ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী তৃণমূলের জেলা সভাপতিদের তালিকা প্রকাশ হতেই সামনে এল বড় চমক। বীরভূমের জেলা সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হল অনুব্রত মণ্ডলকে। অর্থাৎ, নতুন করে তৈরি হওয়া ঋতব্রত শিবিরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন বীরভূমের একসময়ের দাপুটে তৃণমূল নেতা। তালিকা প্রকাশের সময় অনুব্রত মণ্ডল বীরভূমেই রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের রাজ্য কমিটিতেও জায়গা পেয়েছেন একাধিক পরিচিত মুখ। সেই তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ ও চিকিৎসক নেতা শান্তনু সেন। পাশাপাশি দলের মুখপাত্র হিসেবেও ঘোষণা করা হয়েছে বেশ কয়েকজনের নাম। নতুন দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী, হাওড়ায় দায়িত্ব পেয়েছেন অরুণাভ (রাজা) সেন, পশ্চিম মেদিনীপুরে প্রদীপ সরকার, ঘাটালে সঞ্জয়, বাঁকুড়ায় রথীন বন্দ্যোপাধ্যায়, পুরুলিয়ায় উজ্জ্বল কুমার, পূর্ব বর্ধমানে রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এবং পশ্চিম বর্ধমানে নগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। বীরভূমের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অনুব্রত মণ্ডলকে। এছাড়াও ডায়মন্ড হারবারে শুভাশিষ দাশ, সুন্দরবনে গণেশ মণ্ডল, উত্তর কলকাতায় সন্দীপন সাহা, দক্ষিণ কলকাতায় দেবাশিস কুমার এবং হাওড়া সদরে সৃষ্টিধর ঘোষকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের প্রধান মুখপাত্র করা হয়েছে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মুখপাত্রের তালিকায় রয়েছেন স্নেহাশিস চক্রবর্তী, আখরুজ্জামান, শান্তনু সেন, সুদীপ রাহা, কোহিনূর মজুমদার, সন্দীপন সাহা এবং অপূর্ব সরকার (ডেভিড)।
এদিনের বৈঠকে আরও এক চর্চিত মুখ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ। আর জি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তাঁর নাম নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছিল, মৃত চিকিৎসকের দেহ দ্রুত অন্ত্যেষ্টি করার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল। যদিও এই অভিযোগগুলি নিয়ে তদন্ত চলছে।

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন