Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

চার দশকের আনুগত্যের এই ‘পুরস্কার’! কালীঘাটের বৈঠকের পর পদ হারিয়ে বিস্ফোরক কাকলি

চার দশকের আনুগত্যের এই ‘পুরস্কার’! কালীঘাটের বৈঠকের পর পদ হারিয়ে বিস্ফোরক কাকলি
ছবি: সংগৃহীত

কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই যেন তৃণমূলের অন্দরের ক্ষোভ ও কোন্দল একে একে প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। এবার লোকসভায় তৃণমূলের সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতক (চিফ হুইপ) পদ থেকে অপসারিত হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ক্ষোভ ও হতাশা উগরে দিলেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বৃহস্পতিবার কালীঘাটে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা দলীয় সাংসদদের বৈঠকেই কাকলিকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় পুরনো মুখ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 


আর এই রদবদলের পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করে কাকলি লিখেছেন, "৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪-তে পথ চলা শুরু। চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।" ছাত্র রাজনীতির জমানা থেকে মমতার ছায়াসঙ্গী হিসেবে থাকা বারাসতের এই সাংসদের এমন পোস্ট দলীয় সুপ্রিমোর প্রতি তাঁর গভীর অনুযোগ ও অভিমানকেই স্পষ্ট করে দিচ্ছে।


উল্লেখ্য, গত বছর অগস্টে কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের সঙ্গে তরজার জেরে শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আচমকাই মুখ্যসচেতকের পদ থেকে ইস্তফা দিলে সেই কুর্সিতে বসানো হয়েছিল কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। কিন্তু এবার কল্যাণ পুরনো পদে ফিরলেও কাকলিকে লোকসভার উপদলনেতা পদেও আর ফেরানো হয়নি, যা বর্তমানে সামলাচ্ছেন শতাব্দী রায়। ফলে লোকসভায় সংসদীয় দলে আপাতত পদহীন হয়ে পড়লেন কাকলি।


 রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভা নির্বাচনে দলের ভরাডুবির পর এমনিতেই অস্বস্তিতে ঘাসফুল শিবির; যেখানে কুণাল ঘোষের মতো নেতারা তাপস রায়, সজল ঘোষদের দল ছাড়তে বাধ্য করার প্রসঙ্গ তুলে ‘আত্মবিশ্লেষণ’-এর দাবি তুলছেন। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটের বৈঠক থেকে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের দুর্দিনে সবাইকে একজোট হয়ে থাকার বার্তা দিচ্ছেন, ঠিক তার পরের দিনই চার দশকের পুরনো সতীর্থ কাকলির এই পোস্ট শাসক শিবিরের বিড়ম্বনা যে আরও বাড়িয়ে দিল, তা বলাই বাহুল্য।

বিষয় : MAMATABANERJEE kalyanbanerjee kakalighoshdastidar tmcinternalclash

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


চার দশকের আনুগত্যের এই ‘পুরস্কার’! কালীঘাটের বৈঠকের পর পদ হারিয়ে বিস্ফোরক কাকলি

প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬

featured Image
কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই যেন তৃণমূলের অন্দরের ক্ষোভ ও কোন্দল একে একে প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। এবার লোকসভায় তৃণমূলের সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতক (চিফ হুইপ) পদ থেকে অপসারিত হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ক্ষোভ ও হতাশা উগরে দিলেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বৃহস্পতিবার কালীঘাটে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা দলীয় সাংসদদের বৈঠকেই কাকলিকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় পুরনো মুখ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আর এই রদবদলের পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করে কাকলি লিখেছেন, "৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪-তে পথ চলা শুরু। চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।" ছাত্র রাজনীতির জমানা থেকে মমতার ছায়াসঙ্গী হিসেবে থাকা বারাসতের এই সাংসদের এমন পোস্ট দলীয় সুপ্রিমোর প্রতি তাঁর গভীর অনুযোগ ও অভিমানকেই স্পষ্ট করে দিচ্ছে।উল্লেখ্য, গত বছর অগস্টে কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের সঙ্গে তরজার জেরে শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আচমকাই মুখ্যসচেতকের পদ থেকে ইস্তফা দিলে সেই কুর্সিতে বসানো হয়েছিল কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। কিন্তু এবার কল্যাণ পুরনো পদে ফিরলেও কাকলিকে লোকসভার উপদলনেতা পদেও আর ফেরানো হয়নি, যা বর্তমানে সামলাচ্ছেন শতাব্দী রায়। ফলে লোকসভায় সংসদীয় দলে আপাতত পদহীন হয়ে পড়লেন কাকলি। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভা নির্বাচনে দলের ভরাডুবির পর এমনিতেই অস্বস্তিতে ঘাসফুল শিবির; যেখানে কুণাল ঘোষের মতো নেতারা তাপস রায়, সজল ঘোষদের দল ছাড়তে বাধ্য করার প্রসঙ্গ তুলে ‘আত্মবিশ্লেষণ’-এর দাবি তুলছেন। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটের বৈঠক থেকে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের দুর্দিনে সবাইকে একজোট হয়ে থাকার বার্তা দিচ্ছেন, ঠিক তার পরের দিনই চার দশকের পুরনো সতীর্থ কাকলির এই পোস্ট শাসক শিবিরের বিড়ম্বনা যে আরও বাড়িয়ে দিল, তা বলাই বাহুল্য।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার