ঝাড়খণ্ড লাগোয়া পুরুলিয়া সীমান্তে এবার প্রযুক্তির সাহায্যে আরও কড়া নজরদারি শুরু করল জেলা পুলিশ। বেআইনি কয়লা পাচার রুখতে সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ নাকা পয়েন্টগুলিতে বসানো সিসিটিভি ক্যামেরার ছবি সরাসরি পৌঁছে যাচ্ছে জেলা পুলিশের কন্ট্রোলরুমে। সেখান থেকেই রিয়েল টাইমে নজরদারি চালানো হচ্ছে।
পুরুলিয়ার ৩৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ ঝাড়খণ্ড সীমান্তের একাধিক পয়েন্ট দিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বেআইনি কয়লা বাংলায় ঢোকার অভিযোগ ছিল। সেই কারণেই এবার চারটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত পয়েন্টে বিশেষ নজরদারি শুরু করেছে প্রশাসন। মঙ্গলবার বিকেলে পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার কুমার শানি রাজ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকদের নিয়ে ঝাড়খণ্ড সীমান্তবর্তী জয়পুরের কাঁঠালটাড়, পুরুলিয়া মফস্বল থানার ঘোঙা, পাড়া থানার দড়দা এবং ঝালদার তুলিন নাকা পয়েন্ট পরিদর্শন করেন। সেখানে বসেই তিনি পণ্যবাহী গাড়ির নথিপত্র খতিয়ে দেখেন। রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, এই নাকা পয়েন্টগুলিতে পুলিশ, জিএসটি এবং মোটর ভেহিকল দফতরের আধিকারিকরা যৌথভাবে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালাবেন। সমস্ত ভারী পণ্যবাহী গাড়ির ই-ওয়ে বিল, ট্যাক্স ইনভয়েস এবং খনি সংক্রান্ত নথি পরীক্ষা করা হচ্ছে।
এরই মধ্যে বড় সাফল্যও পেয়েছে পুরুলিয়া পুলিশ। সোম ও মঙ্গলবার মিলিয়ে মোট ১.৯ টন বেআইনি কয়লা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে তিনটি গাড়ি এবং গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিনজনকে। জয়পুর রেলস্টেশন এলাকায় সিমেন্টের বস্তায় ভরা প্রায় এক টন কয়লা উদ্ধার করে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে, মোটরবাইকে করে পাচারের সময় প্রায় ৬০০ কেজি কয়লা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এছাড়া একটি বৈদ্যুতিক পণ্যবাহী গাড়ি থেকে আরও ৩০০ কেজি পোড়া কয়লা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পুরুলিয়া জেলা পুলিশের স্পষ্ট বার্তা, বেআইনি কয়লা পাচারের বিরুদ্ধে কোনওরকম আপস নয়, জেলাজুড়ে চলছে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি।
বিষয় : Purulia Coal Smuggling

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন