Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ট্রাম্পের পাল্টা সুর গোয়েন্দা প্রধান তুলসির! ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে বাড়ছে বিতর্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ মার্চ ২০২৬
ট্রাম্পের পাল্টা সুর গোয়েন্দা প্রধান তুলসির! ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে বাড়ছে বিতর্ক

ওয়াশিংটন: ইরান নাকি সত্যিই পরমাণু অস্ত্র তৈরির পথে এগোচ্ছে! মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের এই দাবি ঘিরেই এবার তীব্র বিতর্ক দানা বাঁধল খোদ মার্কিন প্রশাসনের অন্দরে। আমেরিকার গোয়েন্দা প্রধান (Director of National Intelligence) তুলসি গবার্ড সেনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির কাছে যে রিপোর্ট পেশ করেছেন, তা ট্রাম্পের সামরিক অভিযানের যৌক্তিকতা নিয়েই বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল।


সেনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির কাছে পেশ করা রিপোর্টে তুলসি গবার্ড দাবি করেছেন, ২০২৫ সালে আমেরিকা ও ইজ়রায়েলের যৌথ অভিযান ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’-এর পর ইরান তাদের পরমাণু কর্মসূচি ফের চালু করার কোনও চেষ্টাই করেনি। গোয়েন্দা প্রধানের মতে, ওই অভিযানে ইরানের পরমাণু পরিকাঠামো কার্যত পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। গত বছর পরমাণু কেন্দ্রগুলিতে হামলার পর থেকে ইরানের তরফে দ্বিতীয়বার এই কর্মসূচি শুরু করার কোনও লক্ষণ বা গোয়েন্দা তথ্য পাওয়াই যায়নি!


প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লাগাতার দাবি করে আসছেন, ইরান বিশ্বের জন্য বিপদ হয়ে উঠছে এবং তাদের পরমাণু কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। এই যুক্তিতেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানবিরোধী সামরিক অভিযানে নেমেছে আমেরিকা ও ইজ়রায়েল। কিন্তু, গবার্ডের রিপোর্ট ট্রাম্পের এই ‘মিলিটারি অ্যাকশন’-এর ভিত্তিকেই দুর্বল করে দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। প্রশ্ন উঠছে, যদি গত বছরই কর্মসূচি বন্ধ হয়ে গিয়ে থাকে, তবে তিন সপ্তাহ ধরে চলা এই তীব্র সামরিক সংঘাতের কারণ কী?


গত বছরের জুন মাসে ফোরডো, নাতান্‌জ় এবং ইসফাহানে হামলার পর 'নিউ ইয়র্ক টাইমস' জানিয়েছিল, হামলা হলেও ভূগর্ভস্থ ভবনগুলি পুরোপুরি ধ্বংস করা যায়নি। তখন মনে করা হয়েছিল ইরানের কর্মসূচি বড়জোর ছয় মাস পিছিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। কিন্তু, গবার্ডের বর্তমান রিপোর্ট বলছে সম্পূর্ণ উল্টো কথা।


পশ্চিম এশিয়ার এই সামরিক সংঘাত যখন ২১ দিনে পা রাখল, ঠিক তখনই এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসায় ক্ষুব্ধ মার্কিনবিরোধীরা। তাঁদের প্রশ্ন, এই গোয়েন্দা রিপোর্ট কেন আগে প্রকাশ করা হল না? ভুল তথ্যের উপর ভিত্তি করেই কি তবে ইরান আক্রমণ করা হচ্ছে?


অন্যদিকে, ইরান বরাবরই দাবি করে আসছে তারা কোনও পরমাণু অস্ত্র বানাচ্ছে না। কিন্তু, ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা ও শর্তের জালে আলোচনা বারবার ভেস্তে গিয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে তুলসি গবার্ডের এই ‘বিস্ফোরক’ রিপোর্ট হোয়াইট হাউসকে যথেষ্ট অস্বস্তিতে ফেলবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

বিষয় : DONALD TRUMP US Iran war Tulsi Gabbard Tulsi Gabbard on DOnald Trump

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


ট্রাম্পের পাল্টা সুর গোয়েন্দা প্রধান তুলসির! ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে বাড়ছে বিতর্ক

প্রকাশের তারিখ : ১৯ মার্চ ২০২৬

featured Image
ওয়াশিংটন: ইরান নাকি সত্যিই পরমাণু অস্ত্র তৈরির পথে এগোচ্ছে! মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের এই দাবি ঘিরেই এবার তীব্র বিতর্ক দানা বাঁধল খোদ মার্কিন প্রশাসনের অন্দরে। আমেরিকার গোয়েন্দা প্রধান (Director of National Intelligence) তুলসি গবার্ড সেনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির কাছে যে রিপোর্ট পেশ করেছেন, তা ট্রাম্পের সামরিক অভিযানের যৌক্তিকতা নিয়েই বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল।সেনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির কাছে পেশ করা রিপোর্টে তুলসি গবার্ড দাবি করেছেন, ২০২৫ সালে আমেরিকা ও ইজ়রায়েলের যৌথ অভিযান ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’-এর পর ইরান তাদের পরমাণু কর্মসূচি ফের চালু করার কোনও চেষ্টাই করেনি। গোয়েন্দা প্রধানের মতে, ওই অভিযানে ইরানের পরমাণু পরিকাঠামো কার্যত পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। গত বছর পরমাণু কেন্দ্রগুলিতে হামলার পর থেকে ইরানের তরফে দ্বিতীয়বার এই কর্মসূচি শুরু করার কোনও লক্ষণ বা গোয়েন্দা তথ্য পাওয়াই যায়নি!প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লাগাতার দাবি করে আসছেন, ইরান বিশ্বের জন্য বিপদ হয়ে উঠছে এবং তাদের পরমাণু কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। এই যুক্তিতেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানবিরোধী সামরিক অভিযানে নেমেছে আমেরিকা ও ইজ়রায়েল। কিন্তু, গবার্ডের রিপোর্ট ট্রাম্পের এই ‘মিলিটারি অ্যাকশন’-এর ভিত্তিকেই দুর্বল করে দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। প্রশ্ন উঠছে, যদি গত বছরই কর্মসূচি বন্ধ হয়ে গিয়ে থাকে, তবে তিন সপ্তাহ ধরে চলা এই তীব্র সামরিক সংঘাতের কারণ কী?গত বছরের জুন মাসে ফোরডো, নাতান্‌জ় এবং ইসফাহানে হামলার পর 'নিউ ইয়র্ক টাইমস' জানিয়েছিল, হামলা হলেও ভূগর্ভস্থ ভবনগুলি পুরোপুরি ধ্বংস করা যায়নি। তখন মনে করা হয়েছিল ইরানের কর্মসূচি বড়জোর ছয় মাস পিছিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। কিন্তু, গবার্ডের বর্তমান রিপোর্ট বলছে সম্পূর্ণ উল্টো কথা।পশ্চিম এশিয়ার এই সামরিক সংঘাত যখন ২১ দিনে পা রাখল, ঠিক তখনই এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসায় ক্ষুব্ধ মার্কিনবিরোধীরা। তাঁদের প্রশ্ন, এই গোয়েন্দা রিপোর্ট কেন আগে প্রকাশ করা হল না? ভুল তথ্যের উপর ভিত্তি করেই কি তবে ইরান আক্রমণ করা হচ্ছে?অন্যদিকে, ইরান বরাবরই দাবি করে আসছে তারা কোনও পরমাণু অস্ত্র বানাচ্ছে না। কিন্তু, ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা ও শর্তের জালে আলোচনা বারবার ভেস্তে গিয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে তুলসি গবার্ডের এই ‘বিস্ফোরক’ রিপোর্ট হোয়াইট হাউসকে যথেষ্ট অস্বস্তিতে ফেলবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার