬

featured Image
কলকাতা: ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই যেন উলটপুরাণ শুরু হয়েছে! সেই আবহেই এবার ভোট-পরবর্তী হিংসার মামলায় গ্রেফতারির আশঙ্কায় সপুত্র আদালতে গিয়ে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের হেভিওয়েট সাংসদ মালা রায়। বুধবার আলিপুর আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেন সাংসদ এবং তাঁর ছেলে নির্বাণ রায়। আদালত ১ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁদের আগাম জামিন মঞ্জুর করেছে। ক্ষমতা হাতছাড়া হতেই তৃণমূল শিবিরের এই বেহাল দশা রাজনৈতিক মহলে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।সূত্রের খবর, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের রাতেই কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে গেরুয়া ঝড় আছড়ে পড়ে, যার জেরে মুখ থুবড়ে পড়ে তৃণমূল। অভিযোগ, নির্বাচনের ফল প্রকাশের ওই রাতে কলকাতার টালিগঞ্জ থানা এলাকায় অশান্তির পরিবেশ তৈরি করেন খোদ সাংসদ মালা রায় এবং তাঁর ছেলে নির্বাণ। বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে চড়াও হওয়া এবং হাতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সরাসরি হুমকি দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ ওঠে তাঁদের বিরুদ্ধে। এরপরই অস্ত্র আইনে (Arms Act) সাংসদ মালা রায়ের বিরুদ্ধে কড়া নোটিস জারি করে পুলিশ। সেই মামলাতেই গ্রেফতারি এড়াতে আজ সপুত্র আলিপুর আদালতের দ্বারস্থ হন বর্ষীয়ান এই নেত্রী।উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয়ের পর রাজ্যজুড়ে ব্যাপক ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ উঠেছিল তৎকালীন শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপির দাবি ছিল, তাদের কর্মী ও সমর্থকদের ঘরবাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি প্রায় ৩২১ জন কর্মীকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছিল! কিন্তু, ২০২৬ সালের নির্বাচনে পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে। এবারের নির্বাচনকে হিংসামুক্ত করতে নির্বাচন কমিশন ছিল অত্যন্ত তৎপর। আর, রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তন হতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বিগত দিনে ভোট-পরবর্তী হিংসায় নিহত বিজেপি কর্মীদের পরিবারের সব দায়িত্ব এখন তাঁর সরকারের।এমনকী, গত মঙ্গলবার ফলতায় এক নির্বাচনী সভায় গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বড় ঘোষণা করেন, রাজনৈতিক হিংসায় নিহত কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের পাশে দাঁড়াতে তাঁদের সরকারি চাকরি দেওয়া হবে। একদিকে নতুন সরকারের কড়া মনোভাব, অন্যদিকে অস্ত্র আইনের খাঁড়া — সব মিলিয়ে বেগতিক বুঝেই তৃণমূলের হেভিওয়েট সাংসদ তড়িঘড়ি আদালতের শরণাপন্ন হলেন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার