Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

চাকরি কি থাকবে? সিভিক ভলান্টিয়ারদের জন্য নজিরবিহীন চরম খাঁড়া নামাল স্বরাষ্ট্র দফতর, দিনক্ষণ বেঁধে জারি কড়া নির্দেশিকা!

চাকরি কি থাকবে? সিভিক ভলান্টিয়ারদের জন্য নজিরবিহীন চরম খাঁড়া নামাল স্বরাষ্ট্র দফতর, দিনক্ষণ বেঁধে জারি কড়া নির্দেশিকা!
ছবি--প্রতীকী

কলকাতা: আশঙ্কা যেটা ছিল, সেটাই সত্যি হলো! রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এবার সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এক বিরাট এবং নজিরবিহীন পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। খোদ নবান্নের স্বরাষ্ট্র দফতর থেকে জারি করা হলো এক কড়া নির্দেশিকা, যার জেরে এবার তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়তে পারে হাজার হাজার সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি। 

বনশালির ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ ঘিরে তদন্ত ও ক্ষতিপূরণের দাবি তুলল ফিল্ম সংগঠন


নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে, আগামী ৯০ দিনের মধ্যে রাজ্যের সমস্ত সিভিক ভলান্টিয়ারদের যোগ্যতা নতুন করে ফের ঝাড়াই-বাছাই করতে হবে। তাঁদের নিয়োগ বা বদলির ক্ষেত্রে কোনওরকম রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো হয়েছিল কিনা কিংবা ধর্মের ভিত্তিতে কোনও পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছিল কিনা, এবার তা সুনির্দিষ্টভাবে খতিয়ে দেখবে প্রশাসন। সেই সাথে সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিগত দুই বছরের কাজের সম্পূর্ণ রেকর্ডও স্ক্রিনিংয়ের মুখে পড়তে চলেছে।


স্বরাষ্ট্র দফতরের এই ঐতিহাসিক নির্দেশিকাকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এক বিস্ফোরক দাবি করেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, বিগত দিনে সিভিক ভলান্টিয়ার পদে যা নিয়োগ হয়েছে, তার প্রায় সবকটিই ছিল স্রেফ ‘পলিটিক্যাল অ্যাপোয়ন্টমেন্ট’ বা রাজনৈতিক সুপারিশ।


 প্রার্থীর যোগ্যতা, শারীরিক সক্ষমতা কিংবা কাজের প্রতি নিষ্ঠা—কোনো কিছুই খতিয়ে দেখে নিয়োগ করা হয়নি। নিজের দফতরের উদাহরণ টেনে পুরমন্ত্রী আরও বলেন, যেখানে একটি কাজের জন্য মাত্র ৫ জন লোক দরকার, সেখানে রাজনৈতিক স্বার্থে ৪০০ জনকে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই বাড়তি কর্মীরা অনেকেই কোনওদিন দফতরে পর্যন্ত আসেন না, কেবল মাঝেসাঝে মোটরসাইকেল নিয়ে এসে আড্ডা মেরে চলে যান এবং সাত দিন আগে থেকেই রেজিস্টারে অগ্রিম সই করে রেখে দেন। জনগণের করের টাকার এই অপচয় আর চলতে দেওয়া হবে না এবং শেষ কয়েক মাসে যাঁরা কাজে আসেননি, তাঁদের অবিলম্বে ছাঁটাইয়ের রাস্তায় হাঁটা হবে।


উল্লেখ্য, সম্প্রতি রাজ্য বাজেট পেশের পরই এক সাংবাদিক বৈঠকে এই বিষয়ে এক মারাত্মক আভাস দিয়ে রেখেছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি প্রকাশ্যেই হুঙ্কার দিয়েছিলেন যে, সিভিক ভলান্টিয়ার বাহিনীতে প্রচুর ‘জল মিশে রয়েছে’ এবং খুব শীঘ্রই সেখানে এক বড়সড় ঝাড়াই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হবে। মুখ্যমন্ত্রীর সেই কড়া বার্তার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার স্বরাষ্ট্র দফতরের এই ৯০ দিনের ডেডলাইন যুক্ত নির্দেশিকা জারি হওয়ায় সিভিক ভলান্টিয়ারদের মহলে রীতিমতো হাহাকার ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এবার শুধু নোটিস দিয়ে বিট সিস্টেমের মাধ্যমে যোগ্য ব্যক্তিদেরই রাখা হবে এবং অতিরিক্ত ভুয়ো কর্মীদের ছেঁটে ফেলা হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে সরকার।

বিষয় : Agnimitra Pule civic volunteer Suvendu Adhikary EMPLYOMENTNEWS homedepartment

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬


চাকরি কি থাকবে? সিভিক ভলান্টিয়ারদের জন্য নজিরবিহীন চরম খাঁড়া নামাল স্বরাষ্ট্র দফতর, দিনক্ষণ বেঁধে জারি কড়া নির্দেশিকা!

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬

featured Image
কলকাতা: আশঙ্কা যেটা ছিল, সেটাই সত্যি হলো! রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এবার সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এক বিরাট এবং নজিরবিহীন পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। খোদ নবান্নের স্বরাষ্ট্র দফতর থেকে জারি করা হলো এক কড়া নির্দেশিকা, যার জেরে এবার তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়তে পারে হাজার হাজার সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি। বনশালির ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ ঘিরে তদন্ত ও ক্ষতিপূরণের দাবি তুলল ফিল্ম সংগঠন নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে, আগামী ৯০ দিনের মধ্যে রাজ্যের সমস্ত সিভিক ভলান্টিয়ারদের যোগ্যতা নতুন করে ফের ঝাড়াই-বাছাই করতে হবে। তাঁদের নিয়োগ বা বদলির ক্ষেত্রে কোনওরকম রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো হয়েছিল কিনা কিংবা ধর্মের ভিত্তিতে কোনও পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছিল কিনা, এবার তা সুনির্দিষ্টভাবে খতিয়ে দেখবে প্রশাসন। সেই সাথে সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিগত দুই বছরের কাজের সম্পূর্ণ রেকর্ডও স্ক্রিনিংয়ের মুখে পড়তে চলেছে।স্বরাষ্ট্র দফতরের এই ঐতিহাসিক নির্দেশিকাকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এক বিস্ফোরক দাবি করেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, বিগত দিনে সিভিক ভলান্টিয়ার পদে যা নিয়োগ হয়েছে, তার প্রায় সবকটিই ছিল স্রেফ ‘পলিটিক্যাল অ্যাপোয়ন্টমেন্ট’ বা রাজনৈতিক সুপারিশ। প্রার্থীর যোগ্যতা, শারীরিক সক্ষমতা কিংবা কাজের প্রতি নিষ্ঠা—কোনো কিছুই খতিয়ে দেখে নিয়োগ করা হয়নি। নিজের দফতরের উদাহরণ টেনে পুরমন্ত্রী আরও বলেন, যেখানে একটি কাজের জন্য মাত্র ৫ জন লোক দরকার, সেখানে রাজনৈতিক স্বার্থে ৪০০ জনকে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই বাড়তি কর্মীরা অনেকেই কোনওদিন দফতরে পর্যন্ত আসেন না, কেবল মাঝেসাঝে মোটরসাইকেল নিয়ে এসে আড্ডা মেরে চলে যান এবং সাত দিন আগে থেকেই রেজিস্টারে অগ্রিম সই করে রেখে দেন। জনগণের করের টাকার এই অপচয় আর চলতে দেওয়া হবে না এবং শেষ কয়েক মাসে যাঁরা কাজে আসেননি, তাঁদের অবিলম্বে ছাঁটাইয়ের রাস্তায় হাঁটা হবে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি রাজ্য বাজেট পেশের পরই এক সাংবাদিক বৈঠকে এই বিষয়ে এক মারাত্মক আভাস দিয়ে রেখেছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি প্রকাশ্যেই হুঙ্কার দিয়েছিলেন যে, সিভিক ভলান্টিয়ার বাহিনীতে প্রচুর ‘জল মিশে রয়েছে’ এবং খুব শীঘ্রই সেখানে এক বড়সড় ঝাড়াই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হবে। মুখ্যমন্ত্রীর সেই কড়া বার্তার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার স্বরাষ্ট্র দফতরের এই ৯০ দিনের ডেডলাইন যুক্ত নির্দেশিকা জারি হওয়ায় সিভিক ভলান্টিয়ারদের মহলে রীতিমতো হাহাকার ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এবার শুধু নোটিস দিয়ে বিট সিস্টেমের মাধ্যমে যোগ্য ব্যক্তিদেরই রাখা হবে এবং অতিরিক্ত ভুয়ো কর্মীদের ছেঁটে ফেলা হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে সরকার।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার