Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ফরেন্সিক রিপোর্টে কারচুপির অভিযোগ, আর জি কর মামলায় ফের সিবিআইকে নির্দেশ আদালতের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০২৬
ফরেন্সিক রিপোর্টে কারচুপির অভিযোগ, আর জি কর মামলায় ফের সিবিআইকে নির্দেশ আদালতের
ছবি--প্রতীকী

আর জি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের মামলায় ফের নতুন মোড়। এবার নির্যাতিতার ভিসেরা নমুনা ও রিপোর্ট বিকৃতির অভিযোগের তদন্তও করবে সিবিআই। নির্যাতিতার পরিবারের আবেদন মেনে শনিবার এমনই নির্দেশ দিল শিয়ালদহের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় আদালত।


আদালত সূত্রে খবর, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা খতিয়ে দেখে আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে হবে সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিককে। এর ফলে মূল ঘটনার তদন্তের পাশাপাশি ভিসেরা সংক্রান্ত বিতর্কও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নজরে এল। কয়েক দিন আগে বেলগাছিয়ার রাজ্য ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির এক প্রাক্তন কর্মী নির্যাতিতার পরিবারের কাছে একটি চিঠি পাঠান।


 এনকাউন্টারে খতম প্রভাসের ময়নাতদন্তে এবার ডিজিটাল এক্স-রে!


সেই চিঠিতে দাবি করা হয়, আর জি করের নির্যাতিতার ভিসেরা নমুনা বদলে দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, এই ঘটনায় ফরেন্সিক ল্যাবরেটরির তিন আধিকারিকের ভূমিকা থাকতে পারে। চিঠির বিষয়বস্তু সামনে আসার পরই নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। নির্যাতিতার পরিবার ওই চিঠি আদালতে জমা দিয়ে ভিসেরা রিপোর্ট বিকৃতির অভিযোগে পৃথক তদন্তের দাবি জানায়। তাঁদের আবেদন, যদি নমুনা বা রিপোর্টে কোনও ধরনের কারচুপি হয়ে থাকে, তবে তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।


পরিবারের সেই আবেদনকে গুরুত্ব দিয়েই আদালত সিবিআইকে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে আদালত জিআরও-কে নির্দেশ দিয়েছে, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র গোপনীয়ভাবে সিল করা খামে তদন্তকারী আধিকারিকের হাতে তুলে দিতে হবে। পাশাপাশি ওই নথির প্রতিলিপিও সিল করা খামে মামলার রেকর্ডে সংরক্ষণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর জি কর কাণ্ডে এই নতুন অভিযোগ সামনে আসায় মামলাটি আরও একবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। ভিসেরা নমুনা সত্যিই বদল করা হয়েছিল কি না, অথবা রিপোর্টে কোনও ধরনের কারচুপির চেষ্টা হয়েছিল কি না, তা এখন সিবিআই তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

বিষয় : WestBengalPolitics KOLKATAPOLICE suvendu adhikari RGKar hospital CBIINVESTIGATION

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬


ফরেন্সিক রিপোর্টে কারচুপির অভিযোগ, আর জি কর মামলায় ফের সিবিআইকে নির্দেশ আদালতের

প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬

featured Image
আর জি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের মামলায় ফের নতুন মোড়। এবার নির্যাতিতার ভিসেরা নমুনা ও রিপোর্ট বিকৃতির অভিযোগের তদন্তও করবে সিবিআই। নির্যাতিতার পরিবারের আবেদন মেনে শনিবার এমনই নির্দেশ দিল শিয়ালদহের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় আদালত।আদালত সূত্রে খবর, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা খতিয়ে দেখে আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে হবে সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিককে। এর ফলে মূল ঘটনার তদন্তের পাশাপাশি ভিসেরা সংক্রান্ত বিতর্কও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নজরে এল। কয়েক দিন আগে বেলগাছিয়ার রাজ্য ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির এক প্রাক্তন কর্মী নির্যাতিতার পরিবারের কাছে একটি চিঠি পাঠান। এনকাউন্টারে খতম প্রভাসের ময়নাতদন্তে এবার ডিজিটাল এক্স-রে!সেই চিঠিতে দাবি করা হয়, আর জি করের নির্যাতিতার ভিসেরা নমুনা বদলে দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, এই ঘটনায় ফরেন্সিক ল্যাবরেটরির তিন আধিকারিকের ভূমিকা থাকতে পারে। চিঠির বিষয়বস্তু সামনে আসার পরই নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। নির্যাতিতার পরিবার ওই চিঠি আদালতে জমা দিয়ে ভিসেরা রিপোর্ট বিকৃতির অভিযোগে পৃথক তদন্তের দাবি জানায়। তাঁদের আবেদন, যদি নমুনা বা রিপোর্টে কোনও ধরনের কারচুপি হয়ে থাকে, তবে তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।পরিবারের সেই আবেদনকে গুরুত্ব দিয়েই আদালত সিবিআইকে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে আদালত জিআরও-কে নির্দেশ দিয়েছে, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র গোপনীয়ভাবে সিল করা খামে তদন্তকারী আধিকারিকের হাতে তুলে দিতে হবে। পাশাপাশি ওই নথির প্রতিলিপিও সিল করা খামে মামলার রেকর্ডে সংরক্ষণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর জি কর কাণ্ডে এই নতুন অভিযোগ সামনে আসায় মামলাটি আরও একবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। ভিসেরা নমুনা সত্যিই বদল করা হয়েছিল কি না, অথবা রিপোর্টে কোনও ধরনের কারচুপির চেষ্টা হয়েছিল কি না, তা এখন সিবিআই তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার