Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

যুদ্ধের কোপ হেঁশেলে! কলকাতায় বন্ধ ডবল সিলিন্ডার কানেকশন, আতঙ্কে বুকিংয়ের হিড়িক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৬
যুদ্ধের কোপ হেঁশেলে! কলকাতায় বন্ধ ডবল সিলিন্ডার কানেকশন, আতঙ্কে বুকিংয়ের হিড়িক
ছবি সংগৃহীত

কলকাতা: ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাতের প্রভাব এবার সরাসরি টের পাচ্ছে আমজনতা। যুদ্ধের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজি (LPG) সরবরাহে টান পড়ার আশঙ্কায় কলকাতায় নতুন করে ডবল সিলিন্ডারের সংযোগ দেওয়া আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে তেল সংস্থাগুলি। ডিস্ট্রিবিউটরদের জানানো হয়েছে, কোনো গ্রাহক দ্বিতীয় সিলিন্ডারের আবেদন করলেও আপাতত তা দেওয়া যাবে না।


গ্যাস ডিলার ও বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি থাকলেও ঘরোয়া বাজারে গ্যাসের জোগান যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ।

ভারতের এলপিজি চাহিদার প্রায় ৮০-৮৫ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এই আমদানির সিংহভাগ আসে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে, যা গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী হয়ে ভারতে পৌঁছয়। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে এই পথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে জোগান বড়সড় ধাক্কা খেতে পারে। দেশে বর্তমানে মাত্র ৩০ দিনের এলপিজি মজুত রয়েছে। ফলে জোগান অনিয়মিত হলে বড় বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।

জোগান কমে যাওয়া বা দাম বাড়ার আশঙ্কায় অনেক গ্রাহক আগেভাগে সিলিন্ডার বুকিং শুরু করেছেন। এর ফলে মজুত থাকা সিলিন্ডার দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার ভয় তৈরি হয়েছে। সরকার ও ডিস্ট্রিবিউটরদের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে অতিরিক্ত সিলিন্ডার মজুত না করার জন্য বারবার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।


একইভাবে তেলের দাম বাড়ার গুজবে পেট্রোল পাম্পগুলোতেও গাড়ির ট্যাঙ্ক ফুল করার হিড়িক দেখা গিয়েছে। তবে ওয়েস্ট বেঙ্গল পেট্রোল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অরুণ সিংঘানিয়া জানিয়েছেন, "এখনও তেলের জোগান কমার মতো পরিস্থিতি হয়নি। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে দামের সামান্য হেরফের হতে পারে, কিন্তু এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।"

বিষয় : #LPGUpdate #KolkataNews #GasCylinder #IranIsraelWar #EnergyCrisis #FuelPrice #BreakingNews #WestBengal #HormuzStrait

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


যুদ্ধের কোপ হেঁশেলে! কলকাতায় বন্ধ ডবল সিলিন্ডার কানেকশন, আতঙ্কে বুকিংয়ের হিড়িক

প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬

featured Image
কলকাতা: ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাতের প্রভাব এবার সরাসরি টের পাচ্ছে আমজনতা। যুদ্ধের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজি (LPG) সরবরাহে টান পড়ার আশঙ্কায় কলকাতায় নতুন করে ডবল সিলিন্ডারের সংযোগ দেওয়া আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে তেল সংস্থাগুলি। ডিস্ট্রিবিউটরদের জানানো হয়েছে, কোনো গ্রাহক দ্বিতীয় সিলিন্ডারের আবেদন করলেও আপাতত তা দেওয়া যাবে না।গ্যাস ডিলার ও বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি থাকলেও ঘরোয়া বাজারে গ্যাসের জোগান যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ।ভারতের এলপিজি চাহিদার প্রায় ৮০-৮৫ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এই আমদানির সিংহভাগ আসে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে, যা গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী হয়ে ভারতে পৌঁছয়। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে এই পথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে জোগান বড়সড় ধাক্কা খেতে পারে। দেশে বর্তমানে মাত্র ৩০ দিনের এলপিজি মজুত রয়েছে। ফলে জোগান অনিয়মিত হলে বড় বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।জোগান কমে যাওয়া বা দাম বাড়ার আশঙ্কায় অনেক গ্রাহক আগেভাগে সিলিন্ডার বুকিং শুরু করেছেন। এর ফলে মজুত থাকা সিলিন্ডার দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার ভয় তৈরি হয়েছে। সরকার ও ডিস্ট্রিবিউটরদের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে অতিরিক্ত সিলিন্ডার মজুত না করার জন্য বারবার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।একইভাবে তেলের দাম বাড়ার গুজবে পেট্রোল পাম্পগুলোতেও গাড়ির ট্যাঙ্ক ফুল করার হিড়িক দেখা গিয়েছে। তবে ওয়েস্ট বেঙ্গল পেট্রোল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অরুণ সিংঘানিয়া জানিয়েছেন, "এখনও তেলের জোগান কমার মতো পরিস্থিতি হয়নি। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে দামের সামান্য হেরফের হতে পারে, কিন্তু এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।"

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার