Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

আই-প্যাকের কাজ বন্ধের খবর ‘ভিত্তিহীন’, পাল্টা বিবৃতি তৃণমূলের! টানাপোড়েনের মাঝেই জরুরি বৈঠকে পরামর্শদাতা সংস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
আই-প্যাকের কাজ বন্ধের খবর ‘ভিত্তিহীন’, পাল্টা বিবৃতি তৃণমূলের! টানাপোড়েনের মাঝেই জরুরি বৈঠকে পরামর্শদাতা সংস্থা
AI GENERATED PICTURE

কলকাতা: নির্বাচনের অন্তিম লগ্নে এসে তৃণমূল কংগ্রেস এবং তাদের পরামর্শদাতা সংস্থা আই-প্যাককে ঘিরে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। রবিবার সকালেই খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, ‘আইনি বাধ্যবাধকতা’র কারণ দেখিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ২০ দিনের জন্য সমস্ত কাজ স্থগিত করেছে আই-প্যাক। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আসরে নেমে তৃণমূল কংগ্রেস এই খবরকে সম্পূর্ণ ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। 


দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, আই-প্যাক এখনও তৃণমূলের সঙ্গেই নিবিড়ভাবে কাজ করছে এবং রাজ্যজুড়ে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী প্রচার কর্মসূচি চলছে। তৃণমূলের অভিযোগ, নির্বাচনী ময়দান থেকে মানুষের নজর ঘোরাতেই পরিকল্পিতভাবে এই ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। যদিও বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে শনিবার মধ্যরাতে আই-প্যাক কর্মীদের কাছে পাঠানো একটি ইমেলকে কেন্দ্র করে, যেখানে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল যে ১১ মে পর্যন্ত কর্মীরা ছুটিতে থাকবেন এবং পশ্চিমবঙ্গের কাজ বন্ধ থাকবে।


সূত্রের খবর, খবরের সত্যতা নিয়ে যখন রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর তুঙ্গে, ঠিক তখনই রবিবার দুপুর ১২টা থেকে আই-প্যাক কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন বিভাগের কর্মীদের নিয়ে একটি ভার্চুয়াল বৈঠকে বসেছেন। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে এবং কীভাবে কাজ চালানো হবে, তা নিয়েই এই বৈঠকে বিশদ আলোচনা চলছে বলে জানা গিয়েছে। একদিকে আই-প্যাকের ইমেল এবং অন্যদিকে তৃণমূলের অস্বীকার— এই দুই বিপরীতমুখী বয়ানে এখন প্রবল বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে কর্মীদের মধ্যেও। উল্লেখ্য, কয়লা কাণ্ডে ইডির ধরপাকড় এবং সংস্থার ডিরেক্টর বিনেশ চান্দেলের গ্রেফতারির পর থেকেই আই-প্যাকের ওপর চাপ বাড়ছিল। আই-প্যাকের অফিস ও কর্ণধারের বাড়িতে কেন্দ্রীয় সংস্থার হানার প্রতিবাদে খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সরব হয়েছিলেন, যা বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন।


তৃণমূলের দাবি, ভীতি প্রদর্শন করে পশ্চিমবঙ্গকে দমানো যাবে না এবং আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিলের ভোটে মানুষ এর যোগ্য জবাব দেবে। তবে প্রশ্ন উঠছে, যদি সত্যিই আই-প্যাকের মাঠের কর্মীরা ২০ দিনের ছুটিতে চলে যান, তবে বুথ স্তরে তৃণমূলের ডিজিটাল ও কৌশলগত প্রচার কীভাবে পরিচালিত হবে? তৃণমূলের একটি অংশ অবশ্য দাবি করছে, সরাসরি ময়দানে না থাকলেও আই-প্যাকের একটি বড় অংশ বাড়ি থেকে বা গোপন কোনো উপায়ে দলের কাজে সহায়তা জারি রাখবে। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার আগে আই-প্যাক ও তৃণমূলের এই সম্পর্কের সমীকরণ রাজ্য রাজনীতিতে এক নতুন মোড় এনে দিল, যার প্রতিফলন ভোটের বাক্সে কতটা পড়ে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

বিষয় : Mamata Banerjee West Bengal Election 2026 Abhisheik Banerjee ipac EDRaid POLITICALSTRATEGY

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


আই-প্যাকের কাজ বন্ধের খবর ‘ভিত্তিহীন’, পাল্টা বিবৃতি তৃণমূলের! টানাপোড়েনের মাঝেই জরুরি বৈঠকে পরামর্শদাতা সংস্থা

প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
কলকাতা: নির্বাচনের অন্তিম লগ্নে এসে তৃণমূল কংগ্রেস এবং তাদের পরামর্শদাতা সংস্থা আই-প্যাককে ঘিরে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। রবিবার সকালেই খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, ‘আইনি বাধ্যবাধকতা’র কারণ দেখিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ২০ দিনের জন্য সমস্ত কাজ স্থগিত করেছে আই-প্যাক। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আসরে নেমে তৃণমূল কংগ্রেস এই খবরকে সম্পূর্ণ ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, আই-প্যাক এখনও তৃণমূলের সঙ্গেই নিবিড়ভাবে কাজ করছে এবং রাজ্যজুড়ে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী প্রচার কর্মসূচি চলছে। তৃণমূলের অভিযোগ, নির্বাচনী ময়দান থেকে মানুষের নজর ঘোরাতেই পরিকল্পিতভাবে এই ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। যদিও বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে শনিবার মধ্যরাতে আই-প্যাক কর্মীদের কাছে পাঠানো একটি ইমেলকে কেন্দ্র করে, যেখানে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল যে ১১ মে পর্যন্ত কর্মীরা ছুটিতে থাকবেন এবং পশ্চিমবঙ্গের কাজ বন্ধ থাকবে।সূত্রের খবর, খবরের সত্যতা নিয়ে যখন রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর তুঙ্গে, ঠিক তখনই রবিবার দুপুর ১২টা থেকে আই-প্যাক কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন বিভাগের কর্মীদের নিয়ে একটি ভার্চুয়াল বৈঠকে বসেছেন। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে এবং কীভাবে কাজ চালানো হবে, তা নিয়েই এই বৈঠকে বিশদ আলোচনা চলছে বলে জানা গিয়েছে। একদিকে আই-প্যাকের ইমেল এবং অন্যদিকে তৃণমূলের অস্বীকার— এই দুই বিপরীতমুখী বয়ানে এখন প্রবল বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে কর্মীদের মধ্যেও। উল্লেখ্য, কয়লা কাণ্ডে ইডির ধরপাকড় এবং সংস্থার ডিরেক্টর বিনেশ চান্দেলের গ্রেফতারির পর থেকেই আই-প্যাকের ওপর চাপ বাড়ছিল। আই-প্যাকের অফিস ও কর্ণধারের বাড়িতে কেন্দ্রীয় সংস্থার হানার প্রতিবাদে খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সরব হয়েছিলেন, যা বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন।তৃণমূলের দাবি, ভীতি প্রদর্শন করে পশ্চিমবঙ্গকে দমানো যাবে না এবং আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিলের ভোটে মানুষ এর যোগ্য জবাব দেবে। তবে প্রশ্ন উঠছে, যদি সত্যিই আই-প্যাকের মাঠের কর্মীরা ২০ দিনের ছুটিতে চলে যান, তবে বুথ স্তরে তৃণমূলের ডিজিটাল ও কৌশলগত প্রচার কীভাবে পরিচালিত হবে? তৃণমূলের একটি অংশ অবশ্য দাবি করছে, সরাসরি ময়দানে না থাকলেও আই-প্যাকের একটি বড় অংশ বাড়ি থেকে বা গোপন কোনো উপায়ে দলের কাজে সহায়তা জারি রাখবে। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার আগে আই-প্যাক ও তৃণমূলের এই সম্পর্কের সমীকরণ রাজ্য রাজনীতিতে এক নতুন মোড় এনে দিল, যার প্রতিফলন ভোটের বাক্সে কতটা পড়ে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার