Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

২১ জুলাইয়ের ময়দানে বড় ধাক্কা! সমাবেশের অনুমতি না পেয়ে ‘কলকাতা চলো’ স্লোগানেই সান্ত্বনা কালীঘাট তৃণমূলের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ জুলাই ২০২৬
 ২১ জুলাইয়ের ময়দানে বড় ধাক্কা! সমাবেশের অনুমতি না পেয়ে ‘কলকাতা চলো’ স্লোগানেই সান্ত্বনা কালীঘাট তৃণমূলের
ছবি সংগৃহীত

কলকাতা: প্রতি বছর ২১ জুলাই ধর্মতলার মোড় তৃণমূলের জনপ্লাবনে ভেসে গেলেও, ২০২৬ সালে ছবিটা যেন সম্পূর্ণ বিপরীত। একুশের সমাবেশের অনুমতি ঘিরে চলা দীর্ঘ আইনি টালবাহানা ও পুলিশের কড়া অবস্থানের জেরে কার্যত পিছু হটতে বাধ্য হলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাট তৃণমূল শিবির। শেষ পর্যন্ত সমাবেশের অনুমতি না মেলায় চিরাচরিত ‘ধর্মতলা চলো’ পোস্টার বদলে এবার তারা ‘কলকাতা চলো’ স্লোগান দিয়েই সান্ত্বনা খুঁজছে।


দীর্ঘদিন ধরেই একুশের সমাবেশ নিয়ে টানাপোড়েন চলছিল। পুলিশের কাছে ধর্মতলায় সভার অনুমতি চেয়ে আবেদন জানানো হলেও তা খারিজ হয়ে গিয়েছে। ওই চত্বরে বর্তমানে ১৬৩ ধারা জারি থাকায় পুলিশের তরফে কোনো ছাড় দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েও খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি কালীঘাট শিবির। উল্টোদিকে, বড় স্বস্তি পেয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ‘আসল’ তৃণমূল। গান্ধীমূর্তির পাদদেশে তাদের শহীদ স্মরণের অনুমতি দিয়েছে পুলিশ। আগামী ২১ জুলাই সেই মঞ্চ থেকেই নিজের রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন করতে চলেছে ঋতব্রত শিবির।


সমাবেশের জায়গা নিয়ে এই চরম বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে কালীঘাট শিবির এখন বিকল্প পথে হাঁটছে। সূত্রের খবর, পুলিশের অনুমতি না মিললে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে ছোট ছোট জনসভা আয়োজনের পরিকল্পনা করছে তারা। সেই সমস্ত সভায় নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে প্রশ্ন উঠছে, শহরের অলিগলিতে ছোট সভা করার ক্ষেত্রেও কি পুলিশি অনুমতি পাওয়া সহজ হবে? একুশে জুলাইয়ের দিনটি তৃণমূলের কাছে ঐতিহ্যের হলেও, দল দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যাওয়ায় এখন প্রতীকের লড়াই ছাপিয়ে সমাবেশের জায়গা দখলের লড়াইতেই বেশি ব্যস্ত দুই পক্ষ। এক বছর আগের উৎসবের মেজাজ আজ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় বদলে যাওয়ায় কর্মীদের মধ্যে চরম বিভ্রান্তি। এখন দেখার, হাই কোর্টের নির্দেশ বা আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর ভিত্তি করে কালীঘাট শিবির তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে পারে কি না, নাকি এবার একুশের মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছাড়াই শহীদ স্মরণ সারতে হয়।

বিষয় : tmcinternalconflict bengalpoitics kolkatachalo

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬


২১ জুলাইয়ের ময়দানে বড় ধাক্কা! সমাবেশের অনুমতি না পেয়ে ‘কলকাতা চলো’ স্লোগানেই সান্ত্বনা কালীঘাট তৃণমূলের

প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬

featured Image
কলকাতা: প্রতি বছর ২১ জুলাই ধর্মতলার মোড় তৃণমূলের জনপ্লাবনে ভেসে গেলেও, ২০২৬ সালে ছবিটা যেন সম্পূর্ণ বিপরীত। একুশের সমাবেশের অনুমতি ঘিরে চলা দীর্ঘ আইনি টালবাহানা ও পুলিশের কড়া অবস্থানের জেরে কার্যত পিছু হটতে বাধ্য হলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাট তৃণমূল শিবির। শেষ পর্যন্ত সমাবেশের অনুমতি না মেলায় চিরাচরিত ‘ধর্মতলা চলো’ পোস্টার বদলে এবার তারা ‘কলকাতা চলো’ স্লোগান দিয়েই সান্ত্বনা খুঁজছে।দীর্ঘদিন ধরেই একুশের সমাবেশ নিয়ে টানাপোড়েন চলছিল। পুলিশের কাছে ধর্মতলায় সভার অনুমতি চেয়ে আবেদন জানানো হলেও তা খারিজ হয়ে গিয়েছে। ওই চত্বরে বর্তমানে ১৬৩ ধারা জারি থাকায় পুলিশের তরফে কোনো ছাড় দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েও খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি কালীঘাট শিবির। উল্টোদিকে, বড় স্বস্তি পেয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ‘আসল’ তৃণমূল। গান্ধীমূর্তির পাদদেশে তাদের শহীদ স্মরণের অনুমতি দিয়েছে পুলিশ। আগামী ২১ জুলাই সেই মঞ্চ থেকেই নিজের রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন করতে চলেছে ঋতব্রত শিবির।সমাবেশের জায়গা নিয়ে এই চরম বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে কালীঘাট শিবির এখন বিকল্প পথে হাঁটছে। সূত্রের খবর, পুলিশের অনুমতি না মিললে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে ছোট ছোট জনসভা আয়োজনের পরিকল্পনা করছে তারা। সেই সমস্ত সভায় নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে প্রশ্ন উঠছে, শহরের অলিগলিতে ছোট সভা করার ক্ষেত্রেও কি পুলিশি অনুমতি পাওয়া সহজ হবে? একুশে জুলাইয়ের দিনটি তৃণমূলের কাছে ঐতিহ্যের হলেও, দল দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যাওয়ায় এখন প্রতীকের লড়াই ছাপিয়ে সমাবেশের জায়গা দখলের লড়াইতেই বেশি ব্যস্ত দুই পক্ষ। এক বছর আগের উৎসবের মেজাজ আজ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় বদলে যাওয়ায় কর্মীদের মধ্যে চরম বিভ্রান্তি। এখন দেখার, হাই কোর্টের নির্দেশ বা আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর ভিত্তি করে কালীঘাট শিবির তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে পারে কি না, নাকি এবার একুশের মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছাড়াই শহীদ স্মরণ সারতে হয়।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার