Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ভূতুড়ে ‘মিষ্টি হাব’-এর দিন শেষ! মমতার বন্ধ প্রকল্পে ফুড প্রসেসিং ইউনিট গড়ছে শুভেন্দু সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ জুলাই ২০২৬
ভূতুড়ে ‘মিষ্টি হাব’-এর দিন শেষ! মমতার বন্ধ প্রকল্পে ফুড প্রসেসিং ইউনিট গড়ছে শুভেন্দু সরকার
ফাইল ছবি

বর্ধমান: পূর্বতন তৃণমূল সরকারের অন্যতম ব্যর্থ ও ধুঁকতে থাকা ‘স্বপ্নের প্রকল্প’ বর্ধমানের মিষ্টি হাব এবার সম্পূর্ণ নতুন রূপে ঘুরে দাঁড়াতে চলেছে। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ভুতুড়ে বাড়ির মতো বন্ধ অবস্থায় পড়ে থাকা এই বিশাল ভবনে এবার বিকল্প বড়সড় শিল্পের পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্যের নতুন ডবল ইঞ্জিন সরকার। 


মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন প্রশাসন এবার এই মিষ্টি হাবে কর্মসংস্থান ও বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতে একটি অত্যাধুনিক ফুড প্রসেসিং ইউনিট গড়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর পাশাপাশি এই চত্বরেই রাইস ইউনিট এবং পট্যাটো বা আলুর হাব গড়ার ব্যাপারেও তৎপরতা শুরু হয়েছে। রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রের এই মেগা ঘোষণায় নতুন করে আশার আলো দেখছেন পূর্ব বর্ধমানের ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে বেকার যুবকেরা।


প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে বর্ধমানের বাম চাঁদাইপুরে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে এই মিষ্টি হাবের মহাসমারোহে উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সীতাভোগ, মিহিদানা, কাটোয়ার পান্তুয়া কিংবা শক্তিগড়ের ল্যাংচাকে বিশ্বমানের দরবারে পৌঁছে দিতে দোতলা বিশাল ভবনে প্রায় ৩০টি ঘর তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু চালুর হওয়ার কিছু দিনের মধ্যেই সঠিক পরিকল্পনার অভাবে ধুঁকতে শুরু করে এই হাব। 


একে একে ঝাঁপ বন্ধ হতে শুরু করে দোকানগুলির। পরবর্তীকালে জেলা প্রশাসনের তরফে খড়গপুর আইআইটি (IIT)-র কারিগরি সহায়তা নিয়ে উন্নত প্যাকেজিং ও প্রসেসিং-এর মাধ্যমে মিষ্টান্ন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হলেও পূর্বতন তৃণমূল সরকারের উদাসীনতায় তা বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে গত পাঁচ বছর ধরে কার্যত এক ভুতুড়ে আবহে পড়েছিল এই কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি।


প্রেস কনফারেন্সে একাধিক ইস্যুতে মুখ খুললেন কুণাল ঘোষ


রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই পড়ে থাকা সরকারি জমি ও ভবনগুলি ব্যবহার করে নয়া শিল্প সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে ঝাঁপিয়েছে বর্তমান বিজেপি সরকার। কাটোয়ায় এনটিপিসি (NTPC)-র হাতে থাকা প্রায় ৬০০ একর জমিতে বড় শিল্প গড়ার পাশাপাশি এবার নজর দেওয়া হলো বর্ধমানের এই মিষ্টি হাবে। 


এ বিষয়ে রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র স্পষ্ট জানান, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মূল লক্ষ্যই হলো বাংলায় দ্রুত শিল্প আসুক এবং যুবকদের কর্মসংস্থান হোক। সরকারি জায়গা নষ্ট না করে তা মানুষের কাজে ব্যবহার করা হবে। এখানে ফুড প্রসেসিং ইউনিট এবং আলুর হাব গড়ে উঠলে জেলার কয়েক হাজার আলু চাষী ও ব্যবসায়ী সরাসরি উপকৃত হবেন। বন্ধ হাবের বন্ধ দুয়ার খুলে দ্রুত এই প্রকল্প বাস্তবায়নে রাজ্য সরকার এখন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু করেছে।

বিষয় : SuvenduAdhikari industrialgrowth burdwannews foodprocessingunit employmentwb

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬


ভূতুড়ে ‘মিষ্টি হাব’-এর দিন শেষ! মমতার বন্ধ প্রকল্পে ফুড প্রসেসিং ইউনিট গড়ছে শুভেন্দু সরকার

প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬

featured Image
বর্ধমান: পূর্বতন তৃণমূল সরকারের অন্যতম ব্যর্থ ও ধুঁকতে থাকা ‘স্বপ্নের প্রকল্প’ বর্ধমানের মিষ্টি হাব এবার সম্পূর্ণ নতুন রূপে ঘুরে দাঁড়াতে চলেছে। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ভুতুড়ে বাড়ির মতো বন্ধ অবস্থায় পড়ে থাকা এই বিশাল ভবনে এবার বিকল্প বড়সড় শিল্পের পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্যের নতুন ডবল ইঞ্জিন সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন প্রশাসন এবার এই মিষ্টি হাবে কর্মসংস্থান ও বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতে একটি অত্যাধুনিক ফুড প্রসেসিং ইউনিট গড়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর পাশাপাশি এই চত্বরেই রাইস ইউনিট এবং পট্যাটো বা আলুর হাব গড়ার ব্যাপারেও তৎপরতা শুরু হয়েছে। রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রের এই মেগা ঘোষণায় নতুন করে আশার আলো দেখছেন পূর্ব বর্ধমানের ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে বেকার যুবকেরা।প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে বর্ধমানের বাম চাঁদাইপুরে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে এই মিষ্টি হাবের মহাসমারোহে উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সীতাভোগ, মিহিদানা, কাটোয়ার পান্তুয়া কিংবা শক্তিগড়ের ল্যাংচাকে বিশ্বমানের দরবারে পৌঁছে দিতে দোতলা বিশাল ভবনে প্রায় ৩০টি ঘর তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু চালুর হওয়ার কিছু দিনের মধ্যেই সঠিক পরিকল্পনার অভাবে ধুঁকতে শুরু করে এই হাব। একে একে ঝাঁপ বন্ধ হতে শুরু করে দোকানগুলির। পরবর্তীকালে জেলা প্রশাসনের তরফে খড়গপুর আইআইটি (IIT)-র কারিগরি সহায়তা নিয়ে উন্নত প্যাকেজিং ও প্রসেসিং-এর মাধ্যমে মিষ্টান্ন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হলেও পূর্বতন তৃণমূল সরকারের উদাসীনতায় তা বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে গত পাঁচ বছর ধরে কার্যত এক ভুতুড়ে আবহে পড়েছিল এই কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি।প্রেস কনফারেন্সে একাধিক ইস্যুতে মুখ খুললেন কুণাল ঘোষরাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই পড়ে থাকা সরকারি জমি ও ভবনগুলি ব্যবহার করে নয়া শিল্প সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে ঝাঁপিয়েছে বর্তমান বিজেপি সরকার। কাটোয়ায় এনটিপিসি (NTPC)-র হাতে থাকা প্রায় ৬০০ একর জমিতে বড় শিল্প গড়ার পাশাপাশি এবার নজর দেওয়া হলো বর্ধমানের এই মিষ্টি হাবে। এ বিষয়ে রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র স্পষ্ট জানান, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মূল লক্ষ্যই হলো বাংলায় দ্রুত শিল্প আসুক এবং যুবকদের কর্মসংস্থান হোক। সরকারি জায়গা নষ্ট না করে তা মানুষের কাজে ব্যবহার করা হবে। এখানে ফুড প্রসেসিং ইউনিট এবং আলুর হাব গড়ে উঠলে জেলার কয়েক হাজার আলু চাষী ও ব্যবসায়ী সরাসরি উপকৃত হবেন। বন্ধ হাবের বন্ধ দুয়ার খুলে দ্রুত এই প্রকল্প বাস্তবায়নে রাজ্য সরকার এখন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু করেছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার