ঢাকা: বাংলাদেশের বর্তমান জ্বালানি সংকট নিরসনে প্রতিবেশী দেশ ভারতের কাছে যে ৫০ হাজার টন ডিজেল সরবরাহের আবেদন জানানো হয়েছে, তার সফল বাস্তবায়নে সবথেকে বড় ভূমিকা নিতে পারে ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন। ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে বাংলাদেশের পার্বতীপুর পর্যন্ত বিস্তৃত এই আধুনিক পরিকাঠামোটিই এখন দেশের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ডিজেল আমদানির মূল মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে।
পূর্ববর্তী সরকারের আমলে নির্মিত ১৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পাইপলাইনটির প্রায় ১২০ কিলোমিটারই বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত। উল্লেখ্য, এই বিশাল প্রকল্প নির্মাণের ব্যয়ের ২৫ শতাংশ বহন করেছিল বাংলাদেশ এবং বাকি অংশ ভারত ঋণ হিসেবে প্রদান করেছিল। বর্তমান জরুরি পরিস্থিতিতে এই পাইপলাইনটি ব্যবহার করে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ও কম খরচে ডিজেল আনা সম্ভব।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, জ্বালানি মন্ত্রক ও পররাষ্ট্র মন্ত্রক যদি দ্রুত এই বিষয়টি বিবেচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়, তবে তা দেশের সাধারণ কৃষক থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র ও বৃহৎ ব্যবসায়ী—সবার জন্যই বড়সড় স্বস্তি বয়ে আনবে। বিশেষ করে সেচ মরসুমে কৃষকদের জন্য ডিজেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। সমালোচকদের একাংশের মতে, বিগত সময়ের এই বড় প্রকল্পই এখন বর্তমান সরকারের সময়কার জ্বালানি বিপর্যয় সামাল দিতে প্রধান রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করছে। ভারতের পক্ষ থেকে সবুজ সংকেত মিললে এই পাইপলাইন দিয়েই দ্রুত পৌঁছাবে স্বপ্নের ডিজেল।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন